আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কচুয়ায় রাজনৈতিক মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে

 

কচুয়ার ডাকঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে কচুয়ায় রাজনৈতিক মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে।
কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে (২য় ধাপে)। এ বৎসরও এ উপজেলার মার্চের শেষ নাগাদ অথবা এপ্রিলের প্রথম দিকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত আছেন শাহজাহান শিশির এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে এ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন (প্যানেল চেয়ারম্যান) ও সালমা সহিদ।
নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা চুপচাপ থাকলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। মাঠে ময়দানে আলোচনা থেকে যাদের সম্ভাব্য নাম পাওয়া যায়, তাতে দেখা যাচ্ছে- উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হচ্ছেন- বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশির, ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, ২০০৯ সালের নির্বাচিত চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আইয়ূব আলী পাটোয়ারী এবং ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ-সম্পাদক ইমাম হোসেন মজুমদার মেহেদী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জিএম আতিকুর রহমান, ৮নং কাদলা ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লালু, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আব্দুল জব্বার বাহার, উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক ও আহসান হাবিব প্রানজল।

পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক শাহজালাল প্রধান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ রবিউল ইসলাম রাসেল ও সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হাবিব মজুমদার জয়। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি সালমা সহিদ, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তাসলিমা চৌধুরী, সহসভাপতি হাসিনা আক্তার মঞ্জু, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী সুলতানা খানম ও যুব মহিলা লীগের অন্যতম প্রভাবশালী নেত্রী শ্যামলী খান।

এদিকে বর্তমানে যারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন এবং সাবেক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান গন ক্ষমতায় থেকে কতটা কি কাজ কর্ম করেছেন, দলীয় আদর্শে নিষ্ঠাবান থেকে দলের জন্য কে কতটা অবদান রেখেছেন এবং নতুন প্রার্থী হিসেবে যারা এগিয়ে আসছেন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য, আর এ লক্ষ্যে গ্রুপিং লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন তারা দলের জন্য কে কি করছেন নেতা-কর্মীরা প্রার্থীদের এসব সামগ্রিক কর্মকান্ডের চুলচেরা বিশ্লেষন করে চলছে। যে প্রার্থীরা নেতা-কর্মীদের মন জয় করতে সক্ষম হবে তথা দলীয় আদর্শে থেকে দলের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করছেন এমনটি স্পষ্ট হয়ে উঠবে- তারাই মনোনয়ন পাবেন বলে অভিজ্ঞ মহল ধারনা করছেন।

196 total views, 2 views today