কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী নাজমুল আলম স্বপন,অভিন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা ড.সেলিম মাহমুদ!

কচুয়ারডাক বিশেষ প্রতিবেদনঃ কচুয়ারডাক জরিপ সত্যি প্রমানিত হলো,অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান হয়ে ব্যাক্তি সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিত কচুয়ার রাজনীতিতে আরো একটি ইতিহাস রচিত হলো আজ, আজ মনোনয়ন বোর্ড সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কচুয়ার পৌরপিতা হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বর্তমান মেয়র নাজমুল আলম স্বপন ও ফরিদগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারির নাম চুরান্তভাবে প্রস্তাব করেন, মেয়র নাজমুল আলম স্বপন কে অভিনন্দন জানান সেলিম মাহমুদ, কেউ কথা রাখে নি, কথা রাখলেন সেলিম মাহমুদ! জয়বাংলা!!
কচুয়ারডাকের প্রতিবেদন ছিল……। কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে আসন্ন পৌরসভা মেয়র মনোনয়ন সিদ্ধান্ত ভুল হলে নৌকা পরাজিত ও ভরাডুবির জন্য দায় নিতে হবে স্থানীয় সাংসদ এবং আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় নেতা ড.সেলিম মাহমুদকেই,এমনটাই দাবী করছেন আওয়ামী কর্মী ও সমর্থকগন! ভাবুন পড়ুন মতামত দিন
সুযোগ্য সন্তান নাজমুল আলম স্বপন মরহুম শুকুমিয়ার সাথে ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পি
কচুয়া উপজেলা পৌরসভা জনমত জরীপ ও স্থানীয় সাংসদের স্নেহ-ভাজন হিসেবে ত্যাগী ও তরুণ ছাত্র ও যুবনেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-৪১ বাস্তবায়নের অগ্র সৈনিক, ডিজিটাল বাংলার রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয়ের আশীর্বাদপুষ্ট একনিষ্ঠ কর্মী, কচুয়ার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয়  তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদের আস্থা অনুপ্রেরণা নিয়েই কাজ করতে চান মেয়র নাজমুল আলম স্বপন!
কচুয়া উপজেলায় দুঃসময়ে আওয়ামীলীগকে উপজেলায় আগলে রাখা ও ছাত্রলীগ,যুবলীগ কৃষকলীগ এবং আওয়ামীলীগ কে প্রতিষ্ঠা করতে কচুয়ায় উক্ত পরিবারের রয়েছে বিশেষ অবদান,কচুয়া উপজেলার করইশ গ্রামের জন্ম নেয়া কচুয়া উপজেলা কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শুকুমিয়া বাংলাদেশ স্আবাধীন হওয়ার পর হইতে আওয়ামীলীগের মেম্বার ও কমিশনার হয়েছেন বহুবার, তারই ধারাবাহিকতায় উত্তরসুরী হিসেবে তার সুযোগ্য সন্তান নাজমুল আলম স্বপন দীর্ঘদিন থেকে উপজেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ কে সু-দক্ষভাবে পরিচালনা করে আসছেন।
কচুয়া উপজেলা রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জনাব নাজমুল আলম স্বপনের বিকল্প শক্তিশালী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগে নেই, দুঃসময়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য এই পরিবারের রয়েছে বিশেষ অবদান,বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে দলের বহুলোকজন বিএনপি-জামাত ও জাতীয় পাটিতে গিয়ে বিশেষ সুবিধা নিয়ে আওয়ামীলীগের সু-সময়ে ফিরে এসেছেন। কিন্তু অনেক  ঝড়ঝাপটা সহ্য করেও মরহুম শুকুমিয়া কমিশনাররা কখনও দল পরিবর্তন করেন নি, কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগকে আকড়িয়ে ধরে এভাবেই প্রতিষ্ঠা করেছেন।
আওয়ামীলীগ আভ্যন্তরীণ কোন্দল ও নৌকা জেতাতে উপজেলা আওয়ামীলীগকে ঢেলে সাজাতে নাজমুল আলম স্বপন ব্যাতীত অন্য কেউ দলের নৌকা মনোনয়ন পেলে অতীতের মতো শতভাগ নৌকা পরাজিত ও ভরাডুবি হতে পারে বলে নিঃসন্দেহে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন, যেমনটি ২০১১ সালে পৌরসভা নির্বাচনে পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আহসান হাবিব দলের পক্ষে প্রার্থী হয়ে বি এন পি মেয়র প্রার্থী হুমায়ন কবীর প্রধানের কাছে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত হয়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হন। কচুয়া পৌরসভায় বিভিন্ন ওয়ার্ড ও গ্রামের ইজম রয়েছে,সেক্ষেত্রে মেয়র হিসেবে নৌকার কান্ডারী নাজমুল আলম স্বপনের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা,সাধারন মানুষ মনে করছে তিনি গতবারের মতো বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবেন !
তারা আরোও মনে করছেন জনাব নাজমুল আলম স্বপনকে দিয়েই কচুয়ায় হারানো নৌকা উদ্ধার করেছেন। স্থানীয় সাংসদ আশা করছেন, ড.সেলিম মাহমুদ কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে উপজেলায় নবাগত হলেও স্থানীয় সাংসদের সিদ্ধান্ত কিংবা নাজমুল আলম স্বপনের বাহিরে তিনি মত দিবেন না। অন্যথায় নৌকা বিলীন হয়ে ভরাডুবি হতে পারে, আর এই দায় নিতে হবে সাংসদ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের, কারন স্থানীয় ও কচুয়ার সন্তান হিসেবে কেন্দ্রীয়ভাবে তাদের দলে প্রভাব রয়েছে।
গত ২রা আগস্ট সেলিম মাহমুদের সাথে নাজমুল আলম স্বপন
কচুয়ার ডাক জরিপ অনুযায়ী কচুয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় কর্মীবান্ধব রাজনীতিবিদ হলেন- মেয়র নাজমুল আলম স্বপন। সাধারণ নেতাকর্মীরা মনে করছেন, নাজমুল আলম স্বপন যদি পুনঃরায় মেয়র নির্বাচিত হন তাহলে কচুয়া আওয়ামীলীগের অনেক নেতা অন্ধকার বাণিজ্য কিংবা অসৎ উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব হবে না। তাই তারা মেয়র নাজমুল আলম স্বপন এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপ-প্রচারে লিপ্ত যা সাধারণ জনগণ মেনে নিবে না। যুবলীগের একজন সাধারণ কর্মী বলেন, নির্বাচন আসলে দেখা যায় অনেক নেতাই মেয়র কিংবা চেয়ারম্যান হতে চায় অথচ দলের প্রয়োজনে অথবা কর্মীদের প্রয়োজনে এ সকল সুবিধাবাদী নেতাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। মেয়র স্বপন ভাই আমাদের আশ্রয়স্থল। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, কোন প্রয়োজনে কখনো তার কাছ থেকে কেউ ফেরত যায় না। আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, মেয়র স্বপন এর মত আরেকটি স্বপন যদি কচুয়ায় থাকতো তাহলে কচুয়া আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রূপান্তরিত হত। জয়বাংলা
কচুয়ারডাক জরিপ সত্যি প্রমানিত হলো,অবশেষে সব জল্পনা কল্পনার অবসান হয়ে কচুয়ার রাজনীতিতে আরো একটি ইতিহাস রচিত হলো আজ, মেয়র নাজমুল আলম স্বপন কে অভিনন্দন জানালেন সেলিম মাহমুদ, কেউ কথা রাখেন নি, কথা রাখলেন সেলিম মাহমুদ!
(জাহেদ)