কচুয়া উপজেলার প্রতিটি গ্রামে মাদক ও ইয়াবা ব্যাবসায়ীদের অত্যাচারে মানুস ছিল অতিস্ট-টি এম অঞ্জন

কচুয়ার ডাক টি এম অঞ্জন:সারা বছর ধরে দেখলাম চাদঁপুর কচুয়া উপজেলার প্রতিটি গ্রামে কমবেশী মাদক ইয়াবা নেশা খোরদের দৌরাত্ব। তাদের অত্যাচার মানুষ ছিল অতিষ্ঠ! তারাই দিনের বেলা থাকতেন এলাকার মাতাব্বর,মোড়ল, নেতা হয়ে আর রাতে হয়ে যেতেন নেশাখুরী গডফাদার! ক্ষমতার ছত্রছায়ায় না থাকলে নাকি মাদক ব্যবসা করা যায় না, তাই কচুয়ার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরাও ক্ষমতার দাপটে চলতেন।মাদক অস্ত্র অর্থ এ তিনের একটা সম্পর্ক আছে! বিড়াল যেমন কাঁটা দেখলে মিউ করে জনসমর্থন শূন্য নেতারাও এদেরকে তোয়াজ করে,ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এদের উপর নির্ভর করে।কারন নেশায় মাতাল এসব লোক অস্ত্র অর্থের জোড়ে যে কোন অপকর্ম করতে পারে।মাদক বিরুধী অভিযান শুরু হওয়ার পর কচুয়ার পুঁচকে নেশাখোররা মাদক না পেয়ে জুড়ছে অন্যদিকে মাদকের ডিলাররা দেশে বিদেশে হোটেল বাড়ীতে আরাম অায়েশ করছে।মারা যাচ্ছে সাধারন বাবুলরা! তবে কি শুধু দু চারটা নেশাখোর ধরার জন্যই এ অভিযান না কি ডিলার গডফাদার দেরও ধরা হবে? একটা ডিলার এক হাজার নেশাখোর ধরার সমান নয় কি? তবে কবে ধরা হবে? যে ক্ষমতাবানের চাপের কারনে কচুয়ার মাদক ডিলার গডফাদারদের ধরতে পারছেন না, তাকে কি বলবেন? মাদকের সুপার গডফাদার? সাচার কচুয়া রহিমানগর কেন্দ্রীক মাদক ডিলারদের কে না চেনে? পুলিশ ভাইয়েরা চিনে না? কোথায় তারা আজকাল? এদের ধরুন। এরা কোন রাজনীতি বা সংগঠন করে না! দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দেশ ধ্বংস করছে।অতএব কচুয়ার বদিদের ধরুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক প্রভাবমুক্ত থেকে দেশকে মাদকের অভিশাপ মুক্ত করুন।

337 total views, 1 views today

মন্তব্য করুন।

Please enter your comment!
Please enter your name here