বাংলাদেশের প্রবীন রাজনীতিবীদ ও আমলা এইচ টি ইমাম আর নেই রাজনীতিতে সেলিম মাহমুদদের এখন কি হবে? উপজেলা চেয়ারম্যানের মামলা প্রত্যাহার হবে তো!

কচুয়া উপজেলায় আলোচিত আন্তর্জাতিক মাফিয়া গডফাদার ও দেশের প্রচলিত আইন এবং রাষ্ট্রের সংবিধান বিরোধী সেলিম মাহমুদের রাজনৈতিক অভিভাবক ও গুরু ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মরহুম এইচ টি ইমাম তিনি আজ রাত ১-০০টায় সি এম এইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল ক‌রে‌ছেন (ইন্না লিল্লা‌হি ওয়া ইন্না ইলা‌হি রা‌জিউন) তিনি ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হোসেন তৌফিক ইমাম। যিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এইচ টি ইমাম নামেই বেশি পরিচিত। ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণকারী সাবেক এ সরকারি কর্মকর্তার বর্তমান বয়স ৮২ বছর।
১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পর তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ক্যাবিনেট সচিবের দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। ১৯৭৫-এর ২৬ আগস্ট পর্যন্ত তিনি ক্যাবিনেট সচিবের পদে নিযুক্ত ছিলেন।
১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ পর্যন্ত সাভারের লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি সড়ক এবং যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব-এর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত পরিকল্পনা সচিবের পদে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশে এইচ টি ইমাম সি এম এইচে লাইফ সাপোর্টে থাকা গত কয়েকদিন যাবত অনেকের রাজনীতি ধীরে ধীরে সঙ্কুচিত হতে যাচ্ছে বলে জানান এই প্রতিবেদক কে, কচুয়া এবং রাজনীতীতে অনেকেই তার অনুসারী রয়েছেন, দুঃশ্চিন্তা ও রাজনীতির মাঠ থেকে বিদায় ঘন্টা নিয়ে ঘুম হারাম হচ্ছে অনেক নব্যদের, রাজনীতি থেকে আমলাতন্ত্র নিপাত হউক, দুঃসময়ের ত্যাগীদের মুল্যায়ন হউক বলেও অভিমত জানান।

এইচ টি ইমাম কে কেন্দ্র করে কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একটি ভুঁইফোড় মামলা করেন কচুয়ার আলোচিত মামলাবাজরা, উক্ত মামলার কথা এই এইচ টি ইমাম জীবদ্ধশায় জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কিছুই জানতেন নে বলে জানান, অথচ উক্ত মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশিরকে মাসের পর মাস কারাবরন করতে হয়। জামিন পেলেও চেম্বার জজ আদালতে গিয়ে কচুয়ার আদশ্যচুত কিছু মানুষদের খুশি করতে সেলিম মাহমুদ রাস্ট্র যন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে জামিন স্থগিত করার অভিযোগ উঠে।

সেলিম মাহমুদের রাজনীতিতে উত্থান ঘঠে এইচ টি ইমামের হাত ধরেই, দলের ভিতরে বাহিরে যতবারই বিতর্কিত হয়েছেন সেলিম মাহমুদ ততবারই এইচ টি ইমামের সহায়তা পেয়েছেন, অন্যথায় অনেক আগেই সেলিম মাহমুদ কে দল থেকে বিতাড়িত হতে হতো।

গত কিছুদিন আগেও বি এন পির এক সিনিয়ার নেতা নজরুল ইসলাম কে প্রতিবাদ করতে গিয়ে সংবিধানের ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে টিকে থাকতে পারলেন না সেলিম মাহমুদ, দলের সিনিয়ার নেতারাও অনেক চটেছেন তার উপর। বিশেষ করে মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও দলরে সাবেক নেতারা খুব অসন্তুস প্রকাশ করেন তার এসব কৃতকর্মে, অতঃপর বাধ্য হয়েই এটর্নি জেনারেল কে বাদ দিয়ে উপ-মিটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঘোষণা করতে বাধ্য হলেন সেলিম। এভাবে দলীয় অফিসে বিভিন্ন সময়ে নারী কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে যান সেলিম।

কচুয়া মেয়র নির্বাচন কে কেন্দ্র করেও তদবির করে ব্যর্থ হন সেলিম, বর্তমান মেয়রের বিরুদ্ধে তার অনুসারীরা জাতীয় ও স্থানীয় গন মাধ্যমে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করেও মনোনয়ন ঠেকাতে পারে নি। অতঃপর মেয়র নাজমুল আলমের রাজনৈতিক বিচক্ষনতা ও তার পারিবারিক রাজনৈতিক দিক বেবেচনা করে এবং সরকারের কাজের ধারবাহিক সফলতা এবং জননেতে ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর এমপির হস্তক্ষেপে বর্তমান মেয়র নাজমুল আলমের মনোনয়ন নিশ্চিত হয়ে এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। মেয়র মনোনয়ন চূড়ান্ত নাম ঘোষণার দিন কচুয়ার আমলা রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেন সেলিম, যদিও সেলিম নিজেও আমলা এইচ টি ইমামের হাত ধরেই রাজনীতীতে আসেন, তা অত্যান্ত দুঃখজনক বলেও জানান কচুয়ার রাজনীতিবিদরা। আজ এইচ টি ইমামের প্রয়াণে রাজনীতিতে সেলিম মাহমুদদের কি হবে বলে জানান উপজেলা ও কেন্দ্রীয় অনেক ছাত্রনেতা।

এইচ টি ইমাম ও সেলিম মাহ্মুদের  নির্বাচন পরিচালনা কমিটির  সেই বিতর্কিত চিঠি তুলে ধরা হলো-

আল্লাহ সর্ব শক্তিমান

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি -২০১৮
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
সভাপতির কার্যালয়
তারিখঃ ২১ ডিসেম্বর ২০১৮
বিষয়ঃ জনাব মোঃ শহীদ ইসলাম (পাপুল সাজাপ্রাপ্ত লক্ষীপুরের এম পি কুয়েত কারাগার) এর সমর্থনে দলীয় সমর্থন প্রসঙ্গে।
প্রিয়
আপনারা সদয় অবগত আছেন যে, লক্ষীপুর-২, সংসদীয় আসন-২৭৫ এর মহাজোট মনোনীত প্রার্থী জনাব মোঃ নোমান মহাজোটের বৃহত্তর স্বার্থে আওয়ামীলীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রাথী জনাব মোঃ শহীদ ইসলামের (পাপুল সাজাপ্রাপ্ত লক্ষীপুরের এম পি কুয়েত কারাগার) সমর্থনে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আপনাদের জানা আছে যে জনাব মোঃ শহীদ ইসলাম (পাপুল সাজাপ্রাপ্ত লক্ষীপুরের এম পি কুয়েত কারাগার) আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত নেতা ও সক্রীয় মাঠ পর্যায়ের কর্মী।দীর্ঘদিন ধরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বৃহত্তর স্বার্থে এই আসনের বিজয় দলের পক্ষে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এই লক্ষে জনাব মোঃ শহীদ ইসলাম কে (পাপুল সাজাপ্রাপ্ত লক্ষীপুরের এম পি কুয়েত কারাগার) সর্বাত্মক সমর্থন দিয়ে নির্বাচন কমিশনকৃত তার প্রতীকে বিজয়ের পদক্ষেপ গ্রহন অতীব জরুরী।
এই মর্মে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জনাব শহীদ ইসলাম কে (পাপুল সাজাপ্রাপ্ত লক্ষীপুরের এম পি কুয়েত কারাগার) সমর্থন প্রদানের জন্য আপনারা নির্দেশ দিতে পারেন।
এই বিষয়ে আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
শ্রদ্ধান্তে,
প্রতি,
১।জনাব গোলাম ফারুক পিঙ্কূ
সভাপতি
২। জনাব মোঃনুরুদ্দীন নয়ন
সাধারন সম্পাদক
লক্ষীপুর জেলা আওয়ামী লীগ
এইচটি ইমাম কো-চেয়ারম্যানের পক্ষে
স্বাক্ষর ……।।
(ড.সেলিম মাহমুদ)
সমন্বয়কারী
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
তবে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূর উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বললেন, ‘শহিদ ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী আমাদের লক্ষ্মীপুর জেলা, উপজেলা ও কোনো ইউনিয়ন কমিটির সদস্য পদেও নেই। তিনি মাঠপর্যায়ে দলীয় কোনো কাজও কখনো করেননি।’
তাহলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চিঠিতে কীভাবে শহিদ ইসলামকে দলের একজন নিবেদিত নেতা ও সক্রিয় মাঠপর্যায়ের কর্মী বলা হলো—এ প্রশ্নের জবাবে নূর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘হ্যাঁ, ওইভাবে একটা লেখা দেখেছি। ওইটা তো চিঠি যাঁরা ইস্যু করেছেন, তাঁরা বলতে পারবেন। ঊর্ধ্বতন ইউনিট যখন একটা কিছু দেয়, সে বিষয়ে আমাদের তো বলারও কিছু থাকে না।’
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, ভোটের সময় লক্ষ্মীপুরে অনেকটা প্রকাশ্য আলোচনা ছিল যে ১২ কোটি টাকার বিনিময়ে নোমানকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেন শহিদ। এ প্রক্রিয়ায় জেলা আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একাধিক নেতা এবং আসনটির সাবেক দলীয় এক সাংসদ যুক্ত ছিলেন। নির্বাচনে প্রার্থী সরানো, ভোটের মাঠ নিয়ন্ত্রণ করা থেকে জয়ী হওয়া পর্যন্ত শহিদকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কয়েকজনকে সন্তুষ্ট করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা ​দিয়ে।
লক্ষ্মীপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম আর মাসুদ বলেন, “বিষয়টা দৃশ্যমান না হলেও এটাই সত্য যে টাকার বিনিময়ে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পাপুলের সঙ্গে নেগোশিয়েট করেই এটা করেছিলেন। নোমান সাহেব সব খুলে না বললেও পাপুলের সঙ্গে লেনদেনের বিষয়ে আমাকে হিন্টস দিয়েছিলেন। ভালো অ্যামাউন্ট পেয়েই ছেড়েছিলেন, এমন ইংগিত আমি পেয়েছিলাম।”
জাতীয় পার্টির নেতাদের বরাত দিয়ে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, লক্ষ্মীপুর-২ আসন পাপুলকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য নির্বাচনের আগে ঢাকায় এইচ টি ইমামের বাসায় একটি বৈঠকও হয়েছিল।
সেই বৈঠকে আসলে কী হয়েছিল, কেন পরে আওয়ামী লীগ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে চিঠি দিয়ে পাপুলকে সমর্থন দিতে বলেছিল, সে বিষয়ে কথা বলতে এইচ টি ইমামকে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে কথা বলতে চাইলেও তিনি সাড়া দেননি।
সেলিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যে চিঠিটি ইস্যু হয়েছিল সেটি ছিল নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম সাহেবের সিদ্ধান্তটাই যথাযথভাবে পদাধিকার বলে আমি চিঠিতে জানিয়েছি।
“বাংলদেশে বিভিন্ন সময়ে এভাবে অনেকেই এমপি হয়েছেন। পাপুলের বিষয়টি নিয়ে কেউ কেউ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। স্বতন্ত্র এমপি পাপুল মানব পাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতার হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ সরকারের কোন দায় দায়িত্ব নেই।”
কচুয়ার সেলিম মাহমুদের সুপারিশকৃত সেই মাফিয়া এম পি শহিদুল ইসলাম পাপুল কুয়েত কারাগারে চার বছরের জেল,দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের জন্য কলঙ্ক ও লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।
অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ ইসলাম পাপুলকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১৯ লাখ কুয়েতি রিয়াল (৫৩ কোটি ১৯ লাখ ৬২ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) এ রায় ঘোষণা করা হয়। গত বছরের ২৬ নভেম্বর এ মামলার শুনানি শেষে কুয়েতের অপরাধ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল-ওসমান এই দিন ধার্য করেন। বর্তমানে পাপুল দেশটির কারাগারে রয়েছেন।
গত ৬ জুন কুয়েতের আদালতের আদেশে মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হন সংসদ সদস্য শহীদ ইসলাম পাপুল। একই সময়ে পাপুল ও তার পরিবারের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে অস্বাভাবিক লেনেদেনের তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
গত ২৭ ডিসেম্বর পাপুলের পরিবারের ৮টি ব্যাংকের ৬১৭টি ব্যাংক হিসাব, ৩০ একরের বেশি জমি, গুলশানের ফ্ল্যাটসহ দেশে থাকা সম্পদ জব্দ করে দুদক। ১১ নভেম্বর অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এমপি পাপুল, তার স্ত্রী এমপি সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন প্রধানকে আসামি করে মামলা করে দুদক, কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে রইয়ে গেলেন আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ডঃ সেলিম মাহমুদ!
এবার কুয়েতে পাপুলের কত সম্পদ রয়েছে, তার তথ্য চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কুয়েতে চিঠি পাঠায় দুদক। এতে দেশে পাপুলের বিরুদ্ধে মামলা ও তদন্তের বিষয়ে উল্লেখ করে কুয়েতে থাকা পাপুলের কোম্পানি, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।
আজ তার প্রয়াণে দেশ একজন দক্ষ আমলাকে হারালেও রাজনীতিতে সেলিম মাহমুদদের এখন কি হবে বলে সবাই জল্পনা কল্পনা করছেন, এবং উপজেলা চেয়ারম্যান উক্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে মুক্তি পাবেন তো এই প্রশ্ন এখন সর্বত্রে।

 

প্রথম আলো, বিডি নিউজ২৪, বাংলাদেশ প্রতিদিন।