চাঁদপুর কচুয়ায় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের অবহেলায় এক সেচ প্রকল্প চালকের চিঠী

কচুয়ারডাক ডেস্ক:মাননীয় প্রধানমন্রীর উদেক ঘরেঘরে বিদ্যু আমি আওমীলীগের একজন করমি হিসাবে এই উদেকে ধ্যানবাদ জানাই কিন্তু এই বিদ্যু পেতে ১০থেকে১৫হাজার টাকা লাগে এর নিছ কোনো সাধারন লোক বিদ্যুপায়েনা একজন রিকসা চালক এই টাকাটা দিতে পারেনা সেকি এই উদেকের আওতা পরে জদি পরতো তাহলে সে ফি বিদ্যু পেতো জেমন আমি একটা সেচ প্রক্লপ চালাই ২।৪।২০১৬তারিখে ২টা ট্যাচফারমার কিনে আনতে হয় বাদ্যহয়ে পলি বিদ্যুতের আইন এ কেমন আইন গত১৫।৪।২০১৮ তারিখে ভজরো পাতে একটি ট্যাচফারমার নস্ট হয়েজায়ে তারপর আমি বিদ্যুত অপিসে জোগাজো করি করার পরে আমাকে বলে ৩০হাজার টাকা দিলে আরেক টি ট্যাচফারমার দিবে নাহলে তাদের কিছু করার নাই তা হলে আমার প্রশ্ন এটা কেমন আইন জে সেচ প্রক্লপে৬০থেকে ৭০ মেট্রিটন ধান উতপানো হয়ে ধানের পশল নস্ট হয়ে গেল পলিবিদ্যুত অপিসের কিছু করার নাই তাহলে এই দেশে উদেক নিয়ে কি জনগনে লাব হবে হতো আমি টাকা জমা দিতে পারলামনা সরকারে তো কিছ হবে না জা হবে কূশকের হবে সরকারি আমলাদের কিছু হবেনা কারন তাদের বেতন বারছ কূশকরাই মরছে তার পরও আমরা উনত দেশে তালিকা আমাদের নাম উটছে নাখেয়ে থাকলে জারা রিকশা চালয়ে জারা দিন মুজুরি দেয়ে জারা কূশক তারাইনা নাখেয়ে মরবে সরকারি আমলা তাদের তো কিছু হবেনা তারাতো ঠিকে উনত এই আমার দেশের উদেক এসুব নিয়ে বাবারকেউ নাই থাকলে এই দেশের আইন এমন হতোনা। আমি অতো পরাশোনা জানিনা তারপরো এই প্রশ্ন গুলু আমারবিবেকে এটাই আসে জে কতোটা উনত বুলতুটি খমা করে দিবেন কারোন আমার লেখা হতো অনেক বুল হতেপারে জদি আমার ২ই১কটি কথা বালো লাগে এই কথাগুলু সেয়ার করবেন হতো এই লেখা গুলু কোনো নেতার হাতে বা নেএীর হাতে পরতে পারে জাতে খেটে খাওয়া মানুষের কথা বাবে পলিবিদ্যুতের এই আইন নিয়ে জেনো একটু বাবে সুনিছি কৃশক বাছলে দেশ বাছে এই কথাটা শতি হলে আমাদের সেচের বিশয়েটা দেকবেন। পাঠকদের উদ্দেস্যে হুবহু তুলে ধরা হল,লেখক: ইমাম, কাদলা উত্তরপাড়া , কচুয়া, চাঁদপুর।

409 total views, 1 views today

মন্তব্য করুন।

Please enter your comment!
Please enter your name here