রনিদের মত প্রতিবাদী হলেই সমাজে অন্যায় অত্যাচার ও শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব

সম্পাদকীয় কচুয়ার ডাকঃ বাংলাদেশ ছাত্রলীগে রনিদের চাঁদাবাজি করার জন্য সশরীরে গিয়ে গায়ে হাত তুলতে হয় না বরং পেশাদার চাঁদাবাজদের প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠার আগেই চাঁদার টাকা টেবিলে আসতে হয়! পেশাদার চাঁদাবাজরা গিয়ে কাউকে মারতে হয় না সব চাঁদাবাজরা নীরবেই চাঁদা তুলে নেন?
চট্রগ্রামে রনির পদত্যাগ,অব্যাহতি বহিস্কার আর ঢাকা এশার বহিস্কার,অতঃপর তদন্তঃ ,বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ইত্যাদি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কোথায় যেন ব্যর্থতার আবাস পাচ্ছি ।
রনি আজ নিজের হাতে আইন তুলে নিলেন কিংবা আজ সারা বাংলাদেশ রনি ও এশার পক্ষে তার কারন কিন্তু আছে।
আমি আগেই মাজে মধ্যে বলার চেষ্টা করেছি রাষ্ট্রের সব অর্গানের কাজ ঠিক মতো হলে রনিদের আজ অধ্যাপক কিংবা কোচিং ব্যাবসায়ীদের গিয়ে মারতে হয় না। আর আমরা সব সমস্যার সমাধানের জন্য একমাত্র প্রধানমন্ত্রীকেই বেঁচে নেই কিন্তু কেন আমাদের কি দায়িত্তবোধ বলতে কিছু নেই?
আজ বাংলাদেশে আনাচে কানাচে রনিদের মত প্রতিবাদী হলেই সমাজে অন্যায় অত্যাচার ও শিক্ষার ম্যান উন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছি। আর না হয় দেশ ও সমাজ ব্যবস্থা নীরব চাঁদাবাজদের হাতেই বন্ধি হয়ে থাকবে।
আর তা থেকে উত্তরণের পথ হাজার হাজার রনিদের প্রতিবাদী হয়ে উঠতে হবে, তবেই এসব অন্যায় অনিয়ম দেশ ও সমাজ থেকে দূর করা সম্ভব।
চট্টগ্রামের রনির দুই দুইটি ঘটনা চাঁদাবাজ ও অন্যায় কে উৎসাহিত করবে না বরং চাঁদাবাজ অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আজ চট্রগ্রামে আতঙ্কের শহর!

বিঃদ্র : প্রতিবাদী মানে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া নয়, রনি নিজের হাতে আইন তুলে নিলে কিংবা অন্যায় কাজে জড়িত থাকলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
লেখক: প্রধান সম্পাধক কচুয়ার ডাক।

273 total views, 1 views today

মন্তব্য করুন।

Please enter your comment!
Please enter your name here