কচুয়া উপজেলা ৫ই জানুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার জয় ৫, বিদ্রোহী ৭ প্রার্থী বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষনা, বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এত সুন্দর ভোট আগে উপজেলাবাসী দেখেনি, প্রশাসন ও সরকার চাইলে সব সম্ভব তা প্রমানিত !

কচুয়া উপজেলা ৫ই জানুয়ারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার জয় ৫, বিদ্রোহী ৭ প্রার্থী বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত ঘোষনা, আঃলীগে কেন্দ্রীয় দুই নেতা ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর ও ড.সেলিম মাহমুদের নিজ নিজ কেন্দ্র ও ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি !
দেশে পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত কচুয়া উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক ৫ ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র ৭ প্রার্থী বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বুধবার (৫ জানুয়ারি) ১২টি ইউপির বিজয়ীরা হলেন,সাচার ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (ঘোড়া) প্রতীকে মনির হোসেন, পাথৈর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রতীকে (আনারস) আলী আক্কাস, বিতারা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (ঘোড়া) প্রতীকে ইসহাক সিকদার, ড.সেলিম মাহমুদের নিজ কেন্দ্র ও ইউনিয়নে পালাখাল মডেল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (ঘোড়া) প্রতীকে হাবিব মজুমদার জয়, পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীকে আলমগীর হোসেন, উত্তর কচুয়া ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীকে আখতার হোসাইন, কচুয়া দক্ষিণ ইউনিয়নে (চশমা) প্রতীকে খন্দকার আরিফজ্জুমান আরিফ, ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর কেন্দ্র ও ইউনিয়ন কাদলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (আনারস) প্রতীকে নূরে-ই আলম রিহাত, কড়ইয়া ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় (নৌকা) প্রতীকে আবদুস সালাম সওদাগর, গোহট উত্তর ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীকে কবির হোসেন, গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নে (নৌকা) প্রতীকে আমির হোসেন, আশ্রাফপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া ) প্রতীকে গোলাম মাওলা হেলাল মুন্সী।
নির্বাচনে দুই একটি বিছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটাররা তাদের ভোট প্রদান করেছেন। সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন অফিসারদের কাছে ইউনিয়নের কেন্দ্রগুলো থেকে ফলাফল আসলে বেসরকারি ভাবে উল্লেখিত প্রতীক প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষনা করেন।
আঃলীগে কেন্দ্রীয় দুই নেতা ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর ও ড.সেলিম মাহমুদের নিজ নিজ কেন্দ্র ও ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবিতে ভোটার এবং সাধারন জনগণ মনে করেন, তাতেই প্রমানিত হয় বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন করছেন এবং সাধারন ভোটাররা প্রশাসনের উপর পূর্ণ আস্থা রেখে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করতে পেরেছেন। সাধারন জনগণ বলেন বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এত সুন্দর ভোট আগে উপজেলাবাসী দেখেনি, প্রশাসন ও সরকার চাইলে সব সম্ভব তা প্রমানিত, বিএনপি-জামাত নৌকার বিরুদ্ধে ভোট দিলেও তারা এত কঠোর নির্বাচন দেখে আপসোস করতে থাকেন এবং স্থানীয় এই নির্বাচনে না এসে বি এন পি ও দলের এসব সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেন।
(মফিজুল ইসলাম বাবুল)