কচুয়া দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক জনাব সিদ্দিকউল্লার অবসরকালীন ভাতা ও অনুদান না প্রদান করার জন্য বি এন পি নেতা তামীম তফদারকেই দায়ী করলেন প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীরা!

কচুয়া দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক জনাব সিদ্দিকউল্লার অবসরকালীন ভাতা ও অনুদান না প্রদান করার জন্য প্রাক্তন ছাত্র তৎকালীন স্কুল কমিটির সভাপতি কাদলার বি এন পি নেতা তামীম তফদারকেই দায়ী করলেন প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীরা!

তার বলেন দীর্ঘ ২৬ বছর শিক্ষকতার পেশার অবসান ঘটিয়ে ২০০১ সালে স্যার অবসরে যান, জনাব সিদ্দিক-উল্লাহ প্রাক্তন চাত্ররা বলেন অবশ্য স্যারকে আরো তিন বছর স্কুলে রাখা যেতো, বোর্ডের অনুমোদিত ক্ষমতা বলে কমিটির স্বদিচ্ছায় চাহিদাগত কারনে একজন ইংরেজী শিক্ষককে মেয়াদপুর্ণতার পর একই পদে আরো তিন বছর বহাল রাখা যায়। কিন্তু ব্যাক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কুচক্রী মহল স্যারকে স্ব-সম্মানে বিদায় টুকু পর্যন্ত দিতে পারেনি, এটা সকলের জন্য চরম ব্যার্থতা, যার খেসারত আজ সবাই ভোগ করছে। স্যার যখন বিদায় নেন তখন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য অবসর ও কল্যাণ ভাতার গেজেট পাশ হয়নি। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফান্ড থেকেও অবসরকালীন এককালীন একটি সম্মানী পাওয়ার বিধান ছিলো।

স্কুল ফান্ডে টাকা থাকা সত্বেও কোন এক অদৃশ্য বা রহস্যজনক কারনে স্যারকে সেই সম্মানী থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।স্যার মাঝে মাঝে দুঃখ করে বলেন, ”স্কুলের ফান্ডে অর্থের সংকট থাকা সত্বেও আমার হাত দিয়ে যে সকল শিক্ষক অবসরে গেছেন আমি বিদায়ী শিক্ষকদের পাওনার পাশাপাশি কিছু অনুদানও দিয়েছি। কারণ শেষ বয়সে এটাই শিক্ষকদের বেঁচে থাকার এক মাত্র সান্তনা। কিন্ত আমার ছাত্ররা কমিটিতে( তৎকালীন বি এন পি -জামাত জোট আমলে স্কুল কমিটি সভাপতি তামীম তপদার) থাকা সত্বেও আমি আমার নুন্যতম পাওনাটুকু বুঝে পাইনি। তবে টাকা পয়সাই তো আর মানুষের জীবনে সব কিছু নয়। তাদের চিন্তাও সামাজিক মূল্যবোধটাই আমাকে পীড়া দেয় “স্যার বলেন, “যেখানে যেভাবে আয় এবং ব্যায় করার দরকার ছিলো সেভাবেই আয় ব্যয় করেছি। স্কুলের আয় বাড়াতে দিঘীর পাড়ে গাছ লাগিয়েছি, দিঘীতে মাছ চাষ আমি শুরু করেছিলাম। কুমিল্লা থেকে মাছের পোনা আনতে হতো।কেরানি সাহেবও অনেক কষ্ট করে আমাকে সংঘ দিয়েছেন। আগে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো ছিলোনা তাই অনেক কষ্ট করেছি। রাস্তাঘাট ছিলনা, পায়ে হেঁটে যেতে হতো কচুয়া। এতো কিছু করে স্কুলের স্বনির্ভরতা এনেছি , তাই মনে হলে খুব কষ্ট হয়, এই আরকি ? এখন কোনো কিছুর অভাব নেই!

প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের পক্ষে উক্ত লেখা সম্পাদনা করেন :শরিফুল ইসলাম মোল্লা (পিএইচ ডি.গবেষক)।

কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি শহিদ দর্জি লিখেন ” জনাব সিদ্দিক-উল্লাহ তিনি তার জীবেনে মানুষ গড়ার কারিগর হিসাবেই পরচিত।প্রসংগতকিছু কথাবলা দরকার, বিগত চার দলীয় সরকারের সময় এই শিক্ষাগুরুকে অনৈতিকভাবে ঐ সময়কার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি অনৈতিক ভাবে অবসরে পাঠান।আমি যতটুকু জানি উনি অবসর ভাতা বা কোন কিছুি পাননি। এক মাত্র মেয়ের জামাই মজিব এবং আমি ওনার শ্যালক আওয়ামী লীগ করি এটাই ছিল উনার অপরাধ। আজ তিনি মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছেন এই শিক্ষাগুরু।সরকারী চাকুরী ইস্তফা দিয়ে এলাকার গন্যমান্যগনের আহব্বানে তিনি দরবেশ গন্জ হাই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন বহু ছাত্র ছাত্রী তারা অনেকে সন্মানিত নামিদামী ব্যাক্তি।।আজ বয়সের ভারে পর্যুদস্ত।

উল্লেখ্য কচুয়ারডাকে প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের একটি অংশ সংক্ষুব্ধ হয়ে কচুয়ারডাক কে লিখে পাঠালে এবং তা প্রকাশিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন মহলে নেড়েছেড়ে বসেন, কচুয়া দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদ ঈদপূনর্মিলনীকে কেন্দ্র করে জামাত-বি এন পি উত্থানের অভিযোগ,দাওয়াত পেয়েও জনরোষের ভঁয়ে যান নি সাবেক সভাপতি তামীম তপদার শিরোনাম হলে, বিষয়টি প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীরা গুরুত্বসহকারে দেখেন। তৎকালীন তামীমের সহযোগী ও বর্তমানে বিভিন্ন মামলার তালিকাভুক্ত আসামী বি এন পি নেতা রাজ্জাক তফদার উক্ত নিউজ কে কেন্দ্র করে দেখে নেয়ার হুমকি দিলে প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীরা তার প্রতিবাদ করেন, তামীম তফদার ও তার সহযোগীগণ বি এন পি -জামাত জোট আমল ও ১/১১তে গ্রামে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম ও আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতা কর্মীদের চরম মারধর এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে, আজ তারাই স্থানীয় আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে এলাকায় সরকারের বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপের নেতিবাচক সমালোচনা ও কাজ কে বাধা দেয়ার পাঁয়তারা করছেন। ‍

সম্প্রতি প্রাক্তনদের মধ্যে জুম মিটিং হলে তারা দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে ফেইক আইডি ব্যাবহার করে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাক্তিদের নিয়ে গালিগালাজ কুৎসা রটানোর দায়ে এবং বিদ্যালয়ের সুনাম প্রকটভাবে ক্ষুন্ন হলে ফোরমের স্বঘোষিত সমন্নয়ক সাবেক ছাত্র শিবির ক্যাডার হান্নান কে সতর্ক করে এসব থেকে বিরত থাকার আহব্বান জানান, অন্যথায় তাকে ফোরাম থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে বলে জানান, তার এসব চরিত্রহনমূলক লেখালেখির জন্য তাকে তিরস্কার করেন, বিদ্যালয় ও প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের সুনাম মারত্মক ভাবেও দেশে-বিদেশে ব্যাহত হয়।