রক্তচোষা রোস্তমআলীর ছেলে সেলিম মাহমুদও কচুয়ার এম পি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন!

কচুয়ার ডাকঃ কচুয়ার জননেতার পক্ষে ১/১১ এর উল্লেখযুগ্য যারা অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ছিলেন তাদের মধ্যে একজন মরহুম হয়েছেন, একজনের মাথা ফেটেছে , আরেকজন প্রতিনিয়ত মামলা হামলার নিয়তি নিয়েই আদালতের প্রাঙ্গনে দৌড়াচ্ছেন, আরেকজন এপিএস পদ খুইয়েছেন।
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস অথচ এই লোকগুলুই আজ সভাপতি ,উপজেলা চেয়ারম্যান ,পৌর চেয়ারম্যান হওয়ার কথা ছিল।
জননেত্রী শেখ হাসিনা ১/১১এ ত্যাগীদের মূল্যায়ন করলেও কচুয়াতে ঘটছে তার বিপরীত। সম্প্রতি সেলিম মাহমুদ কচুয়ার জননেতার পক্ষে নির্বাচিনী প্রচারণায় অংশ নিলেও ১/১১ তার ভূমিকা ছিল প্রশ্নাতীত, তিনি তখন মাইনাস খানের পক্ষেই জনমত তৈরি করতে ব্যস্ত ছিলেন বলে অভিযুগ রয়েছে,২০০৮ সালেও নৌকার টিকেট পেতে তদবির করেছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা ও আওয়ামীলীগের অর্থ-উপকমিটির সদস্য ।
তার বাবা রোস্তম আলীর বিরুদ্ধেও ছিল চাকুরীকালীন সময়ে পাহাড়সম অভিযুগ। তিনি চাকুরী কালীন সময়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছিলেন তার বাবাকে সবাই রক্তচোষা রোস্তম আলী বলতে ডাকতো চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন| তিনি যে কলেজ দিয়েছেন তার সমুদয় কোটি কোটি টাকা কর্মচারীদের বেতন তহবিল থেকে চাঁদা তুলে নিয়েই নিজের নাম কলেজ দিয়েছেন বলে অভিযুগ রয়েছে আর প্রতিষ্টাতা হয়েছেন আজকের সেলিম মাহমুদ। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর সেলিম মাহমুদ যোগ দেন টাকা বানানোর আরেক মিশনে ,হয়ে যান ব্যাংকের পরিচালকও, বাংলাদেশ এনার্জি রেজিলেটরি কমিশনের দায়ীত্ত পেয়ে বনে যান অদৃশ্য শত কোটি টাকার মালিক।কচুয়ার সংসদ হয়ে ইকোনোমিক জোন গঠনেরও স্বপ্ন দেখছেন কচুয়ার এই কৃতি সন্তান।
সব মিলিয়ে কচুয়াতে যারাই খানের কাছে ভিড়েছেন সময়মতো সুবিধা ভোগ করে কেটে পড়েছেন, এখণ দেখার সেলিম মাহমুদ আর কতদিন থাকেন তা নিয়ে চলছে কচুয়ার চায়ের দোকানে চূলচেরা বিশ্লেষণ। অপরদিকে সঠিক মূল্যায়ন না পেলে ১/১১ যারা খানের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ছিলেন তারা হতে পারে আগামী একাদশ নির্বাচিনে গলার ফাঁশ ……চলবে

মতামত প্রধান সম্পাদক কচুয়ার ডাক

1,370 total views, 1 views today

মন্তব্য করুন।

Please enter your comment!
Please enter your name here