কচুয়ার তমাল হোসেন একজন নিরাপরাধ ও নির্দোষ সেলিম এই আইনকে উপজেলার জনগণের বিরুদ্ধে অস্র হিসেবেই ব্যবহার করছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন চান এমপি ও বিশিষ্টজনেরা !

 কচুয়ার তমাল হোসেন একজন নিরাপরাধ ও নির্দোষ সেলিম এই আইনকে উপজেলার জনগণের বিরুদ্ধে অস্র হিসেবেই ব্যবহার করছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন চান এমপি ও বিশিষ্টজনেরা !

মাননীয় প্রধান বিচারপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদানে উপজেলার জনগণ ফুলে পেঁপে উঠেছে উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে নির-অপরাধ তমাল কেউই বাদ যায়নি, একই চক্র মুলত রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যেই একের পর এক এই ভূয়া মামলা !

বিশেষ প্রতিবেদনঃ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত সাইবার ট্রাইবুন্যাল মিথ্যা বানোয়াট ভূয়া মামলা আমলে নিয়ে রাস্ট্রের বিরুদ্ধে গিয়ে ব্যাক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ায় বিচারক আস-সামছ জগলুল হোসেন কে প্রত্যাহার ও বিচারিক ক্ষমতা থেকে সড়িয়ে নিতে মাননীয় প্রধান বিচারপতি ও মহামান্য রাস্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদানে উপজেলার জনগণ ফুলে পেঁপে উঠেছে। সম্প্রতি বিশেষ ব্যাক্তিদের পক্ষে কাজ করার অভিযোগ সহ একজন নিরাপরাধ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা না থাকার পরও কিছু উচ্চাবিলাসী পি বি আই সদস্য ঢাকা থেকে কচুয়ায় এসে যেভাবে একজন ভালো মানুষ কে তুলে নিয়ে গেলেন, তা নজিরবিহীন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা থানা কর্মকর্তা, ডিবি ডিসি জেলা প্রশাসনের কোন অনুমতি না নিয়ে দেশে এসব পালিত পি বি আই কর্মকর্তা কাদের কে খুশি করতে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করেন তা অত্যান্ত রহস্যজনক, সংশ্লিষ্ট পিবি আই কর্মকর্তাদের কে আইনের আওতায় এনে বিষয়টি এই বাহীনীর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে র্যা বের মতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চাইবে কচুয়া উপজেলার জনগণ ।

বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮: চড়া মূল্য দিচ্ছে কারা?’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে আইনটি সংশোধনের এ দাবি করা হয়। আবার সাইবার জগৎকে নিরাপদ করতে আইনটিই বাদ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন কেউ কেউ।

 ওয়েবিনারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, কিছু অতিউৎসাহী লোক মামলা করেন। যেমন মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলা করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে বলা হয়েছে, একটি অপরাধকে ঘিরে একাধিক বিচার করারই সুযোগ নেই; একাধিক মামলা করা তো দূরের কথা।একাধিক মামলা থেকে কীভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে, তা দেখতে হবে বলে জানান মন্ত্রী।

ওয়েবিনার সঞ্চালনা করেন সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ডিজিটাল আইনে করা মোট ৮৩৫টি মামলার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে সিজিএস। এসব মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২২ জন এবং তাঁদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৭০৭ জন। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যায় রয়েছেন রাজনীতিবিদেরা, এরপর সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রধানমন্ত্রীর মানহানির অভিযোগে এই সময়ে ৯৫টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে দলীয় সমর্থকেরা করেছেন ৮২টি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী করেছে ১৩টি। মন্ত্রীদের মানহানির জন্য ৫০টি মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে মাত্র চারটি করেছেন ভুক্তভোগীরা, বাকিগুলো করেছেন দলীয় সমর্থকেরা।

ডিজিটাল আইনের প্রয়োজন আছে, কিন্তু আইনটির কিছু ধারা সংশোধন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি। তিনি বলেন, আইনের মধ্যে অনেক রকম ফাঁক আছে। এই ফাঁকফোঁকর দিয়ে যেন জনগণের মানবাধিকার লঙ্ঘিত না হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়া খুব ব্যয়বহুল ব্যাপার। সব ধরনের মানুষের উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এ কারণে আইনটি সংশোধনের প্রস্তাব দেন তিনি।

ডিজিটাল আইন সংশোধন নয়, বাতিল চান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন ২০০৬-এর মধ্যেই হ্যাকিংসহ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা যায় এমন অপরাধের বিষয়ে আইন ছিল। সেখানে যদি না-ও থেকে থাকে, তাহলে সেটিকে যুগোপযোগী করে এই প্রতিরোধ ব্যবস্থাগুলো তৈরি করা যেতে পারে।

সরকারি দল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক। তিনি বলেন, আইনে অস্পষ্টতা রাখায় ভিন্নমত ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মী, অধিকারকর্মী, সাংবাদিকেরা বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আইনের যে ধারাগুলো নিয়ে আপত্তি, সবার সঙ্গে আলোচনা করে তা সংশোধন করা উচিত।

আর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির বার্তাপ্রধান জহিরুল আলম বলেন, এই আইনে সাংবাদিকেরা চড়া মূল্য দিচ্ছেন। সাংবাদিকেরা নিজেরাই বুঝতে পারেন না, কোন কথা বলার কারণে তাঁরা এই আইনের আওতায় অপরাধী হচ্ছেন।

উল্লেখ্য আওয়ামীলীগের বিতর্কিত নেতা সেলিম আদলতে গিয়েই তমাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন, কচুয়ার তমাল হোসেন একজন নিরাপরাধ ও নির্দোষ সেলিম এই আইনকে উপজেলার জনগণের বিরুদ্ধে অস্র হিসেবেই ব্যবহার করছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন চান এমপি ও বিশিষ্টজনেরা !