কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পরবর্তী সাধারন সম্পাদক হচ্ছেন নব-নির্বাচিত মেয়র নাজমুল আলম স্বপন নির্বাচন পরবর্তী আওয়ামী ঐক্যের বিকল্প নেই!

কচুয়ারডাক বিশেষ প্রতিবেদনঃকচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পরবর্তী সাধারন সম্পাদক হচ্ছেন নব-নির্বাচিত মেয়র নাজমুল আলম স্বপন নির্বাচন পরবর্তী আওয়ামী ঐক্যের বিকল্প নেই!

কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নাজমুল আলম স্বপন নৌকা প্রতীক পেয়েছেন ১০হাজার ২শ ১৫ ভোট,নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আহসান হাবিব প্রাঞ্জল মোবাইল প্রতীক পেয়েছেন ৯শ ৯৫ ভোট, বি এন পি হুমায়ুন কবির প্রধান পেয়েছেন ধানের শীর্ষ প্রতীক ৬শ ৪৭ ভোট!বেসরকারীভাবে নৌকা প্রতীক আওয়ামী লীগ মনোনীত নাজমুল আলম স্বপন কচুয়া পৌরসভা মেয়র নির্বাচিত হলেন!

কচুয়ারডাক পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন

নির্বাচনকালীন প্রতিবেদন-কচুয়া  উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে একজন নাজমুল আলম স্বপন ও সত্য মিথ্যার বেড়াজালে আওয়ামী ঐক্যের রাজনীতি!!!

কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের স্মরণ কালের সেরা ঐক্য সংঘঠিত হয়েছে কচুয়া পৌরসভা নির্বাচন কে কেন্দ্র করে। বিগত সংসদ,উপজেলা এবং স্থানীয় বিভিন্ন নির্বাচনে নৌকার পক্ষে বিপক্ষে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের অবস্থান থাকলেও এবারই প্রথম সকল নেতৃবৃন্দ পৌরসভা নির্বাচন কে কেন্দ্র করে একটি প্লাটফর্মে এসেছেন। তারা জেলা,কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয়ভাবে নৌকা জয়ের কোন বিকল্প দেখছেন না। উপজেলা আওয়ামীলীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা দাবী করেন গত একাদশ নির্বাচনে দলের বিদ্রোহ ছিল তখন মহীউদ্দিন খান আলমগীরে সাথে মনোনয়নে গোলাম হোসেনের নাম এসেছে, তাই নেতা কর্মীরা বিভক্তিতে রূপান্তরিত হয়। গত উপজেলা নির্বাচনে শাহজাহান শিশির নৌকা পেলেও দলের একটি অংশ উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের নেতৃত্বে আনারস মার্কার পক্ষে কাজ করে দলের বিতরে বাহিরে বিতর্ক শুরু করে, ফলে দলে কোন্দল চরম আকার ধারন করে, উপজেলা চেয়ারম্যান কেও বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিয়েছিলেন, তাহলে দলের ভিতরে বাহিরে এত কোন্দল কেন, এজন্য তিনি দলের সভাপতি  সাধারন সম্পাদকের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যদিও আদালতের রায়ে তারা কোন কাজ করতে পারছেন না!
কচুয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম মাহমুদ উপজেলায় তার নিজের একটি বলয় তৈরি করতে চাচ্ছেন সে জন্য তিনি মাঠ গুচিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন, ছাত্রলীগের পর এবার যুবলীগ তার নিয়ন্ত্রনে চলে গেল বলেও অভিমত প্রদান করেন।কচুয়ার মেয়র নাজমুল আলম একদিনে তৈরি হয়নি, ফুলটাইম রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান তিনি, কোন কিছু সহজেই পেয়ে যান ন। সেই ছাত্রলীগ থেকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচন ও সর্বশেষ গত পৌরসভা নির্বাচন তাকে প্রতিদ্ধন্দীতা করেই জিতে আসতে হয়েছে, সব কিছু আজ তার নিজস্ব রাজনৈতিক কারিশমা দিয়েই অর্জন করে নিতে হয়েছে তাকে। দলের বিশ্বস্ত সুত্রে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের পরবর্তী সাধারন সম্পাদক হচ্ছেন মেয়র, রাজনীতিতে একজন নাজমুল আলম স্বপন ও সত্য মিথ্যার বেড়াজালে আওয়ামী ঐক্যের রাজনীতি,নির্বাচন পরবর্তী ঐক্য নিয়েও শংকায় রয়েছেন অনেকেই, কিন্তু দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলে হয়তো এই ঐক্য ধরে রাখা সম্ভব, কারন হিসেবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দেখছেন দলের ভিতরে ও বাহিরে রয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এবং বিরোধীদলের মধ্যেও রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা, দলমত নির্বিশেষে অনেকেই নৌকার পক্ষে ভোট ছেয়েছেন তা অনেকটা নাজমুল আলম স্বপনের কারিশমাটিক কারনেই হয়েছে, দলে ভেতরে ও বাহিরে ঐকেই তা প্রমান করে !!!
মনোনয়নের আগে তার দলীয় প্রতিপক্ষ মিডিয়াকে পৃষ্ঠপোষকতা করে যেভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে দলের ভেতরে বাহিরে এবং কেন্দ্রীয়ভাবে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করা হয়েছে তা অত্যান্ত দুঃখজনক বলেও মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতিবিদগন। বিলাসবহুল গাড়ি ব্যাবহার, জায়গা জমি দখল ইত্যাদি জাতীয় ও স্থানীয় নিউজপেপার অনলাইনে মুখরোচক নিউজ ছিল হাস্যরসের মতো। কিন্তু এসব মিথ্যা সংবাদ ও প্রোপাগান্ডার জন্য দলীয় আভ্যন্তরীণ কোন্দলকেই দায়ী করেছেন অনেকেই, যাহা পরবর্তীতে মিথ্যায় পরিণত হয়।
কচুয়া উপজেলা পৌরসভা জনমত জরীপ ও স্থানীয় সাংসদের স্নেহ-ভাজন হিসেবে ত্যাগী ও তরুণ ছাত্র ও যুবনেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-৪১ বাস্তবায়নের অগ্র সৈনিক, ডিজিটাল বাংলার রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয়ের আশীর্বাদপুষ্ট একনিষ্ঠ কর্মী, কচুয়ার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা ও সাংসদ ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর এবং আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয়  তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদের আস্থা অনুপ্রেরণা নিয়েই কাজ করতে চান মেয়র নাজমুল আলম স্বপন, এবং সেই লক্ষ্যেই একের পর এক এগিয়ে যাচ্ছেন !
কচুয়া উপজেলায় দুঃসময়ে আওয়ামীলীগকে উপজেলায় আগলে রাখা ও ছাত্রলীগ,যুবলীগ কৃষকলীগ এবং আওয়ামীলীগ কে প্রতিষ্ঠা করতে কচুয়ায় উক্ত পরিবারের রয়েছে বিশেষ অবদান,কচুয়া উপজেলার করইশ গ্রামের জন্ম নেয়া কচুয়া উপজেলা কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শুকুমিয়া বাংলাদেশ স্আবাধীন হওয়ার পর হইতে আওয়ামীলীগের মেম্বার ও কমিশনার হয়েছেন বহুবার, তারই ধারাবাহিকতায় উত্তরসুরী হিসেবে তার সুযোগ্য সন্তান নাজমুল আলম স্বপন দীর্ঘদিন থেকে উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ কে সু-দক্ষভাবে পরিচালনা করে আসছেন।
কচুয়া উপজেলা রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জনাব নাজমুল আলম স্বপনের বিকল্প শক্তিশালী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগে নেই, দুঃসময়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য এই পরিবারের রয়েছে বিশেষ অবদান,বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে দলের বহুলোকজন বিএনপি-জামাত ও জাতীয় পাটিতে গিয়ে বিশেষ সুবিধা নিয়ে আওয়ামীলীগের সু-সময়ে ফিরে এসেছেন। কিন্তু অনেক  ঝড়ঝাপটা সহ্য করেও মরহুম শুকুমিয়া কমিশনাররা কখনও দল পরিবর্তন করেন নি, কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগকে আকড়িয়ে ধরে এভাবেই প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আওয়ামীলীগ আভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নৌকা জেতাতে উপজেলা আওয়ামীলীগকে ঢেলে সাজাতে নাজমুল আলম স্বপন ব্যাতীত অন্য কেউ দলের নৌকা মনোনয়ন পেলে অতীতের মতো শতভাগ নৌকা পরাজিত ও ভরাডুবি হতে পারত বলে নিঃসন্দেহে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন, যেমনটি ২০১১ সালে পৌরসভা নির্বাচনে পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আহসান হাবিব দলের পক্ষে প্রার্থী হয়ে বি এন পি মেয়র প্রার্থী হুমায়ন কবীর প্রধানের কাছে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত হয়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হন। কচুয়া পৌরসভায় বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গ্রামের ইজম রয়েছে,সেক্ষেত্রে মেয়র হিসেবে নৌকার কান্ডারী নাজমুল আলম স্বপনের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা,সাধারন মানুষ মনে করছে তিনি গতবারের মতো বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবেন !
তারা আরোও মনে করছেন জনাব নাজমুল আলম স্বপনকে দিয়েই কচুয়ায় হারানো নৌকা উদ্ধার করেছেন। স্থানীয় সাংসদ আশা করছেন, ড.সেলিম মাহমুদ কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে উপজেলায় নবাগত হলেও স্থানীয় সাংসদের সিদ্ধান্ত কিংবা নাজমুল আলম স্বপনের বাহিরে তিনি মত দেন নি।
কচুয়ার ডাক জরিপ অনুযায়ী কচুয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ হলেন- মেয়র নাজমুল আলম স্বপন। সাধারণ নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নাজমুল আলম স্বপন যদি পুনঃরায় মেয়র নির্বাচিত হন তাহলে কচুয়া আওয়ামীলীগের অনেক নেতা অন্ধকার বাণিজ্য কিংবা অসৎ উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব হবে না। তাই তারা মেয়র নাজমুল আলম স্বপন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপ-প্রচারে লিপ্ত যা সাধারণ জনগণ মেনে নিবে না। যুবলীগের একজন সাধারণ কর্মী বলেন, নির্বাচন আসলে দেখা যায় অনেক নেতাই মেয়র কিংবা চেয়ারম্যান হতে চায় অথচ দলের প্রয়োজনে অথবা কর্মীদের প্রয়োজনে এ সকল সুবিধাবাদী নেতাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। মেয়র স্বপন ভাই আমাদের আশ্রয়স্থল। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কোন প্রয়োজনে কখনো তার কাছ থেকে কেউ ফেরত যায় না। আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, মেয়র স্বপন এর মত আরেকটি স্বপন যদি কচুয়ায় থাকতো তাহলে কচুয়া আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রূপান্তরিত হত।
কচুয়ারডাক জরিপ মননয়নে সত্যি প্রমানিত হলো,অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান হয়ে কচুয়ার রাজনীতিতে আরো একটি ইতিহাস রচিত হওয়ার অপেক্ষায় পৌরবাসী, মেয়র নাজমুল আলমের পক্ষে ভোট চাইলেন কেন্দ্রীয় সেলিম মাহমুদ, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি নুর উর রহমান তানিম, চাদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক মহিবউল্লাহ মাহী, কেন্দ্রীয় ও জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ।
কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের স্মরণ কালের সেরা ঐক্য সংঘঠিত হয়েছে কচুয়া পৌরসভা নির্বাচন কে কেন্দ্র করে, এইভাবে দলীয় ঐক্য ধরে রাখার বিকল্প নেই, আর যদি নির্বাচনের পরে এই ঐক্য ধরে রাখা না যায় তাহলে সবিই মিথ্যায় পরিণত হবে এবং কচুয়া উপজেলার জনগণ এসব মিথ্যা আশ্বাস থেকে হয়তো মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।

কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নাজমুল আলম স্বপন নৌকা প্রতীক পেয়েছেন ১০হাজার ২শ ১৫ ভোট,নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আহসান হাবিব প্রাঞ্জল মোবাইল প্রতীক পেয়েছেন ৯শ ৯৫ ভোট, বি এন পি হুমায়ুন কবির প্রধান পেয়েছেন ধানের শীর্ষ প্রতীক ৬শ ৪৭ ভোট!
বেসরকারীভাবে নৌকা প্রতীক আওয়ামী লীগ মনোনীত নাজমুল আলম স্বপন কচুয়া পৌরসভা মেয়র নির্বাচিত হলেন!

কচুয়ারডাক পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন