মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা উপাচার্য থেকে শুরু করে হাইব্রিড ও কর্পোরেট কমিটির অভিযোগ,মূলত আওয়ামী লীগের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ উপ কমিটি-সেলিম মাহমুদ

কচুয়ারডাক অনলাইন ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটি অনুমোদন করেছেন। এটি মূলত আওয়ামী লীগের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ উপকমিটি-ড. সেলিম মাহমুদ

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ইতোপূর্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার ড. সাইদুর রহমান খানকে এই উপকমিটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং আইন ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. সেলিম মাহমুদকে এই উপকমিটির সদস্য সচিব মনোনীত করেছেন।

উপকমিটির সদস্যরা হলেন- অর্থনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি এমপি, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআইয়ের ট্রাস্টি নসরুল হামিদ এমপি, জাকিয়া পারভিন খানম এমপি, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য গোলাম রাব্বানী চিনু, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দীন, অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. এসএম মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, বিজিএমইএ’র প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেলালুদ্দীন নিজামী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য ও ভূতত্ত্ববিদ ড. মাকসুদ কামাল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র, সমাজবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইসতিয়াক রেজা, নৌ পরিবহন বিশেষজ্ঞ ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুল আলম প্রধান, ড. প্রণব কুমার পান্ডে, ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. মো. শাহজাহান, ক্রিয়েটিভ ক্রাউডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নওশের রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. অসীম সরকার, চিকিৎসক ডা. জাহানারা আরজু, অধ্যাপক ড. শবনম জাহান, সাংবাদিক কাজী হেমায়েত হোসেন, গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শবনম আজিম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান, ইত্তেফাকের প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক তারিন হোসেন মঞ্জু, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, সাংবাদিক আশরাফুল আলম খোকন, ব্যারিস্টার সৌমিত্র সর্দার, অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক আসিফ, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ আদনান ফাহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবিএম আশরাফুজ্জামান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার, অ্যাডভোকেট শওকত আলী পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট আরেফা পারভীন তাপসী, একেএম সাজ্জাদ হোসেন শাহীন, অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মিঠু, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, আমেনা কোহিনুর, অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা, এসএম এনামুল হক আবীর, নাজমুল ইসলাম তুহিন, জিয়া উদ্দিন আহমেদ ভুইয়া, রাশিদুল বাশার ডলার, মোহাম্মাদ এমদাদুল হক, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, সাকিবুর রহমান শরিফ কনক, মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, গাজী আহানাফ সাকিব, ডা. হোসাইন ইমাম, ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান হেভেন, সৈয়দ আবু তোহা, মাসুদ পথিক, আরিফ সোহেল, রায়হান কবির, রকিবুদ্দিন আহমেদ ঢালী, মাসুদ পারভেজ, হাসানুজ্জামান লিটন, সাংবাদিক মামুন অর রশিদ, লিপন মন্ডল, এসএম রেজাউল হাফিজ রেশিম, মোস্তাফিজুর রহমান জাহান, সারোয়ার মামুন চৌধুরী, মো. রাজীব হোসেন, আলমগীর হোসেন, জামান সিকদার ও সোহেল তালহা, কাজী এনামুল হক শামীম, হাবিব মজুমদার জয়, সাইদুল ইসলাম বাদল, সোহাগ মিয়া, কামরুজ্জামান মজুমদার প্রমুখ।

এছাড়া সারা দেশে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য বেশ কয়েকজন সাবেক ছাত্র ও যুব নেতাকে এই উপকমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এইসব ব্যক্তি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণে এই উপকমিটি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ডাটাবেজ টিমকে সার্বিকভাবে সহায়তা করবেন। এই ক্যাটাগরিতে যাদেরকে সদস্য করা হয়েছে, তাদেরকে পর্যায়ক্রমে চিঠির মাধ্যমে জানানো হবে বলে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ জানিয়েছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা উপাচার্য থেকে শুরু করে হাইব্রিড ও কর্পোরেট কমিটির অভিযোগ,মূলত আওয়ামী লীগের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ উপ কমিটি-সেলিম মাহমুদ

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম ফেবুকে স্ট্যাটাসে লিখেন-
মাননীয়রা আপনাদের উপ কমিটি দেওয়া শেষ হইলে দয়া করে
একটা প্রেস রিলিজ দিয়া জানাইয়েন যে একটি সফল কর্মযজ্ঞের (চেইন অফ কমান্ড ভঙ্গের খেলা ) সমাপ্তি হয়ছে তাইলে আমরাও যারা আমকর্মী আছি অর্থাৎ অভিনন্দন পার্টি আমরাও আমাদের অভিনন্দন জানানো ক্ষান্ত দিতে পারবো ।
ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি অভিনন্দন জানাতে জানাতে ।
নেতার নেতা, তার নেতা,নেতা,নেতার কর্মী, কর্মীর কর্মী, জীবনে প্রথম পদ ওয়ালাদের দেখতে দেখতে হ-য-ব-র-ল লাগতাছে ।
খালি একটা উদাহরন দেই পাবলিক বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য লেবেলর একজন শিক্ষকও উপকমিটির মেম্বার ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি/সাধারন সম্পাদকও মেম্বার আবার আমাদের দুই কমিটির পরের কমিটির নেতাও একই ক্যাটাগরির মেম্বার আবার কারও কারও বাসার ব্যক্তিগত লোকও মেম্বার ,আবার কারও কারও নিজের গ্রুপ ভারী করার জন্য ইউনিয়ন লেবেল থেকেও মেম্বার করেছেন ।
আমরা অভিনন্দন জানাতে জানাতে ক্লান্ত!!!!!!
আবারও সবাইকে অভিনন্দন
কারন দলীয় সিদ্ধান্ত অপছন্দ হইলেও মানতে বাধ্য

( যুগান্তর)