কচুয়াতে কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্র লীগের নেতা কর্মীরা

 

সুজন পোদ্দার : করোনা সংক্রমণের কারণে চলতি বোরো মৌসুমে ব্যাপকভাবে ধানকাটা শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় উপজেলার সহদেব পুর পশ্চিম ইউনিয়নের সাইরার বিলে অসহায় ও দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দরা।

প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ ড: মহীউদ্দীন খান আলমগীর নির্দেশে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন তারা।
কচুয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাচ্ছেল খানের নেতৃত্বে শনিবার সকাল ৮ থেকে ধান কাটা শুরু করে দুপর ১২ টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ শাহ মজুমদার,
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মজুমদার, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান, ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব, রাসেল,রাসেল প্রধান,কাদলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জহির প্রমূখ।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাচ্ছেল খান বলেন,
আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা ড: মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির নির্দেশ দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগকে কৃষকদের পাশে থাকার জন্য। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তুলে দিচ্ছি। শনিবার সকালে আমাদের এমপি মহোদয় আমার সাথে টেলি কনফারেন্সে আমাদের নেতা কর্মীদের ধান কাটতে উৎসাহিত করে। তারপর সাইরার বিলে শ্রমিক সংকটে পাকা ধান কাটতে কৃষকদের অসুবিধার কথা জেনে আমরা সেখানে গিয়ে তাদের পাকা ধান কাটতে সহযোগিতা করি।
তিনি আরো বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ যেকোনো সঙ্কটে সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকে, ভবিষ্যতেও থাকবে। উপজেলার সব নেতাকর্মীকে কৃষকদের পাশে থাকার আহবান জানান ।

কৃষক তুলপাই পশ্চিম পাড়ার মো: ইয়াছিন
বলেন,  আমার ৫৪ শতক  “জমির ধান পেকেছে কিন্তু ধান কাটার শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না, এনিয়ে খুব চিন্তিত ছিলাম। এমতাবস্থায় মোফাচ্ছেল খানের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা আমার ধান কেটে দিয়েছে। এ ধান কেটে দেওয়ায় আমি খুবই উপকৃত হয়েছি”। এজন্য মোফাচ্ছের খানকে ধন্যবাদ জানাই।

_______&&&__________&&&&&&&&&______

কচুয়ারডাক পাঠকফোরাম করোনা ভাইরাস কভিড-১৯ জরুরী ১ কোটি টাকা ত্রান ও চিকিৎসা চ্যারিটি আপিলঃদেশ-বিদেশ থেকে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড দিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে দান করতে www.kachuardak.com ওয়েবসাইটে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে লিংকে ক্লিক করুন- PayPal হাইজিন প্যাক ৫,০০০ টাকা, সংক্রমণরোধী পোশাক ও মাস্ক ১০,০০০ টাকা, ১টি খাবার প্যাক ৩,০০০ টাকা ২টি খাবার প্যাক ৬,০০০ টাকা, ৩ টি খাবার প্যাক ৯,০০০ টাকা, গৃহ সামগ্রী ১০,০০০ টাকা, জরুরী মেডিকেল সাপোর্ট ও এম্বুলেন্স খরচ ২০,০০০ টাকা, লাশ দাফন ও সৎকার ১০,০০০টাকা,
জরুরী হাসপাতাল সামগ্রী বিতরণ ১,০০০০০ টাকা।

কচুয়ায় দুস্থ ও গরীব এবং অসহায় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসুন,কচুয়ার ডাক করোনা ভাইরাস কভিড-১৯ জরুরী ১ কোটি টাকার ত্রান,চিকিৎসা চ্যারিটি আপিল এবং ত্রান তহবিলে শরিক হউন, ধন্যবাদ!

দেশ-বিদেশ থেকে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড দিয়ে খুব সহজেই ঘরে বসে দান করতে পারেন আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে চ্যারিটি পেমেন্ট গেটওয়ে www.kachuardak.com ওয়েবসাইটে লিংকে ক্লিক করুন- Justgiving

আপনি চাইলে হাতের কাছেই পাচ্ছেন বাংলাদেশ মোবাইল পেমেন্ট ক্যাস সিস্টেমঃ নগদ, বিকাশ ও রকেট, আমাদের একমাত্র বিশস্ত নাম্বার এখনই পাঠিয়ে দিন আপনার দান 01719173719

বিঃদ্রঃ BMGSF রেজিষ্ট্রেশন ও লাইসেন্স নং ০০০৩৪৫