করোনায় থমকে গেছে কচুয়ার রাজনীতি, মানবতার প্রশ্নে সকলেই এক

কচুয়ার ডাক

করোনা শুরু থেকেই কে আওয়ামী লীগ কে বিএনপি সেটি না দেখে সকলেই সকলের সহযোগিতায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। সকলের সম্মেলিত প্রচেষ্টায় গত ৯ এপ্রিল থেকে লকডাউন থাকলেও এখনো খাদ্য সঙ্কটে তেমন কোন প্রতিবাদ কিংবা না খেয়ে থাকার কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

করোনার দূর্যোগকালীন সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা ছাড়া ও সকল দলের রাজনীতিবিদরা পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

এসময় একে অপরের প্রতি দোষারূপ, কাঁদা ছুঁড়ছুঁড়ি এবং মাঠের রাজনীতি একেবারেই থমকে গেছে। মানবতার প্রশ্নে সকলে এক হয়ে গেছে।

করোনার এই দুঃসময়ে দেখা গেছে, কচুয়ার বিভিন্ন মানুষের পাশে ত্রাণ নিয়ে হাজির হতে সকল দলের নেতাকর্মীদের।
এসময় কৃষকদের ধান কেঁটে পৌঁছে দিয়েছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিএনপির ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও।

বিভিন্ন সময়ে রাজনীতির মাঠ এ উপজেলায় খুব গরম থাকতো। সবসময় এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তুলে রাখতো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলতো কাঁদা ছোঁড়াছঁড়ি। মানবতার জয় করতে সকল রাজনীতিবিদরা এ সময়ে আগে মানবতা পরে রাজনীতিকে প্রাধান্য দিয়েছে।

কচুয়া পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাজমুল আলম স্বপন বলেন, রাজনীতির সময় এখন না, মানবতা হচ্ছে সকল কিছুর ঊর্ধ্বে। আমাদের মানবতা নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাটাই এখন রাজনীতিবিদদের বড় সার্থকতা।

কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এএইচ এম মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিক বলেন, এখনতো রাজনীতি নয়, এখন মানবতার সময়। তাই আমরা মানুষের সেবা করছি। শহীদ জিয়ার আর্দশের সকল সৈনিকরা ও মানবতার মা বেগম খালেদা জিয়ার সন্তানরা দেশের সকল দুঃসময়ে রাজনীতিকে নয়, মানবতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে আসছে এবং আগামীতেও করবে।

এমন রাজনীতি আসলে কচুয়াবাসী সকলেই প্রত্যাশা করে।