কচুয়া প্রশাসনের হাত, আইনের হাত এবং গোলাম হোসেনের হাত কত লম্বা তা দেখল চাঁদপুর,কচুয়া ও দেশবাসী

বিশেষ প্রতিবেদক কচুয়ার ডাকঃ প্রশাসনের হাত, আইনের হাত এবং গোলাম হোসেনের হাত কত লম্বা তা দেখল চাঁদপুর,কচুয়া ও দেশবাসী|যারা গতকাল সিলগালা করেছেন তারাই আজ সিল খুলে উম্মুক্ত করে দিলেন ফয়জুন্নেছা হাসপাতালটি| যদিও মামলা হয়েছে এবং বিচারধীন আদলতের নির্দেশ ও আদেশ ছাড়া যেহেতু সিল করা কিংবা বন্ধ করার নিয়ম নেই তাই ১২ ঘণ্টা বন্ধ রাখার জন্য সিভিল সার্জন কচুয়া ও চাঁদপুর কর্মকর্তাগন চাকুরী বরখাস্ত সহ ক্ষতিপুরন গুনতে হতে পারে?

ব্যবস্থাপকের বক্তব্য-
হালিমা খাতুনের মৃত্যূকে কেন্দ্র করে ফয়জুন্নেছা হাসপাতালের বিরুদ্ধে অনভিপ্রেত বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা বিষয়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষের বিবৃতি ও প্রতিবাদ।
প্রিয় কচুয়াবাসী বিগত ২৫.৭.২০১৮ তারিখ রাত ৯:২৮ মিনিটে হালিমা খাতুন নামে এক প্রসূতি বয়স : ৩৫ বছর, স্বামী: শিবির, গ্রাম: দেওকামতা, পো: জোয়াগ,থানা: চান্দিনা,জেলা: কুমিল্লা প্রসব ব্যাথা উঠার পর বাড়ীতে স্থানীয় ধাত্রী দিয়ে ৮-৯ ঘন্টা চেষ্টা করার পর আশন্কাজনক অবস্থায় ফয়জুন্নেছা হাসপাতালে ভর্তি হয়।কর্তব্যরত ডাক্তার রোগীনির অবস্থা সংকটাপন্ন দেখতে পেয়ে রোগীর অভিভাবকদের অবহিত করেন এবং দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন এবং ঝুঁকি সম্পর্কেও জানান। সম্মতি সাপেক্ষে ১০:১৫ সিজার করা হয়।১০:৩০ মি:ভূমিষ্ঠ নবজাতকের আনুমানিক ৩০ মি: পর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে হাসপাতালের নিজস্ব এম্ব্যুলেন্স যোগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করি।পরদিন বিকেল ৫টায় বাচ্চাটির মৃত্যূ সংবাদ জানা
যায়।অপরদিকে বাচ্চাটির প্রসূতি হালিমা হালিমা খাতুন ২৯:০৭.২০২৮ দুপুর বারোটায় ফয়জুন্নেছা থেকে প্রাথমিক রিলিজ নিয়ে চলে যান এবং০৫.০৮.২০১৮ পুনরায় এসে সিজারের সেলাই কেটে রিলিজ নিয়ে চলে যান। তারপর থেকে ০১.০৯.২০১৮ তাং কুমিল্লার একটি বেসরকারি হাসপাতালে হালিমার অকাল মূত্যূর সংবাদ প্রাপ্তি পর্যন্ত ফয়জুন্নেছা হাসপাতাল তার স্বাস্থগত উন্নতি অবনতি সম্পর্কে অবহিত নয়। আমরা স্পস্ট ভাষায় বলছি রোগীনি অত্র হাসপাতালে রুটিন প্যসেন্ট ছিলেন না, তিনি আমাদের হাসপাতালে মৃত্যূ বরন করেন নি,মৃতের সংশ্লিষ্ট অভিভাবক হাসপাতালকে দায়ও দিচ্ছেন না। তথাপিও দূর্ভাগ্যজনকভাবে হালিমা চান্দিনা থানাধীন হওয়া সত্বেও গত ০২.০৯.২০১৮ রাত আনুমানিক রাত ৯টায় নিহতের এক ভাইকে দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় হালিমার অকাল মৃত্যূর ব্যাপারে দু:খজনকভাবে ফয়জুন্নেছা হাসপাতালকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করে। অবস্থা যাই হোক ফয়জুন্নেছা হাসপাতাল গরীব মানুষদের দাতব্য প্রতিষ্ঠান।আমরা নিজেদের নির্দোষ দাবী করছি এবং হালিমা খাতুনের বেদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি,তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি।
বিনীত
ব্যবস্থাপক
ফয়জুন্নেছা দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র ও হাসপাতাল.কচুয়া – চাঁদপুর শ্রী সুজন দাস

ফয়জুন্নেছা হাসপাতাল মালিক পক্ষে পরিচালকের বক্তব্য-এই বিজয় মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের বিজয়,এই বিজয় জনগনের বিজয়,এই বিজয় কচুয়াবাসীর বিজয়।মাত্র বার ঘণ্টার ব্যবধানে প্রশাসন এসে হাসপাতালের তালা খুলে দিলো।

রোগিনী ১ মাস আগে ফয়জুন্নেছায় চিকিৎসা নিয়েছে, ১ মাস পর কুমিল্লা হাসপাতালে ৬দিন ভর্তি থাকার পর মারা যায়। আর মামলা হয় ফয়জুন্নেছার নামে। রোগীর স্বামী, মামা শ্বশুর, চাচার কোনো অভিযোগ নাই, এমনকি ২ তারিখ রোগীর দু-ভাই( গ্রাম কুটিয়া) থেকে এসে আমাদের সাথে কথা বলে সাহায্য চেয়েছিলো। ভিডিও আছে(কৌশল গত কারনে প্রকাশ করছি না)। অথচ উপজেলা চেয়ারম্যন শিশির, কচুয়ার মেয়র স্বপন,এম্পি সাহেব এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোলাম হোসেন ও আমাকে আসামী করে সারাদিন থানা পুলিশ ও রোগীর ভাইকে দিয়ে মার্ডার মামলা করাতে পারে নাই। অবশেষে নিজেদের মান সম্মান বাচানোর জন্য প্রচুর টাকা ব্যায় করে তিন জন ডাক্তার ও একজন নার্সের বিরুদ্ধে ৩০৪/ক-৩৪ ( অবহেলার কারনে মৃত্যু) মামলা দায়ের করে। ব্যাপার হলো- রোগী মারা গেলো কুমিল্লার মনোহরপুর আদর্শ হাসপাতালে, অপমৃত্যু হলে কোতয়ালী থানায় রিপোর্ট ও কুমিল্লা সদর হাসপাতালে পোস্ট মর্টেম হতো? কিন্তু মামলা হয় কচুয়া থানায়, পোস্টমর্টেম হয় চাঁদপুরে। হায়রে কচুয়ার এম্পির রাজনীতি ? আর কত? মাত্র ১৫ টা দিন অপেক্ষা করতে হবে! এখন যারা আলহাজ্জ গোলাম হোসেনের বিরুধীতা করছেন সবাই শেখ হাসিনার নির্দেশে নৌকা মার্কার পক্ষে আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে গোলাম হোসেন সাহেবকে বিজয়ী করার জন্য এই প্রতিবেদকের মাধ্যমে কচুয়া থানা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও কচুয়ার আপামর জনগণ মাঠে কাজ করবেন বলে আমরা ও আমাদের সমরথকদের শান্ত থাকার আহব্বান জানাচ্ছি। জয় বাংলা । উল্লেখ্য কচুয়ার জন গনের আন্দলনের মুখে গত০৩/০৯/২০১৮ ইং তারিখে হাসপাতালটি সিভিল সার্জন কচুয়া ও চাঁদপুর কর্মকর্তাগন সিলসহ বন্ধ করে দেয়া হয় ।

4,319 total views, 1 views today

মন্তব্য করুন।

Please enter your comment!
Please enter your name here