প্রজাতন্ত্রের চাকুরীর শর্তে ও জনগণের সাথে অসদাচারনের জন্য কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ২৪ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার চেয়ে সাধারন জনগণ, সাংবাদিক কে কথা বলতে না দেয়াও বাক স্বাধীনতাকে হরন করার সামিল!!

কচুয়া উপজেলায় সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে জন-আকাংখার প্রতিফলন তুলে ধরা হলো, উপজেলায় গত কয়েকদিন ধরে জরিপে ৮১%জনগন উপজেলা থেকে নির্বাহী অফিসারের প্রত্যাহার চেয়েছেন এবং ১৯% বিপক্ষে মত দিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে ব্যালেন্স অব প্রবাবিলিটীতে নির্বাহী অফিসারের পক্ষে মত যায়নি বিধায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিষয়টি নজরে নেয়া উচিৎ, কেউ কেউ আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে  প্রত্যাহার চেয়ে মত দিয়েছেন।
নির্বাহী অফিসারের(অধস্তন স্টাফ)করা ডিজিটাল আইনে মামলার আসামী ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটি যেন প্রভাবিত না হয়ে সেক্ষেত্রে তিনিও প্রত্যাহার চেয়ে মতামত দিয়েছেন,তিনি আসামী হিসেবেও এই মামলার ন্যায় বিচার দাবী করেন-

ডিজিটাল আইনে যাকে আসামি করা হয়েছে জনাব গাজী হাসান রানার ফেসবুক থেকে!

কচুয়ার সাধারন জনগণ ও প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা ভাই বোনের কাছে আমার খোলা চিঠি, আপনারা আমাকে বলবেন আমার করনিয় এখন কি হতে পারে, আমি আইন জানি না ডিজিটাল নিরপত্তা আইন কি তা বুঝি না, জানিও না, আজ ১৭ বৎসর জীবিকার তাগিদে আল্লাহপাকের পবিত্র জায়গায় সোদি আরবে অবস্থান করছি!
জন্মসুত্রে আমি বাংলাদেশের নাগরিক, বাক স্বাধীনতা আমার সাংবিধানিক অধিকার, আমি ফেসবুকে সামাজিক মান দন্ডের বাহিরে মন্তব্য করে থাকলে নির্বাহী অফিসার ফেসবুকে আমার আইডির বিরুদ্ধে রিপোর্ট/ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারতেন, ইতিমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে আমি ফেসবুক সামাজিক মানদন্ডের বাহিরে গিয়ে মন্তব্য করি নাই। গত কয়েকমাস যাবত কে বা কাহারা আমার আইডি হেক করছেন বা করার চেষ্টা করছেন তা ফেসবুকে রিপোর্ট করে জানতে চাইব, কিন্তু আমি মনে করছি আমার আইডি হ্যাক করে কেউ হয়ত বিভিন্ন কমেন্ট করে থাকতে পারে, আমার বিশ্বাস সামাজিক মান দণ্ডের বাহিরে আমি কিছু লিখিনি কিংবা মুছে ফেলি নি।
অবশ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার তার সরকারী আইডি থেকে তিনি আমার বিরুদ্ধে লিখাখানা ইতিমধ্যেই মুছে ফেলেছেন, মুছে ফেলায় আমি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্ছিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছি!
নির্বাহী অফিসার রাস্ট্রের এবং আমাদের স্বনামধন্য উপজেলার নামে ফেসবুক পরিচালিত করে তার ব্যাক্তিগত নিজের ছবি সরকারী ফেসবুক আইডিতে রেখে কচুয়াবাসীকে অপমানিত করেছেন, তিনি ফেসবুকে তার ছবি না দিয়ে বঙ্গবন্ধু কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ছবি দিতে পারতেন। তিনি ডিজিটাল আইনে ২৫(১)ক ধারা অনুযায়ী আমার অনুমতি ব্যাতীত আমাকে সমাজে দেশে-বিদেশে সারা দুনিয়ায় হেয় প্রতিপন্ন করতে আমার নাম ব্যাবহার করেছেনজায়ীএখন প্রমানিত, তিনি মামলা করার আগেই আমার ফেসবুকে ডুকে তথ্য চুরি করেছেন, আমার ফেসবুকে ডুকে আমার আইডি কপি করে জন সম্মুখে প্রচার তিনি আগে করছেন, এই গর্হিত কাজটি করার অধিকার নির্বাহী কর্মকর্তার আছে কিনা উপজেলার সকলের নিকট আমার প্রশ্ন?
আমরা সামাজিক জীব সমাজে ও দেশে আমার ও আমার পরিবারের মান-সন্মান রয়েছে, আমি নিশ্চিন্তপুর মাদ্রাসা,আমার এলাকা তেতৈয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা,মসজিদ সহ দেশে করোনায় বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে আসতেছি, আমি মনে করছি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সংক্ষুব্ধ হলে তিনি আইনের আশ্রয় নিতে পারতেন, এবং নিয়েছেনও কিন্তু মামলা করার আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমার অনুমতি ব্যাতীত আমার আইডি ব্যাবহার করে তিনি ডিজিটাল আইন ভংগ করেছেন বলেও আমার কাছে প্রতিয়মান হলো বিধায় আমি উক্ত হয়রানি মূলক মামলাটি প্রত্যাহার চাচ্ছি! আমি নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে মানহানিকর কিংবা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দেশে কিংবা বিদেশে আইনের আশ্রয় গ্রহণ করবো কিনা আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন?

কচুয়ায় ইতিমধ্যেই বিভিন্ন কারনে খুব উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইতিমধ্যেই মামলা তদন্তের জন্য এবং আমার মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য দেশে বিদেশে আলোচনা সমালোচনার ব্যাপক জন্ম দিয়েছে, এবং আমার মামলা তদন্তে প্রভাবিত না করতে বাদী নির্বাহী অফিসারের আগামী ২৪ ঘ্ন্টার মধ্যে প্রত্যাহার কিংবা বদলি চাচ্ছেন বলে সামাজিক মাধ্যেমে উদ্ভেগ প্রকাশ করছেন, কারন নির্বাহী অফিসার তার নিজ পদে বহাল থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করবেন বলে আমি মারাত্মকভাবে আশংকা প্রকাশ করছি।

আমি গত কয়েকদিন খোজ খবর নিয়ে উক্ত ডিজিটাল আইন পড়ার ও জানার চেষ্টা করছি,দেশে বিদেশে অনেক বন্ধু বড়ভাই আমাকে সহজোগীতা করেছেন,মামলাটি প্রত্যাহার না হলে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন মানবাধিকার সংঘটন, সোদি আরব দুতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রনালয়, স্থানীয় স্ংস্থাপন সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা কমিশনার (ডিসি) ও বিভিন্ন গোয়ান্দা সংস্থা যেহেতু আমি বিদেশে অবস্থান করছি সেহেতু বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নিকট আমার পক্ষে ন্যায় বিচার চাইবো।

যদিও মামলাটি নিস্পতি না হতেই নির্বাহী অফিসার তার সরকারী কচুয়ার উপজেলার নামে ফেসবুক একাউন্ট থেকে আমার বিরুদ্ধে দেয়া পোস্টখানা অপরাধের ভয়ে ভীতসভ্রস্ত হয়ে ইতিমধ্যেই ডিলিট করে ফেলেছেন, কিন্তু আমি দেশ থেকে আমার বন্ধুর মাধ্যমে নির্বাহী অফিসারের দেয়া স্টাটাস ও আইন টি সবার জ্ঞাতার্থে শেয়ার করলাম,ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কি আমি ভংগ করেছি নাকি নির্বাহী অফিসার আইন ভংগ করেছেন, আমি তো উনার নাম ব্যাবহার করে কিংবা উনার ব্যাক্তিগত আইডি আমার ফেসবুকে শেয়ার কিংবা সামাজিক মান বিরোধী কমেন্ট করিনি, আমার অজ্ঞাতসারে হয়তো বিভিন্ন মাধ্যমে সামাজিক মান বজায় রেখে মত প্রকাশ করছি, বরং তিনি রাষ্ট্রের ফেসবুক ব্যাবহার করে জনগণকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন, উক্ত মামলার আমিও ন্যায়বিচার কামনা করছি!

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮
অনুমতি ব্যতীত পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার, ইত্যাদির দণ্ড ২৬। (১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, বিক্রয়, দখল, সরবরাহ বা ব্যবহার করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, ‘‘পরিচিতি তথ্য’’ অর্থ কোনো বাহ্যিক, জৈবিক বা শারীরিক তথ্য বা অন্য কোনো তথ্য যাহা এককভাবে বা যৌথভাবে একজন ব্যক্তি বা সিস্টেমকে শনাক্ত করে, যাহার নাম, ছবি, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, মাতার নাম, পিতার নাম, স্বাক্ষর, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নম্বর, ফিংগার প্রিন্ট, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ই-টিআইএন নম্বর, ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল স্বাক্ষর, ব্যবহারকারীর নাম, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড নম্বর, ভয়েজ প্রিন্ট, রেটিনা ইমেজ, আইরেস ইমেজ, ডিএনএ প্রোফাইল, নিরাপত্তামূলক প্রশ্ন বা অন্য কোনো পরিচিতি যাহা প্রযুক্তির উৎকর্ষতার জন্য সহজলভ্য।
কচুয়া নির্বাহী অফিসারের কাছে আমার চাওয়া ছিল- “মাননীয় Uno Kachua মহোদয় ,আপনি আমার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার কথা বলেছেন,তা আপনি করতে পারেন। তাতে আমি বিচলিত নই।কিন্তু দয়া করে গত ১৬ই জুলাই ২০২০ দুপুর১-২:৩০মিনিট পর্যন্ত এই দেড় ঘন্টার আপনার অফিস এবং অফিসের বারান্দার CCTV ফুটেজ প্রকাশ করুন। আপনি তেতৈয়ার মোস্তফা মেম্বারসহ ৪জন লোকের সাথে কেমন ধরনের ব্যবহার করেছিলেন আমরা একটু দেখতে চাই। দেখি আমরা আপনার ঐ ভিডিও ফুটেজ থেকে কিছু শিখতে পারি কি-না।আমি সত্য কথা বলে মরতেও রাজী। আমি কচুয়া উপজেলার একজন নাগরিক হিসেবে এটা আপনার কাছে বিশেষ অনুরোধ করছি,CCTV ফুটেজ টা দেন”

গত ১৬ই জুলাই বিদ্যালয়ের নির্বাচন কে কেন্দ্র করে তেতৈয়া গ্রামের জনগণ ও  স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি জনাব মোস্তফা মেম্বার কে লাঞ্চিত ও অপমানিত করে ইতিমধ্যেই তিনি তার চাকুরীর শর্ত অনুযায়ী অসদাচারন করে  কোড অব কন্ডাক্ট সার্ভিস রোল ভংগ করছেন বলে অভিযোগ উঠে! নৈতিক ভাবেই তিনি এই পদে থাকার যোগ্যতা তিনি হারিয়েছেন।
সাংবাদিক কে কথা বলতে না দেওয়াও বাক স্বাধীনতাকে হরন করার সামিল,সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়; আমার বক্তব্য ও না বলা কিছু কথা- সাংবাদিক মানিক ভৌমিক!
কচুয়া উপজেলার ইউএনও দীপায়ন দাস শুভ ২০ তারিখ দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। বৈরী আবহাওয়া সত্বেও প্রায় সকল সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। কারণ ১৯ তারিখে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশিরের আলোড়ন সৃষ্টকারী ঘটনার কথা সবাই জানতে আগ্রহী।
সবাইকে অবাক করে ইউএনও দীপায়ন দাস শুভ মহোদয় মতবিনিময়ের বিষয়টি নির্ধারণ করলেন “আইসিটি আইনে মামলা”। গাজী হাসান রানা নামে এক ব্যক্তি ইউএনও সম্পর্কে ফেসবুকে অপ্রীতিকর মন্তব্য করেছেন। তিনি মামলা করতে চান। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের মতামত চাইলেন। সাংবাদিক নেতারা মামলার স্বপক্ষে মত দিলেন এবং সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন।
আমি দাঁড়িয়ে আমার বক্তব্যে বললাম, “আজকের আলোচ্য বিষয় দুটি, একটি আইসিটি আইনে মামলা, অন্যটি গতকালের অপ্রীতিকর ঘটনা। আমি শাহজাহান শিশির সম্পর্কে কিছু কথা বলতে চাই। তিনি জনপ্রতিনিধি এবং দু’বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান। তিনি জনকল্যানে অনেক ভালো কাজ করেছেন।” এতটুকু বলার পর ইউএনও মহোদয় আমাকে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেন। তিনি বললেন, “আজকের বিষয় এটা না। এ বিষয়ে আপনার সাথে পারসোনালি কথা বলবো।”
আমি বলতে থাকলাম “তারপরও কালকের ঘটনাটা এসেই যায়। আমি সংক্ষেপে এটুকু বলবো, একটা অন্যায় কাজকে প্রতিহত করতে আরেকটা অন্যায় সংঘটিত করাকে আমরা সমর্থন করি না। আপনি কচুয়ার অতিথি। আজ আছেন কাল হয়তো নাই। আপনার সামনে ঘটে যাওয়া গতকালের অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য কচুয়ার একজন হিসেবে আমি লজ্জিত। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য কচুয়াবাসীর পক্ষ হয়ে আপনার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।”
আইসিটি মামলার বিষয়ে বলেছি, “ফেসবুকে অনেকেই সরকারের কার্যক্রম নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেন যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এসব মন্তব্যকারীদের বেশিরভাগই প্রবাসী। এরা ধরাছোঁয়ার বাইরে আছে মনে করেই এসব লেখে। আপনার বিপক্ষে মন্তব্যকারীও প্রবাসী। এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া দরকার। আমি মামলার সমর্থন করি।”
পরিশিষ্টঃ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। বিদ্যালয়ের স্থাপনার কাজে অনিয়ম দেখে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। এতটুকু পর্যন্ত শিশির সাহেবের প্রতি জনগণের শতভাগ সমর্থন আছে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি। অনিয়ম তদারকি করতে যে বা যেসকল সরকারি কর্মকর্তা তদন্তে গেলেন, তাদেরকে সহযোগিতা করা এবং সদম্ভে জানিয়ে দেয়া দরকার ছিলো কচুয়ার মাটিতে কোনো কাজে অনিয়ম আপনি এবং কচুয়ার জনগণ বরদাস্ত করবে না। কিন্তু আপনি যেটা করেছেন সেটা কী সমর্থনযোগ্য? যদিও আপনার চারপাশে যারা আছে তারা না বুঝেই নিরলসভাবে ভুল বাংলায় আবোল-তাবোল লিখে যাচ্ছে। শাহজাহান শিশির সাহেব আপনিও এক কথায় থাকছেন না। নানা রকম স্টেটমেন্ট দিয়ে ব্যাপারটাকে আরো ঘোলাটে করে তুলেছেন। শেষমেষ একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় টেলিফোনে বলেছেন, আইন হাতে তুলে নিয়ে আপনি ঠিক করেন নি, একসময় গিয়ে মাফ চেয়ে আসবেন।
শাহজাহান শিশির সাহেব, আপনি তো ভালো করেই জানেন চারিদিকে আপনার কাটা বিছানো, প্রতিটি পদক্ষেপ আপনাকে সাবধানে চলতে হয়। আপনার বিপক্ষ লোকের অভাব নাই এবং তারা অত্যন্ত শক্তিশালী। তারা আপনার ভুলের অপেক্ষায় ছিলো।
শিশির সাহেব, এত বড় অনিয়ম দেখেছেন, স্থানীয় প্রেসক্লাবকে কী অবহিত করেছেন?প্রেসক্লাবকে তো আপনি গনায় ধরেন না। আপনি নিজেকে একাই একশ মনে করেন। বিপদে যাদের সহযোগীতা লাগবে তাদেরকে কী কখনো কাছে ডেকেছেন? প্রেসক্লাবের উন্নয়ন কাজেও আপনার কোনো সম্পৃক্ততা নাই। আপনার নির্বাচনের আগেও লিখেছিলাম কচুয়া প্রসক্লাবের সাথে আপনার সুসম্পর্ক নেই। বোধ হয় এরাই আপনার সবচেয়ে বড় উপকারে আসতে পারতো।
শিশির সাহেব, চামচা না রেখে জ্ঞানী ও বুদ্ধিমান মানুষদের আশেপাশে রাখতে হয়। ভাই ভাই হোটেল কাদের জন্য? আপনার ভালো কাজের প্রচার কারা করবে? ঘটনার পর আপনার পাশে কী এমন একজনও ছিলো না যে বলতো ভাই, কাজটা ঠিক হয়নি, এখনি ব্যবস্থা নেন। ইউএনও সাহেবের রুমে বসে ব্যাপারটা তাৎক্ষনিক সহজেই সমাধান করা যেতো। এখন সারা বিশ্বকে জানানোর দরকার পরতো না, “একসময় গিয়ে মাফ চেয়ে আসবো”।
একটা পুরাতন কথা আছে, “কুইনাইন জ্বর সারায়, কিন্তু কুইনাইন সারাবে কে?” দুর্নীতি বন্ধে “মাইর” দিয়েছেন, এখন মাইর সারাবে কে?
পরিশেষে এটাই চাই, শাহজাহান শিশির এ দুঃসময় কাটিয়ে আবারও জনগণের পাশে দাঁড়াবেন।
মানিক ভৌমিক
সহ-সভাপতি
কচুয়া প্রেসক্লাব
২২/৭/২০২০
সম্পাদকীয়