কচুয়া আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী তৈরী করে তরীকুল ইসলাম মুন্সী, রফিকুল ইসলাম লালুরা আর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হয় অতীথিরা

কচুয়া আওয়ামীলীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী তৈরি করে তরীকুল ইসলাম মুন্সী, রফিকুল ইসলাম লালুরা আর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হয় অতীথিরা!(মতামত দিন পড়ুন ভাবুন)

 

কচুয়া আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পরিবর্তন হয়তো এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। বিশেষ করে বংগবন্ধুকে পরিবারসহ হত্যা করার পর যে সকল সিনিয়র নেতৃবৃন্দ দলের ফোঁড় খাওয়া 90,96 এর আগে কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও উপজেলা পরিষদে অংগ সংগঠনকে নেতৃত্ব দিয়ে দলকে টিকিয়ে রেখেছেন তারা আজ অনেকেই দর্শক।মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছিলেন- “আওয়ামীলীগ একটি অনুভূতির নাম” সেই অনুভূতিকেই বা আমরা আজ কজনই লালন পালন করি’

বংগবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে  জেলখানায় হত্যার পর কচুয়া আওয়ামীলীগের দুর্দিনে বিশেষ করে 90,96 এর আগে যাঁরা কর্মী তৈরি করেছেন দলের জন্য মাথা ফাঁটিয়েছেন শত নির্যাতন সহ্য করেছেন,বিএনপি-জামাত জোটের মামলা হামলা হয়রানি ও 96 পরবর্তী মিলনের সন্ত্রাসী বাহিনী ধারা আক্রান্ত ও নির্যাতিত হয়েছেন,জীবন ও মৃত্যুর পথ থেকে যারা বেঁচে এসেছেন, শত প্রতিকূলতার মাঝেও যারা দেশ,জেলা,থানা, ইউনিয়ন ও গ্রাম ছেড়ে ঢাকা কুমিল্লা ও শহরে কিংবা বিদেশে পাড়ি জমাননি,বিএনপি- জামাতের সাথে আঁতাত করেননি, গত তিন টার্মে দল ক্ষমতায় আসার পরও দলীয়ভাবে দুই একজন ছাড়া তাদের অনেকেই তুলনামূলকভাবে কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগে তেমন মূল্যায়ন হয়নি, না পেয়েছে কাংখিত পদ না পেয়েছে চেয়ার। আওয়ামীলীগ করলে দল এক সময় মূল্যায়ন করবে তা সত্য কিন্তু কচুয়া উপজেলার ক্ষেত্রে তা আদৌ হয়ে উঠেনি।

মূল্যায়িত হয়েছেন কিছু হোমারা চোমড়া, অর্ধ শিক্ষিত হিংস্রীত দানব, হাইব্রিড, ভূইফোর, তদবীরবাজ ঢাকা ও কুমিল্লার অতীথি, বিদেশ ফেরত্, আত্ম মর্যাদাহীন দলছূট দালালরাই।

কচুয়া আওয়ামীলীগে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বংগবন্ধুর আদর্শ ও দলীয় আদর্শ উদ্দেশ্য সমুন্নত রাখতে আগামীতে দলের কাউন্সিল এবং আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের কাউন্সিল ও তৃনমুল ভোটের
মাধ্যমে আওয়ামীলীগের কমিটি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যানের তালিকা করা এখন অপরিহার্য বটে।

অতীতের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একক সিলেকশনে প্রার্থীদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটেনি বরং রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের জন্ম হয়েছে এভাবে চলতে থাকলে পাশের থানা থেকে কেউ এসে জনপ্রতিনিধি হতে চাইলেও তা হজম করে নিতে হবে।

নেতৃত্বের বিকাশ সিলেকশনে না হয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত বলে তা এখন কচুয়ার তৃনমুল আওয়ামীলীগের সময়ের দাবী।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের পদ ও চেয়ার প্রত্যাশিতদের প্রতি শুভ কামনা রইলো।

সম্পাদকীয় বিশেষ প্রতিবেদন

226 total views, 1 views today