বাংলাদেশ সরকার পরিবর্তন হলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল আলম স্বপন কচুয়া পৌরসভায় থাকবেন কিনা, ভোটের আগে এই নিশ্চয়তাটুকু চায় জনগণ! নির্বাচন পরবর্তী মাইনাস ফর্মুলা কি বাস্তবায়িত হচ্ছে? মতামত!

কচুয়ারডাক পৌরসভা নির্বাচনে বিশেষ প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সরকারের কোন কারনে পট পরিবর্তন হলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জনাব নাজমুল আলম স্বপন কচুয়া পৌরসভায় থাকবেন কিনা ভোটের আগে এই নিশ্চয়তা চেয়েছেন কচুয়া পৌরসভার অধিকাংশ জনগণ মতামত জনাতে ছেয়েছেন!
কচুয়া উপজেলায় বিএনপি-জামাত আমলে অনেকটা হিন্দি সিনেমার মতো ফিল্মী স্টাইলে কাউকে মনোনয়ন জমা/উত্তলোন করতে না দিয়েই পৌরসভা ঘটিত হওয়ার পর প্রথম নির্বাচন এবং ভোট বিহীন মেয়র বনে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিএনপি দলীয় ধানের শীর্ষ প্রতীকের প্রার্থী জনাব হুমায়ুন কবীর প্রধানের বিরুদ্ধে! তিনি একটানা ১২ বছর মেয়র পদে থেকেও পৌরসভাকে দেনা রেখে জান প্রায় এক কোটি টাকা কর্মচারীর বেতন বকেয়া রেখে যান বলে অভিযোগ করেন নাজমুল আলম স্বপন। জনাব হুমায়ন কবীর
ভোটের মাঠে এবার তেমন প্রচারনায় না থাকলেও পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ আনেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে, সাবেক সাংসদ মিলন গ্রুপের পতিপক্ষ হওয়ায় রয়েছেন কিছুটা দলীয় কোনঠাসার মধ্যে|
বিএন পি-জামাত আমলে চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং অফিসে আওয়ামীলীগের পক্ষে মনোনয়ন জমা প্রদান অতঃপর তা তৎকালীন সময়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয় এবারের নির্বাচনে মোবাইল প্রতীক নিয়ে প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ দুঃসময়ের তুখোড় ছাত্র নেতা আহসান হাবীব প্রাঞ্জলের মনোনয়ন।
পৌরসভার একই গ্রাম ও একই ওয়ার্ড থেকে তিন তিনজন প্রার্থী হওয়ায় উক্ত গ্রামের মানুষের মধ্যে বিভাজনের সৃষ্টি হওয়ায় এবার সকল প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ দিচ্ছেন গ্রামের বাহিরে এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে।
দলীয় মনোনয়ন প্রদানের আগে চায়ের টেবিলে ঝড় উঠেছিল, এবার নৌকা করইশ গ্রামে না এলে পুরো গ্রাম দল ও মত নির্বিশেষে ধানের শীর্ষ মার্কার হয়ে যাবেন।
অতঃপর আওয়ামীলীগের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা সিদ্ধান্ত নিতে খানিকটা  বিপাকে পড়ে গেলেও সরকারী -বেসরকারি বিভিন্ন জরিপে বর্তমান মেয়র নাজমুল আলম স্বপন এগিয়ে থাকেন, এবং নৌকার বিজয় ও ঝুঁকি এড়াতে দল কেন্দ্রীয়ভাবে বর্তমান মেয়র নাজমুল আলম স্বপনকেই বেঁচে নেন নৌকার মাঝি হিসেবে।
কিন্তু ভোটের মাঠে প্রতিদিন এখন চিত্র পাল্টাতে থাকে,পারিবারিক, গোস্টীগত দলীয় আভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে এবার নৌকা ঠেকাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোবাইল মার্কার প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও বি এনপি জামাতের সদস্যগন।
নৌকা ঠেকাতে মরিয়া এখন নৌকা বিরোধীরা, মনোনয়নের আগে কিছু নামধারী হ্লুদ সাংবাদিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপজেলায় সুপরিচিত ও মেয়র প্রার্থীরা মিলেই সিরিজ নিউজ চাপাতে থাকে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে। মেয়র নাজমুল আলমের গাড়ীর বিলাসিতা জীবন যাপন, অত্যধিক খরচ এবং মেয়র পুত্র ধারা লাইব্রেরীর জায়গা দখল ইত্যাদি সিরিজ নিউজ হলেও কোন প্রতিবাদ ছিল না। অবশ্য উক্ত সিরিজ নিউজ নিয়ে এই প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে তিনি নৌকা প্রতিক পাবেন বলে শতভাগ আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন জনগণের সেবক হয়ে তিনি ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে হাটছেন এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনয়নে পয়সা খরচ না হলে আমিই মনোনয়ন পাবো বলে শতভাগ আশা প্রকাশ করেন। অতঃপর কচুয়ার সাংসদ ও কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম মাহমুদের অশেষ কৃপা অর্জন করেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকেই নৌকার মাঝি হিসেবে বেচে নিলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সরকারের কোন কারনে পট পরিবর্তন হলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জনাব নাজমুল আলম স্বপন কচুয়া পৌরসভায় থাকবেন কিনা ভোটের আগে এই নিশ্চয়তা চেয়ে লিখে পাঠিয়েছেন কচুয়া পৌরসভার সাবেক ছাত্রনেতা এবং মেয়র প্রাথীদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই। তারা বলেন গত বি এন পি জামাত জোট আমলে মামলা ও নির্যাতনের কারনেই দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়ে পাড়ি জমান সৌদি আরবে। দীর্ঘদিন সৌদি আরবে থাকার পর ১/১১ এর পর দেশে ফেরেন এবং তৎকালীন এম পি পদপ্রার্থী মীর মোঃ ইকবাল ও সাংসদের আস্থাভাজন হিসেবে পরিণত হন নাজমুল আলম স্বপন। অতঃপর ২০১৫ সালে যুবলীগের নির্বাচিত সভাপতি এবং সমাঝোতার ভিত্তিতেই দলীয় মনোনয়ন পেয়ে কচুয়া পৌরসভায় প্রথম নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে নির্বাচিত হন। অবশ্য কচুয়া উপজেলার জনগণ মনে করেন জনাব নাজমুল আলম স্বপন যুবলীগের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই আর রাজনীতিতে পেছনে ফিরতে হয়নি তাকে।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃত্বে চলে আসেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা দুই দুই বারের উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব শাহজাহান শিশির এবং জনাব নাজমুল আলম স্বপন। এই সফল দুই তরুণ নেতৃত্ব পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগ যুবলীগ সাংসদের এক বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ডে পরিনত হয়।উপজেলায় স্মরণ কালের সেরা ছাত্র রাজনীতি দেখে এই তরুণ কাণ্ডারিদের মাধ্যমে।  এক সময় উপজেলার রাজনৈতিকরা দাবী করেছিলেন জনাব শাহজাহান শিশির উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি হলে জনাব নাজমুল আলম হতে পারেন সাধারন সম্পাদক এবং এমন একটি প্রস্তাব সাংসদের কাছেও ছিল বলে জানান উপজেলা আওয়ামীলিগের এক প্রবীন নেতা। কিন্তু বিধিভাম নির্বাচিত শাহজাহান শিশিরকে তুচ্ছ ঘঠনাকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ মহল মাইনাস করার ষড়যন্ত্র লিপ্ত থেকে জেল ও একের পর এক সিরিজ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে যা উপজেলার জনগণের কাছে খুবই বেদনা ও পীড়াদায়ক বলে ইতিমধ্যেই পরিলক্ষিত হয়।
বঙ্গবন্ধু কন্যা গত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে সাবেক এন বি আর চেয়ারম্যান ও সচিব গোলাম হোসেন কে দল থেকে মনোনয়ন প্রদান করলেও অতঃপর দ্বাদশ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সাংসদকে গত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আবারও সুজুগ প্রদান করেন। যদিও আগামী নির্বাচনে নিজেকে জ্বালিয়ে নিচ্ছেন সেলিম মাহমুদ, কিন্তু দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে এই কেন্দ্রীয় নেতার বিরুদ্ধে।
চাঁদপুর কন্ঠে প্রকাশিত- আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে কচুয়া পৌরসভা নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন কচুয়া পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ততই তুঙ্গে উঠছে। নির্বাচনকে ঘিরে পৌর এলাকার চায়ের স্টল ও রেস্টুরেন্টগুলোর বেচা-বিক্রি পূর্বের চেয়ে অনেক বেড়েছে। পৌর এলাকা ছাড়াও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের ইউনিয়নগুলোতে।

কুয়াশা ও শীতের মধ্যে প্রার্থী, প্রার্থীদের নিকট আত্মীয়-স্বজন এবং কর্মী-সমর্থকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোট প্রার্থনায় ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। দুপুর ২টা হলেই মাইকের প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠে পৌর এলাকা। মাইকিং ছাড়াও কেউ কেউ করছেন পথসভা, আবার কেউ কেউ করছেন উঠোন বৈঠক। দিচ্ছেন উন্নয়নের নানান প্রতিশ্রুতি। চায়ের টেবিল, দোকানপাটে প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। হচ্ছে চুলচেরা বিশ্লেষণ_ কে হচ্ছেন কচুয়ার পরবর্তী পৌর পিতা।

আওয়ামী লীগ থেকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র নাজমুল আলম স্বপন নৌকার টিকিট পেলেও মোবাইল প্রতীক নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা আহসান হাবীব প্রানজল। তবে নৌকার মনোনীত প্রার্থী নাজমুল আলম স্বপনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও শোডাউন বেশ চোখে পড়ার মতো।

একক প্রার্থী হওয়ায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং দুবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র হুমায়ুন কবির প্রধান। তবে মাঠে ময়দানে তাঁর নির্বাচনী পোস্টার, ফেস্টুন ও মাইকিং কিংবা উঠোন বৈঠক দেখা যায়নি।

পৌরসভার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারে কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র নাজমুল আলম স্বপন নৌকা প্রতীক পেয়েছেন এবং এলাকায় তার জনপ্রিয়তা ও অনেক সুখ্যাতি রয়েছে। এছাড়া তাঁর পরিবারের সবাই পৌর এলাকায় প্রতিষ্ঠিত। তাঁদের বহু আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন যারা পৌর নির্বাচনে ভোটার। তিনি শনিবার পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গণসংযোগ ও উঠোন বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

গণসংযোগের এক ফাঁকে নৌকার প্রার্থী সাবেক মেয়র নাজমুল আলম স্বপন এ প্রতিবেদককে জানান, কচুয়ায় নৌকা প্রথীকের বিজয়ের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। এবারও নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কচুয়া পৌরসভাকে ডিজিটাল ও মডেল পৌরসভায় রুপান্তরিত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি নৌকার বিজয়ে শতভাগ আশাবাদী।

পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আকতার হোসেন সোহেল ভূঁইয়া বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার মার্কা নৌকা। নৌকার প্রার্থী নাজমুল আলম স্বপনের বিজয় নিশ্চিত করতে পৌর এলাকার তৃণমূলে সকল নেতা-কর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে যেভাবে কাজ করছে, আমার বিশ্বাস বিপুল ভোটে নৌকা প্রার্থীর বিজয় হবে।

অপরদিকে আহসান হাবীব প্রানজল মোবাইল প্রতীক নিয়ে মেয়র প্রার্থী হওয়ায় তরুণ ভোটারদের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রজীবন থেকেই দীর্ঘদিন আওয়ামী ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে দলে রয়েছেন। কর্মজীবনে তিনি একজন ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, আওয়ামী রাজনৈতিক জীবনে বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও হীন রাজনৈতিক চক্রের বিরোধিতা করেছেন সব সময়ই। তাই আহসান হাবীব প্রানজল নির্বাচনে দাঁড়িয়েই পৌর এলাকার ভোটারদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। অনেক ভোটার তার মোবাইল ফোন মার্কার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তাই আসন্ন পৌর নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সকল ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন ৩জন প্রার্থী। সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে ৮ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯টি ওয়ার্ডে ৪৪ জন প্রার্থী লড়ছেন। কচুয়া পৌরসভার মোট ভোটার সংখ্যা ১৯ হাজার ৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ হাজার ৬২৩ জন ও মহিলা ভোটার ৯ হাজার ৪৭৬ জন। মহিলার চেয়ে পুরুষ ভোটার ১৪৭ জন বেশি।

এদিকে নির্বাচনের তারিখ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে ভোটের উত্তাপ। সাধারণ ভোটাররাও প্রত্যাশা করছেন সুষ্ঠু নির্বাচন। শেষে বিজয়ের হাসি কে হাসেন সেজন্যে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে।