নুসরাতের জবানবন্দীতে সোনাগাজী থানা কর্মকর্তার ভাষাগত ও প্রশ্নগত ভাষা অসদাচরণের শামিল নয় কি?

সিরাজের কাছে যৌন হয়রানির পর যখন নুসরাত থানায় অভিযোগ করতে যায়,তখন তাকে ভাষাগত ও প্রশ্নগত ভাবে আরেক ধফা ধর্ষণ হতে হয় সোনাগাজীর এই ওসির কাছে।

তিঁনি হলেন ফেনীর সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন যাকে ৯ এপ্রিল ত্যাহার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই সদস্য পুরো পুলিশ বাহিনীর গায়ে কলঙ্ক লেপন করেছে।

এই ওসি নিয়ম ভেঙে জেরা করতে করতেই নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। মৌখিক অভিযোগ নেওয়ার সময় দুই পুরুষের কণ্ঠ শোনা গেলেও সেখানে নুসরাত ছাড়া অন্য কোনও নারী বা তার আইনজীবী নুসরাতের সাথে রাখতে দেয়নি।

এবার বুঝুন, ধর্ষক জামাত নেতা সিরাজ-উদ-দৌলা কেন হাজারো অপরাধ করার পরেও বিচারের মুখোমুখি হয়নি। শুধু নোংরা রাজনীতিবিদরাই সিরাজুদৌল্লাকে সেল্টার দেয়নি, দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় ভাগ বাটোয়ারা করে খাওয়া পুলিশ কর্মকর্তাও।

অযোগ্যকে যোগ্যতার চেয়ার প্রদান করলে জাতির কপালে সর্বনাশ ছাড়া আর কিছু আশা করা কঠিন।

আমি এই পুলিশ কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনকেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

শুধু প্রত্যাহার করা কোন শাস্তি হতে পারেনা,দুদিন পর আবার তাকে কোন থানায় পাঠানো হবে,আবার অপরাধীদের প্রশ্রয় দিবে,পুলিশের এমন অপরাধের জন্য কঠিন শাস্তির বিধান করা হোক।

ফেসবুক ডেস্ক থেকে

34 total views, 1 views today