কচুয়ায় থানায় অভিযোগের জের ধরে বাড়ি-ঘরে হামলা, ক্ষতি প্রায় ৮ লক্ষ

ছবিঃ কচুয়া থানায় অভিযোগ করার জের ধরে বাড়ি-ঘরে হামলা।

কচুয়ার ডাকঃ
কচুয়া থানায় অভিযোগ করার জের ধরে প্রতিপক্ষরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাংচুর স্বর্ণ-অলঙ্কার লুট সহ প্রায় ৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১২ মে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার তেতৈয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে বিলকিছ আক্তার বাদী হয়ে ১৪ মে বৃহস্পতিবার কচুয়া থানায় আরো একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগে উল্লেখ আছে, মৃত আঃ রবের জীবদ্দশায় দুইটি স্ত্রী ছিল। প্রথম স্ত্রী রেজিয়া বেগম মৃত্যুবরণ করায় বিলকিছ আক্তারকে বিবাহ করেন। প্রথম স্ত্রী রেজিয়া বেগমের সন্তান গিয়াস ও জাহাঙ্গীর। আর দ্বিতীয় স্ত্রী বিলকিছ আক্তারে সন্তান মিশু মোক্তা। আঃ রব মৃত্যুবরণ করার পর সম্পত্তির বেশির ভাগ অংশ গিয়াস, জাহাঙ্গীর ও ফয়সাল ভোগ দখল করে রাখে। মিশু আক্তারকে তার জেঠাতো ভাই বাবুলের সাথে বিবাহ হওয়ার পর তারা ঢাকার গুলশানে বসবাস করে। সে সুযোগে প্রতিপক্ষরা প্রতিনিয়ত ভিটে বাড়ি ছাড়ার জন্য বিলকিছ আক্তারকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে আসছে।
জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারী জায়গা-সম্পত্তির ভাগ নিয়ে কচুয়া থানায় বিলকিছ আক্তারের মেয়ে মিশু মোক্তা বাদী হয়ে তার সৎ ভাই গিয়াস উদ্দিন, জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তারপর থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ বেড়ে চলছে। সে অভিযোগের জের ধরে গিয়াস উদ্দিন, জাহাঙ্গীর পিতা- মৃত আঃ রব, ফয়সাল, পিতা- জাহাঙ্গীর, হালিম মেম্বার- পিতা মৃত আঃ জলিল বেপারী সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন সন্ত্রাসীরা গত ১২ মে রাতে বিলকিছ আক্তারের ঘরে অনধিকার ভাবে প্রবেশ করে ঘর ভাংচুর করে ঘরে থাকা ১২ ভরি স্বর্ণ যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র যার আনুমানিক মূল্য ৩ লক্ষ টাকা, একটি ফ্রিজ, স্টীলের আলমারী ভাংচুর করে।