কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংঘঠনে শিবিরের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার মাঠে নামলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ,মিছিলে মিছিলে মুখরিত উপজেলা সদর,পৌর দলীয় সভায় শাহীন বহিস্কার, ক্ষমা না চেয়ে গ্রেফতার আতঙ্কে নিজের অবস্থানে অনড় রেকর্ড প্রকাশের হুমকি !

বিশেষ প্রতিবেদনঃ কচুয়ার উন্নয়নের রুপকার সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য চাঁদপুর -১ এর মাননীয় সংসদ কচুয়ার আপামর জনতার নয়নমণি, জনতার মঞ্চের মহানায়ক জননন্দিত জননেতা জনাব ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর (এমপি) মহোদয় কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কু রুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং স্ট্যাটাস দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগে শিবিরের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার মাঠে নামলেন সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি আহসান হাবিব প্রাঞ্জল,কাউন্সিলর কামাল হোসেন অন্তর, সদ্য সাবেক সভাপতি বাদলসহ অন্যান্যরা,মিছিলে মিছিলে মুখরিত কচুয়া উপজেলা সদর-এম এস ইমরান খান

কচুয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সেই সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আজীজ@শিবির শাহীন অত:পর জরুরী দলীয়সভায় সদসস্যদের অনাস্থা ও গঠনতন্ত্র মোতাবেক বহিস্কার হলেন !
কচুয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগ কমিটির প্রতিবাদ সভা/প্রতিবাদ সভায়, সভাপতির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আজিজ শাহীন কে,বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো,এটা কচুয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত,এখন উপজেলা এবং জেলা আওয়ামী লীগ কি করে সেটাই দেখার বিষয়। তবে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি শুধুই ডঃ মহীউদ্দীন খান সাহেব কে অপমান করেছে তা না, আওয়ামী লীগের সকল নেতা, কর্মি, কে ও অপমান করেছে। আমরা মনে করি ডঃমহীউদ্দীন খান আলমগীর সাহেব কচুয়ার গর্ব, মাটি ও মানুষের নেতা ,সারা জীবন থাকবে না,আমরাও সারা জীবন বেছে থাকবো না একটা সময় সবাই আল্লাহর ডাকে সারা দিতে হবে, যারা নতুন করে আসবেন তারা ও থাকবে না। তার মানে এই নয় নিজের সার্থের জন্য যাকে খুশি তাকেই অপমান করবে? ডঃ মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাহেব কচুয়ার জন্য নিঃসার্থে কাজ করেছেন,ওনার মতো মানুষ কচুয়াতে না আসলে, উন্নয়ন কি এটাই বুঝতো না৷
যাই হউক ০৯/১২/২০২০ ইং হইতে আর কচুয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রহিলো না।
(নজরুল ইসলাম কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামীলীগ )

 

কচুয়া উপজেলার সাবেক ছাত্র ও যুব নেতা ৮নং কাদলা ইউনিয়ন পরিষদের দুই দুই বারের সফল চেয়ারম্যান, জনাব রফিকুল ইসলাম লালুর নেতৃত্বে কচুয়ার উন্নয়নের রুপকার জনতার মঞ্চের মহানায়ক কচুয়ার মাটি ও মানুষের নেতা জননেতা ড.মহীউদ্দীন খাঁন আলমগীর কে নিয়ে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ..??

ইকবাল আজিজ শাহীন @ শিবির শাহীন উপজেলায় অবাঞ্চিত!
“দল পরিবর্তন করে মুজিব কোট পরলে মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না, শিবিরের লোক কখনো আওয়ামী লীগের লোক হতে পারে না, পারবে ও না,আর যারা টাকার বিনিময়ে তাদেরকে নেতা বানিয়েছেন তারা ও সাবধান হয়ে জান,কচুয়া আওয়ামী লীগ থেকে অনুপ্রবেশ কারীদের হটিয়ে, আওয়ামী লীগ কে বাঁচান, শুধু শিবির শাহিন কেন এইরকম আরো অনেক আছেন যারা টাকার বিনিময়ে নেতা হয়ে ঘাপটি মেরে বসে আছে, তাদের দ্রুত তম সময়ে বহিষ্কার কর করতে হবে..?
(নুরে আলম রিহাত)

 

সাংসদকে নিয়ে নেতিবাচক ও কটুক্তির প্রতিবাদ গ্রামে গ্রামে ইউনিয়ন উপজেলায় বিভিন্ন ব্যাক্তি এবং আওয়ামী সংঘঠন বিক্ষোভ মিছিল ও সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুললেও নি:শ্চুপই রয়ে গেল কচুয়া উপজেলা কথিত ছাত্রলীগ আহব্বায়ক কমিটি!

শাহীন তার ফেসবুকে ক্ষমা না চেয়ে অবস্থানে অনড় থেকে রেকর্ড প্রকাশের হুমকি-  প্রিয় কচুয়া বাসী ভাই ও বোনেরা বিশেষ করে আমার প্রিয় কচুয়া পৌর বাসী আমার মনে হয় আপনাদের সকলের শোনা উচিৎ মাননীয় সংসদ সদস্য চাঁদপুর ০১ কচুয়া। সে দিন কি কথপোকথন হয়েছে ! আজ কিসের বিরুদ্ধে এই মিছিল মিটিং ? আমি তো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লিখছি ! আজ আমার মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে যখন প্রশ্ন করছেন মাননীয় সংসদ ! আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি এই সব নোংরামী বন্ধ না হয় তাহলে আমি কথপোকথনের রেকর্ড সকলের উদ্দেশ্যে নিবেদন করবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন নিরাপদে থাকবেন। আল্লাহ সত্যের জয় অবশ্যই দিবেন ইনশাআল্লাহ। আজ আমার বিরুদ্ধে শুধু কচুয়া থানায় নয়, ঢাকা মতিঝিল থানা, ঢাকা রামপুরা থানায় মামলা করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন ।

গত ৮ই ডিসেম্বরে ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর মুনাফেক, আপনি মারা গেলে আপনার জায়নামাজে লোক পাবেন কি না- ইকবাল আজিজ শাহীন কথিত সম্পাদক কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগ

সেলিম মাহমুদের নতুন অনুসারী কচুয়ার বহুল আলোচিত সমালোচিত ইকবাল আজীজ শাহীন @শিবির শাহীন এ কি বললেন এ ধরনের কথা বলার সাহসই বা পান কোথা থেকে হুবুহু তুলে ধরা হলো
“আমার পাওনা পেয়ে গেছি মাননীয় সংসদ সদস্য চাঁদপুর ০১ কচুয়া, চির কৃতজ্ঞ থাকবো চিরকাল”
মাননীয় সংসদ সদস্য চাঁদপুর ০১ কচুয়া গতকাল রাত ০৯ টা থেকে ০৯ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড কথপোকথনের আলোকে আপনি যা শুনিয়েছেন সত্যিই আপনার তুলনা শুধু আপনি নিজে ! আপনি জোর জবরদস্তি করে যেভাবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদ স্যারের লোক বানাচ্ছেন আমার মনে হয় না আপনি মারা গেলে আপনার জায়নামাজে লোক পাবেন কি না ! (যদি ও বলা যায় না কে আগে, কে পরে মারা যাই) তবে আপনি যে এখন আর ক্ষতি ছাড়া কিছু করতে পারবেন না এটাই বুঝিয়ে দিলেন ! আপনি ২০১৫ সালে যে কথা দিয়েছেন তা না রেখে মুনাফেক হিসেবে পরিগনিত হবেন তা-ই বুঝিয়ে দিলেন !
আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে যখন সাবেক এনবিআরের চেয়ারম্যান জনাব গোলাম হোসেন সাহেব কচুয়ায় আওয়ামীলীগের রাজনীতি শুরু করেছে, আপনি সে দিন ও অনেক কমলমতি নেতাকর্মীদের কে নিয়ে খেলেছেন আর ঐ সকল নেতাকর্মী সমর্থকদের কে পায়ে দোলে আপনি কপির আড্ডায় বসে যাওয়ার আগে একবার ও ভাবেননি !!! ভেবেছেন শুধু নিজের কথা ! শুধু তাই নয় ২০০১ বিএনপি জোটের তান্ডবে যে মন্ত্রীর কারণে বহু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সমর্থকদের কে মামলা হামলার স্বীকার হয়ে জেল জুলুম সয়ে বছরের পর বছর যাযাবর হয়ে দিনাতিপাত করেছে
সেই বিএনপির মন্ত্রী জনাব আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাইয়ের আড্ডায় বসতে বা পুলিশ প্রটোকলে নিজ দায়িত্বে কচুয়ায় নিয়ে যাওয়ার আগে একবার ও ভাবেননি, যে বা যাঁরা বিএনপি এই নেতার বিরুদ্ধে মামলার বাদী হলো তাদের কি হবে !! তবুও বলবো আপনি অনেক ভালো থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন, সুস্থ থাকবেন ! কারণ আপনার সুস্থার উপর, আপনার উন্নয়ন কর্ম কান্ডের উপর কচুয়ার মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে, আপনার উন্নয়ন কর্মের সাথে নিজেকে গত দুই যুগের ও বেশি সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পেরেছি, বলে আজ নিজে ধন্য ! আপনার মতো নেতা হয়তো এক জীবনে আর পাবো না। তারপর ও আপনার দীর্ঘ জীবন কামনা করছি নেতা । ভালো থাকবেন। আল্লাহ আপনার সু-মতি দিক কৃষ্ণময় আর জোছনা বোঝার, শিক্ষার তো শেষ নেই, যেমন শেষ নেই জানার।