বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানই আমার ব্যক্তিগত জীবনের সেরা পরিচয়,তাই একটু বেশিই গর্ববোধ করছি- এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো প্রধান সম্পাদক কচুয়ারডাক

কচুয়ারডাক: বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানই আমার ব্যক্তিগত জীবনের সেরা পরিচয়,তাই একটু বেশিই গর্ববোধ করছি- এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো প্রধান সম্পাদক কচুয়ারডাক।

চাঁদপুর কচুয়ায় বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী মোহাম্মদ সোলায়মান প্রধান(অব:কচুয়া বি আর ডি বি প্রজেক্ট ও ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কর্মকর্তা) কচুয়া, কাদলা ইউনিয়ন, কাদলাগ্রাম।

আমার বাবার মুক্তিযুদ্ধে সক্রীয় অংশগ্রহন ১৯৭১: বীরমুক্তিযোদ্ধা গাজী সোলায়মান চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার কাদলাগ্রামে এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন পিতা ছিলেন পেশায় একজন সফল কৃষক গাজী ছেরাজউদ্দীন। ১৯৬৮ সালে দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে মেট্রিককুলেশন এবং ১৯৭০-১৯৭৩ সালে চাদঁপুর সরকারী কলেজ বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আই-কম ও বি-কম পাস করেন।
তিনি ১৯৭১ সালে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের ৭ইমার্চের ভাষনে অনুপ্রানিত হয়ে তার আহব্বানেই রনাঙ্গনে ৪নং সেক্টর সিলেট জেলায় (ততকালীন ব্রিগ্রেড কমান্ডার ক্যাপ্টেন লি আহম্মেদ ও জেডফোর্স কমান্ডার সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান) ৮নং বেঙ্গল রেজিমেন্টে অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেন, তার এই অবদান জাতী চিরদিন স্বরন করবে।

পেশাগতদায়িত্ব পালন: যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ সরকারের চাকুরিতে যোগদানের অনেক সুযোগ থাকা সত্তেও তিনি পরিবারের বড়সন্তান হয়ে বাব মা এবং স্থানীয় জনগনের সেবার কথা বিবেচনয়া রেখে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পল্লিউন্নয়ন সংস্থা বি আর ডি বি প্রজেক্ট এর কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে কাজ করে ততকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে বাধ্যতামূলক অবসর গ্রহন করেন।সর্বশেষ ডেল্টালাইফইন্সুরেন্স কচুয়া জোনাল ম্যানেজার হিসেবেও র্দীঘদিন সুনামের সাথে দায়িত্বপালন করেন। তাছাড়া চাকুরীর পাশাপাশি বেভারেজ ও ফার্মেসী ব্যবাসায়ের সাথেও জড়িত থেকে সেবা প্রদান করেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্যারিয়ার: রাজনীতিতে সক্রীয়ভাবে অংশগ্রহন করেন ততকালীন পুর্বপাকিস্থান ছাত্রলীগ ১৯৬৮-১৯৭৩ চাঁদপুর সরকারী কলেজ। বাংলাদেশ স্বাধীনতা আন্দোলনের সুচনালগ্নে গনঅভুথ্যান ছাত্রনেতৃত্ব প্রদান ১৯৬৯।
যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশে ততকালীন কচুয়া থানা রিলিফ কমিটির সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
কচুয়া থানা ছাত্রলীগ,যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের সক্রীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহন, সাবেক এমপি ও এমএলএ কর্মসংস্থান ব্যাংঙ্কের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মরহুম এডভোকেট আ:আউয়াল খন্দকার বিশেষ সহকারী ও স্নেহভাজন হিসেবে কাজ করেন দীর্ঘদিন।
রিলিফ কমটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন ও রিলিফ বিতরন করেন কচুয়া ও কাদলা ইউনিয়ন পরিষদ ১৯৭২।

দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় ও উন্নয়নের ধারাকাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয়পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেন ১৯৮৬।
কচুয়া থানা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি, কচুয়া থানা মুক্তিযোদ্ধা নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি,কাদলা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা নির্বাচিত সভাপতিও কমান্ডার, কাদলা ইউনিয়ন জাতীয়পার্টি সভাপতি, কাদলা সিনিয়র কামিল মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটি সদস্য, কাদলা দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি, কাদলা রঘুনাথপুর হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটি, কাদলা সরকারি প্রাইমারী স্কুল সদস্য, কাদলা গ্রাম দীঘিরপাড় ঐতিহ্যবাহী দরগাহ ঈদগাহর উদ্বোধনী কাজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তার রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনে অত্যান্ত সুনামের সাথে কাজ করেন। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে আমি এ রাজনীতিকের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

26 total views, 1 views today