কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের করোনা টেস্ট জরুরী অফিসিয়ালি প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত।সম্পাদকীয়!!  

কচুয়া উপজেলায় অফিসিয়ালি প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত, আই ডি সি আর।পরিবারের সদস্য আক্রান্ত হওয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশিরের করোনা টেস্ট জরুরী!  

কচুয়া উপজেলায় অফিসিয়ালি প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত, আই ডি সি আর।ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঔষধের ফার্মেসির ব্যবসা করা ফয়েজ আহমেদ গত ৩০ এপ্রিল করোনা ভাইরাসের নমুনা দিয়ে কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের শাহারপাড় গ্রামের রব ডাক্তার বাড়িতে অবস্থান করে। বুধবার আইইডিসিআর এর তথ্যমতে ফয়েজ আহমেদের শরীরে করোনা ভাইরাস নমুনার পজিটিভ আসে।
খবর পেয়ে, বুধবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) একি মিত্র চাকমা ঘটনাস্থল গিয়ে বাড়িটি লকডাউন করে সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

এসময় তাঁর সাথে ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সোহেল রানা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক প্রদিপ চন্দ্র সরকার, কচুয়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হুমায়ুন আহমেদ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাহরিয়া শাহিন ও ইউপি সদস্য জহির মোল্লা।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) একি মিত্র চাকমা জানান, বিষয়টি আজ আমরা নিশ্চিত হয়ে তার বাড়িটি লকডাউন ঘোষনা করেছি।

কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের পরিবার করোনা কভিড-১৯ এআক্রান্ত হওয়ায় জনমনে উদ্ভেগ, তিনি নিজ গাড়ী ভর্তি করে মানুষ নিয়ে কচুয়ার আনাছে কানাছে ঘুরে বেরিয়েছেন, তিনি করোনায় আক্রান্ত ণা হলেও রোগটি তিনি কচূয়ায় ছড়িয়ে দিতে আসতে পারেন বলে অভিযোগ তুলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাংবাদিক, উক্ত সাংবাদিক বলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আমাদের কে মাস্ক থাকা সত্ত্বেও পথে ঘাটে কাজ করতে গেলে কথা শুনতে হয়েছে, অথচ উনার গাড়ীতে সামাজিক দূরত্ব বজায় ও মাস্ক ছাড়াই লোকজনকে ছড়তে দেখেছি, তারপর এখন উনার পরিবার করোনায় আক্রান্ত।আমরা মুলত সচেতন হওয়ার জন্যই  আবেগ দিয়ে নয় সতর্ক হয়ে সরকার ও প্রশাসনের নির্দেশ মেনে  চলতে অনুরোধ করছি, পাশাপাশি কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবনকে লকডাউনের আওতায় আনতে কচুয়া উপজেলা প্রশাসন কে অনুরোধ করছি, কারন উক্ত বাসভবনে কারনে, অকারনে, বিভিন্ন সময় অনেক লোকজনের সমাঘম হয়ে থাকে, উপজেলা চেয়ারম্যান অসুস্থ ও তার পরিবার আক্রান্ত হওয়ার পরও সেখানে তিনি অবস্থান করেছিলেন, তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়েই কচুয়া আসুক তা আমার মতো অনেকেরই আজ এ দাবী ।

বাংলাদেশে করোনার প্রাদুর্ভাব যখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ঠিক সেই মুহূর্তে কচুয়ায় এখনো কেউ আক্রান্ত হন নি বলে কচুয়া উপজেলা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর এর দায়িত্বশীল ডাক্তার গতকালকে সোশ্যাল মাধ্যমে বিশেদাগার তুলে মামলার হুমকি প্রদান করেন, অথচ তিনি নিজেই জানেন না কচুয়ায় করোনা রুগী রয়েছে, এবং উক্ত রোগী বিভিন্ন বাজারেও গিয়েছেন বলে খবর রয়েছে, এই পর্যন্ত কতজনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন তা প্রকাশ্যে সংবাদ মাধ্যমে তারা এখনো বলেন নি, অভিযোগ রয়েছে করোনা সন্দেহ হলেও অনেকেই ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে চান না,  নানা রকম জক্কিজামেলার কারনে, এই ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা গন সামাজিক এওয়ারনেস নিতে পারেন  !

গত সপ্তাহে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জরে ভুগেছেনে এই জন্য তিনি কচুয়ায় আসেন নি, আবার জর ভালো হয়েই করোনা থেকে মানুষ কে  বাচাতে চলে আসেন কচুয়ায়, জর করোনার একটি লক্ষন, কিন্তু এরি মধ্যে তার পরিবারের করোনা পজেটিভ ধরা পরেছে, এবং তিনি কচুয়ায় এসে থানা নির্বাহী অফিসার কে সাথে নিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেও ত্রাণ কাজে নিয়জিত ছিলেন বলে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। যদিও কচুয়ার সাবেক ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার হাজীগঞ্জের টি এন ও করোনায় পজিটিভ হওয়ার খবর শুনেন, যখন তিনি করোনা পজিটিভ হওয়া রোগীর বাড়ী লকডাউন করতে যান।কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী অফিসারের বাসভবন কিন্তু পাশাপাশি, যদিও কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এখনো করোনায় টেস্ট করান নি, তা এখন জনমনে উদ্ভেগের বিষয়। অন্যদিকে মুনতাসীর মামুন মাকে সেবা করে হাঁসপাতালে ভর্তি করানোর পর জানতে পারেন যে তিনিও করোনায় আক্রান্ত এবং পজিটিভ, কারন এই রোগটি কিন্তু খুবই ছোঁয়াচে আর এভাবেই একজন থেকে আরেক জনের মধ্যে ছড়ায়। মূণতাসির মামূনের মা কুর্মিটোলা হাসপাতালে বর্তমানে জীবন মরার লড়াইয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন, গত ২৩শে মার্চ সোমবার মুনতাসির মামুনের চাচা বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর ঢাকায় মারা যান এবং কচুয়ায় তাদের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

কচুয়া উপজেলায় করোনা কভিড-১৯ বেসরকারি আপডেট কচুয়া সাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রশাসনের এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দাবী করছি- আমরা সন্দেহ করছি যে কচুয়ার প্রতিটি গ্রামেই এই রোগীর লক্ষন মিলতে পারে, তাই থানা স্বাস্থ্য সদর ও প্রশাসন থেকে আরও জোড়ালো পদক্ষেপ নেয়া এখন জরুরী।

কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশিরের কচুয়ারডাক ফেসবুক পেইজ কমেন্ট হুবুহু তুলে ধরা হল তিনি বলেন “আমার জানামতে কচুয়ার মোট সাত জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে তিন জন মৃত্যু বরন করেছেন। দুজন ঢাকায় একজন দেশের বাহিরে। আর হাসপাতালে আছেন তিন জন। এর মধ্যে আমার বাবা, মুনতাসীর মামুন স্যার, ও ওনার মা। এরা সকলেই কচুয়ার সন্তান। তবে আক্রান্ত হয়েছেন কচুয়ার বাহিরে বিভিন্ন জায়গায়।
আর যারা মৃত্যু বরন করেছেন। তাদের একজনের বাড়ি আশ্রপুর ইউনিয়নে, দঃগোহটের একজন অন্য জন কড়াইয়া ইউনিয়নে” এবং উক্ত কমেন্ট সঠিক বলে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতা সমর্থন করেন।

কচুয়ার স্থানীয় অনলাইন থেকে “ফের সুস্থ হয়ে আবার মা‌হে রমজা‌নের রোজা রে‌খে কর্মহীন ও অসহায়‌দের কা‌ছে ছুঁটে বেড়াচ্ছেন মানবতার সেবক কচুয়া উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় বা‌রের নির্বা‌চিত চেয়ারম্যানর শাহজাহান শিশির ।
‌বিশ্বব্যাপী ক‌রোনা ভাইরা‌সের প্রভাব থে‌কে রক্ষা পাই‌তে কচুয়াবাসী‌কে স‌চেতনতা করার ল‌ক্ষ্যে নি‌জের গা‌ড়ি নিয়ে কচুয়া উপ‌জেলার ২৪৩ টি গ্রা‌মে গ্রা‌মে গি‌য়ে মাই‌কিং ক‌রেছেন ।
কচুয়াবাসীকে ঘ‌রে থে‌কে সুস্থ থাকার আহবান জা‌নি‌য়ে এ মানবতার সেবক উপ‌জেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শি‌শির ছু‌টে চল‌ছি‌লো উপ‌জেলার একপ্রান্ত থে‌কে আ‌রেক প্রান্ত । এসময় মানবতার সেবা কর‌তে গি‌য়ে নি‌জে জ্ব‌রে আক্রান্ত হ‌য়ে হঠাৎ অসুস্থ হ‌য়ে পড়েন।

ক‌য়েক‌দিন যাবৎ বাসায় জ্ব‌রের চি‌কিৎসা নি‌য়ে কচুয়ার জনগ‌নের দোয়ায় সুস্থ হ‌য়ে আবার ফি‌রে এস‌ে‌ছেন অসহায়দের মা‌ঝে । ফের ছু‌টে চ‌লে‌ছেন মা‌ঠে মা‌ঠ’’

কচুয়ার এক বিশিষ্ট আইনজীবী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন আমার জানামতে কচুয়ায় দুইজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান, একজন কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদকের ভাবী চাঁদপুরে, আরেক জন শ্রীরামাপুর গ্রামের চাঁদপুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুই ভদ্র মহিলা মারা যান,কাদলা গ্রামের একজন মহিলা যিনি ঢাকা ক্যন্সারের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন কিন্তু ঢাকা থেকে গ্রামে আসার সময় পথেই গাড়ীতে মারা যান। তিনি আরও বলেন কচুয়া কৃষি ব্যাংকের ম্যানেজার এবং ইউপি চেয়ারম্যান ওসমান গনিও সন্দেহমূলক করোনা ভাইরাসে মারা যেতে পারে বলে তিনি জানান যদিও তারা হাঁটের রোগী বলে জানান!

সর্বশেষ কাদলা গ্রামে সাবেক শিক্ষক মাইনুদ্দিন আবু স্যার গত ২৫ এপ্রিল প্রথম রমজানে মারা যান।

আসুন করোনায় আতংকিত না হয়ে সবাই সচেতন হই, ঘরে থাকি, সুস্থ থাকি, ভালো থাকি।

সম্পাদকীয়