ডাক পেলেন না মন্ত্রীসভায় ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর আজ অতিথী হয়েই থাকছেন শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে

ডাক পেলেন না মন্ত্রীসভায় কচুয়ার জননেতা ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর আজ অতিথী হয়েই থাকছেন শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে।

অভিনন্দন ৪৬ সদস্যের মন্ত্রীসভায় থাকছেন যারা

পূর্ণমন্ত্রী: ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু), আ হ ম মোস্তফা কামাল (অর্থ), ড. আব্দুর রাজ্জাক (কৃষি), ডা. দীপু মনি (শিক্ষা), আনিসুল হক (আইন ও সংসদ), আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযোদ্ধা), আসাদুজ্জামান খান (স্বরাষ্ট্র), ড. হাছান মাহমুদ (তথ্য), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), বীর বাহাদুর উশৈ সিং (পার্বত্য), ডক্টর আবুল মোমেন (পররাষ্ট্র), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (ভূমি), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার), সাহাবউদ্দিন (পরিবেশ ও বন), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ ম রেজাউল করিম (গৃহায়ন ও গণপূর্ত), নুরুল ইসলাম সুজন (রেল), ইয়াফেস ওসমান (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), মোস্তফা জব্বার (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি)

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন: শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), ইমরান আহমদ (প্রবাসী কল্যাণ), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ ও জ্বালানী), জুনাইদ আহমেদ পলক (আইসিটি), কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌ-পরিবহন), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), ডা. এনামুর রহমান (দুর্যোগ ও ত্রাণ), শ ম রেজাউল করিম, আশরাফ আলী খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম ও কর্মসংস্থান), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), স্বপন ভট্টাচার্য (এলজিআরডি), মাহবুব আলী (বিমান), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কে এম খালিদ (সংস্কৃতি), মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য ও পরিবার), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (ধর্ম)।

উপমন্ত্রী: বেগম হাবিবুন নাহার (পরিবেশ ও বন), এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ), মহিবুল হাসান চৌধুরী (শিক্ষা)।

উল্লেখ্যঃ পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন কচুয়ার জননেতা ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর এই খবরে উচ্ছসিত হয়েছিলেন কচুয়াবাসী। বিশেষ করে তদবিরবাজ ও দালাল চক্রদের সুদিন আবার ফিরে পেতে যাচ্ছে বলে চায়ের কাপে বেশ আলোচনার জড় বইয়ে যায় সারা কচুয়ায়। সরজমিনে দেখা যায় আওয়ামীলীগের লেবাসধারী কিছু দলছুট আর হাইব্রীড দালালদের কাছে হারিয়ে যায় কচুয়ার এক সময়ের ত্যাগীরা অনেকে রাগে দুঃখে বিভিন্ন লোকদের দলে ভিড়াতে ও আওয়ামীলীগের মনোনয়নের চেস্টাও করেন। অভিযোগ রয়েছে ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীরের নাম ভাংগিয়ে নিজেদের মন্ত্রীর ভুয়া প্রতিনিধি  পরিচয় দিয়েও হাতিয়ে নিয়েছে একটি দালালচক্র কোটি কোটি টাকা। কচুয়া, চাঁদপুর ও ঢাকায় শুদু তদবির বানিজ্য করেই সম্পদের পাহাড় আর ফ্লাট,প্লট, অট্টালিকা ঘরেছেন অনেক হাইব্রিড ও দালাল চক্র।

তারই ধারাবাহিকতায় কচুয়ায় সর্ব কালের সেরা গ্রুপিং আওয়ামী রাজনীতীর জন্ম হয় কচুয়ায়। ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার পরাজয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রাথীর বিরুদ্ধে বিশেধাগার তুলে থানা আওয়ামীলীগের সাংবাদিক সম্মেলন ও ঝাড়ু মিছিল  দিয়ে কচুয়াকে দেশে বিদেশে প্রকাশ্যে হেয় প্রতিপন্ন করে গ্রুপিং জানিয়ে দেয়া তা কচুয়ার জন্য কোনভাবেই দুর্নাম ছাড়া সন্মান বয়ে আন্তে পারে নি । রাজনীতীতে গ্রুপিং থাকবে তা স্বাভাবিক কিন্তু গ্রুপিং এমনটি তা কাম্য নয়। আওয়ামিলীগ করেও হাজার হাজার আওয়ামীলীগের নেতা  কর্মীরা মামলা, হামলা ও হয়রানির স্বীকার হয়ে অনেকেই বাড়ি ছাড়া, ঘর ছাড়া।

কিন্তু বিধিবাম এবার মন্ত্রিত্তের ডাক পেলেন না ডঃ খান বেশিরভাগ পুরাতন নেতা ও দুইবার আগে মন্ত্রী হয়েছেন এমন অনেকেই এবার বাদ পড়েছেন, তদবিরবাজদের কিছুটা হলেও ধাক্কা লেগেছে।

আসছে ঊপজেলা নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে হতে যাচ্ছে কচুয়ার উপজেলা নির্বাচন।  বি এণ পি না আসলে তা আওয়ামীলীগের প্রাথিদের মাঝেই তুমুল লড়াই করে জিতে আসতে হবে বলে এখন থেকেই মাঠে নামছে প্রাথীগন।

কচুয়ার জননেতা এর আগেও ১৯৯৭ সালে আওয়ামীলীগের পরিকল্পনা সহ পাঁচটি এবং ২০১৩ সালে হোম মিনিস্টাররের দায়ীত্ত পালন করেন।

কচুয়া আসনে টানা তৃতীয় বারের মতো জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক এম্পি হয়ে যান  ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীক নিয়ে ১৯৬৮৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ৭৭৫৯ ভোট।

রোববার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত কচুয়া আসনের ১০৮ টি কেন্দ্রে একটানা ভোটগ্রহণ চলে। রাতে বেসরকারি ভাবে মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষনা করেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার নীলিমা । এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৫ হাজার ৯‘শ ৬৬ জন।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর। এরপর তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচনে একই দলের মনোনয়নে দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হন। চলতি একাদশ নির্বাচনে তৃতীয় বারের মতো দলীয় মনোনয়ন পান এবং টানা তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

68 total views, 1 views today