কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রামের অবঃসামরিক অফিসার ফজলুল হকের বড় মেয়ে করোনায় আক্রান্ত দোয়া প্রার্থনা!

কচুয়ারডাক নিউজ ডেস্কঃ কচুয়া উপজেলা কাদলা গ্রামের অবঃসামরিক অফিসার ফজলুল হকের বড় মেয়ে করোনায়(পজিটিভ)আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সাভার সি এম এইচ হাঁসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন,উপজেলা এবং দেশবাসীর কাছে দোয়ার দরখাস্ত!

কচুয়াডাক প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ গাজী সোলায়মান নিশ্চিত করেছেন উক্ত বিষয়টি কচুয়ারডাক প্রতিবেদক কে।তিনি নিশ্চিত করে বলেন, ফজলুল হক গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৮.০০টায় এবং লন্ডন সময় আনুমানিক ৩ ঘটিকায় লন্ডনে কচুয়ারডাক সম্পাদক এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটোর বাসার নাম্বারে দেশ থেকে ফজলুল হক নিজ মোবাইল থেকে ফোন করলে কচুয়ারডাক প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ গাজী সোলায়মান ওপার থেকে ফোন রিসিভ করেন প্রথমে তারা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, এবং ফজলুল হক কচুয়ারডাক সম্পাদক সহ তার পরিবারের সকল সদস্যদের খোঁজ খবর নেন।

অতঃপর ফজলুল হক কচুয়ারডাক উপদেষ্টা কে দেশে আসার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, করোণা পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে দেশে যাওয়া সম্ভব নয় বলে জাণাণ, তারা গ্রামের বিভিন্ন লোক করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাবার বিষয়ে কথা বলেন, কচুয়ারডাক উপদেষ্টা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

লণ্ডনের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় কথোপকোথন হয়, এবং ফজলুল হক তার বড় মেয়ে করোনা পজিটিভ এবং সাভারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন,এখন জ্বর নেই এবং আগের চেয়ে সুস্থ হচ্ছেন বলে দোয়ার জন্য দরখাস্ত করেন! সুবিধা সময়ে দেশে ফোন করার জন্য অনুরোধ করে ফজলুল হক এবং কচুয়ারডাক উপদেষ্টা কথোপোকথন শেষ করেন।  

কাদলা গ্রামের উদীয়মান সমাজ সেবক ও কচুয়া উপজেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি আবদুল হাই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক গ্রুপে “কর্নেল ফজলু কাকার মেয়ে মেজর মুনিয়া করোণায় আক্রান্ত হয়ে সামরিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন সবাই দোয়া করবেন বলে জানান”

উল্লেখ্য কচুয়ারডাক প্রধান উপদেষ্টা অবঃ বি আর ডি বি প্রজেক্ট কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গাজী সোলায়মান এবং অবঃসামরিক বাহিনীর অফিসার ফজলুল হক বাল্যকালের বন্ধু এবং একই সাথে লেখাপড়া ছাত্ররাজনীতি,মরহুম এডভোকেট আবদুল আউয়াল এম পির ঘনিষ্ঠ সহচর, মহান মুক্তিযুদ্ধ অংশ গ্রহণ,দেশ স্বাধীন হলে একই সাথে বেঙ্গল রেজিমেন্টে সামরিক বাহীনির চাকুরিতে জয়েন করলেও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ গাজী সোলায়মান সামরিক বাহিনিতে তৎকালীন বেতন কম হওয়ায় পরিবারের কথা বিবেচনা করে কচুয়া বি আর ডি বি কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরিতে যোগদান করেন,গ্রামে তারা একে অপরের পাড়া প্রতিবেশীও বটে এবং ব্যাক্তিগত, সামাজিক উন্নয়ন, ছাত্ররাজনীতি নিয়ে রয়েছে তাদের অনেক স্মৃতি !

কচুয়ারডাক প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আলহাজ্জ গাজী সোলায়মান কচুয়ারডাক উপদেষ্টা কমিটিতে অবঃসামরিক বাহিনীর অফিসার ফজলুল হকের নাম প্রস্তাব করলে-সম্পাদকীয় বোর্ডের আপত্তির কারনে এবং  জনগন থেকে দূরে থাকায় উপদেষ্টা কমিটিতে তাকে তখন নিয়োগ প্রদান করা হয় নি, নিয়োগপত্র না থাকা সত্ত্বেও শুধু প্রস্তাবের ভিত্তিতে তার নামে তাকে না জানিয়ে তার সাক্ষরিত কচুয়ারডাক প্রধান উপদেষ্টা বরাবর তার ছোট ভাই মজিবর চিঠি লিখে নিজেকে উক্ত উপদেষ্টা পদে অপারগতা প্রকাশ করার কথা জানালেও পরবর্তীতে তার কোন সত্যতা পাওয়া যায় নি।