কচুয়ার দুই ডক্টর ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধ সেলিম মাহমুদ লেখা চুরি করার অপরাধে নীতি নৈতিকতার অভিযোগ এনে কলিমউল্লাহকে পেশাদার চোর (চৌর্যবৃত্তি)বলে আখ্যায়িত!

কচুয়ারডাক ফেসবুক ডেস্কঃকচুয়ার এই দুই ভবিষ্যৎ ভাবী এম পিদের কাছ থেকে উপজেলার জনগণ কি শিখবে, তাদের আছার আছড়ন আর কথাবার্তা এবং লেখায় যদি লাগাম না থাকে জনগনের কি হবে তা বুঝতে আর বাকী রইলো না, সামাজিক মাধ্যমে দুই ডক্টর ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধ চলছে, একজনের লিখা আরেকজন চুরি করেছেন তাই সেলিম মাহমুদ কলিমউল্লাহকে তার লেখা চুরি করার অপরাধে নীতি নৈতিকতার অভিযোগ তুলে পেশাদার চোর (চৌর্যবৃত্তি)বলে আখ্যায়িত করেছেন, তা হুবুহু উপজেলার জনগনের জন্য তুলে ধরা হলো, যদিও এই ব্যাপারে প্রফেসর ড. কলিমউল্লার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি, দুই ডক্টর এক সময় একে অপরের সহকর্মী ছিলেন এবং দুজনেই কচুয়ার আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য উপজেলায় চষে বেড়াচ্ছেন!
 
সেলিম মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন-
আমার একটা লেখা কে হুবুহু নকল করা হয়েছে l এটি কোন ধরণের কাজ আমি বুঝতে পারছিনা l পুরো লেখাটিই আমার দুই দিন আগের একটি লেখার হুবুহু নকল যা বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল l শুধু আমার নামের জায়গায় অন্য ব্যক্তির নাম যুক্ত করা হয়েছে l এটি plagiarism অর্থাৎ চৌর্যবৃত্তি কিনা এই প্রশ্ন আমি আইনজ্ঞ এবং একাডেমিসিয়ান দের কাছে রাখলাম l plagiarism অর্থাৎ বুদ্ধিবৃত্তিক
সম্পত্তি চৌর্যবৃত্তি সম্পর্কে যাদের কোন ধারণা নেই অথবা যারা স্বাভাবিকভাবেই নীতি নৈতিকতার কোন ধার ধারে না, তাদের পক্ষেই এই ধরণের কাজ করা সম্ভব l
 
শেখ হাসিনার রাষ্ট্রে মাস্তানী চলে না -ড.সেলিম মাহমুদ!
সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের পুত্র কর্তৃক নৌ বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বলেন, এই ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে শেখ হাসিনার রাষ্ট্রে মাস্তানির কোনো জায়গা নেই l এটি কোন নতুন ঘটনা নয় l জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি পদক্ষেপেই বার বার প্রমাণিত হচ্ছে, এই রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরাপত্তা রয়েছে l কেও নাগরিকদের উপর কোন অন্যায় করে পার পাবে না l শেখ হাসিনার বাংলাদেশে কোন গুন্ডামি- মাস্তানি চলবে না l
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশে বিচারহীনতার ব্যবস্থার বিপরীতে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করেছেন l রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন, বাংলাদেশে কেউই আইনের উর্ধে নয় l তিনি এটি বুঝিয়ে দিয়েছেন,
দুষ্টের দমনের জন্য রাষ্ট্রের ‘কোয়ার্সিভ পাওয়ার’ ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে l বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকেই খুনি চক্র এবং তাদের সুবিধাভোগীরা এদেশে বিচারহীনতা প্রতিষ্ঠিত করেছিল l জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার শাসনামলে কোন অপরাধীকে কখনোই প্রশ্রয় দেয়া হয়নি l বরং দল মত নির্বিশেষে যে-ই অপরাধ করেছে, তারই বিচার হয়েছে l হাজি সেলিমের পুত্রের ঘটনাটি সকল গুন্ডা মাস্তানদের জন্য আরেকটি পরিষ্কার বার্তা যে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আইনের শাসনে বিশ্বাসী l এই রাষ্ট্রে কোন গুন্ডামি-মাস্তানির কোন সুযোগ নেই l সকল গুন্ডামি মাস্তানির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র সক্রিয় রয়েছে l
 
 
 
নিচের লিখাটি নিয়ে সেলিম মাহমুদ অভিযোগ করেন
 
শেখ হাসিনার রাষ্ট্রে সন্ত্রাসের ঠাঁই নাই : ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ
 
সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলের হাতে নৌ-বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও বলেন, এ ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে শেখ হাসিনার রাষ্ট্রে সন্ত্রাসের কোনো জায়গা নেই। এটি কোনো নতুন ঘটনা নয়। জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি পদক্ষেপেই বারবার প্রমাণিত হচ্ছে- এই রাষ্ট্রে নাগরিকদের নিরাপত্তা রয়েছে। কেউ নাগরিকদের ওপর কোনো অন্যায় করে পার পাবে না। শেখ হাসিনার বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাসের ঠাঁই নাই।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশে বিচারহীনতার ব্যবস্থার বিপরীতে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, বাংলাদেশে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তিনি এটি বুঝিয়ে দিয়েছেন, দুষ্টের দমনের জন্য রাষ্ট্রের কঠোর হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকেই খুনি চক্র এবং তাদের সুবিধাভোগীরা এদেশে বিচারহীনতা প্রতিষ্ঠিত করেছিল।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শাসনামলে কোনো অপরাধীকে কখনোই প্রশ্রয় দেওয়া হয়নি। বরং দল-মত নির্বিশেষে যে-ই অপরাধ করেছে, তারই বিচার হয়েছে। হাজী সেলিমের ছেলের ঘটনাটি সকল সন্ত্রাসবাদের জন্য আরেকটি পরিষ্কার বার্তা যে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। এই রাষ্ট্রে কোনো সন্ত্রাসের সুযোগ নেই। সকল সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র সক্রিয় রয়েছে।