কচুয়ার আল ফাতেহা দারুল ইসলাম মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ধস নেমেছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কচুয়া উপজেলার একটানা বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দাখিল পরীক্ষায় ফলাফলে শীষর্ স্থানে থাকা কচুয়া প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আল ফাতেহা দারুল ইসলাম মাদ্রাসা এ বৎসরের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ধস নেমেছে। এ ধস নামায় অভিভাবক মহল বিস্মিত হতবাক ও ক্ষুব্দ। হঠাৎ এ প্রতিষ্ঠানের ফলাফলে বিপর্যয় দেখা দেওয়ায় এর কারন খুঁজে পাচ্ছেনা অভিভাবক মহল।
কয়েকজন অভিভাবক জানিয়েছেন- প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনায় পূর্বের ন্যায় শিক্ষকরা আন্তরিকতা ও ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেনা।
কয়েকজন শিক্ষক জানিয়েছেন- মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হাই সঠিক সময় মাদ্রাসায় না আসায়, শিক্ষকদের সাথে সম্বনয় হীনতা, কারনে-অকারনে বিভিন্ন অজুহাতে ছুটি কাটানো ও শিক্ষার্থীদের সাথে আন্তরিকতা না থাকায় এ প্রতিষ্ঠানে এবারের ফলাফলে ধ্বস নেমেছে।
এ প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ছাত্র এমডি শাহ এমরান খান তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ১৪ জন অকৃতকার্য। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ছিল। নিজের অজান্তে চোখের পানি চলে এল। এ কেমন ফলাফল? নিজেদের সোনালী অতীতকে আমরা এই ভাবে হারাতে দিতে পারি ? সাবেকরা সবাই এক হোউন। দৃষ্টি আর্কষণ উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, আল ফাতেহা দারুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হাই-০১৮১৭৫৯০৭১৩ ও কমিটির জবাবদীহি চাই। এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রাক্তন এক ছাত্র। ফলাফল বিপর্যয়ের কারন জানতে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হাই এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
বিগত ৫ বছরের পরীক্ষার ফলাফল- ২০১৫ সালে ২৫জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে তন্মমধ্যে ২৫জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পায় ১জন। ২০১৬ সালে ২৩জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে তন্মমধ্যে ২৩জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পায় ৫জন। ২০১৭ সালে ২৯জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে তন্মমধ্যে ২৭জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পায় ১ জন। ২০১৮ সালে ৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে তন্মমধ্যে ৩৮ জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পায় ২ জন। ২০১৯ সালে ৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে তন্মমধ্যে ২৭ জন কৃতকার্য হয়। জিপিএ ৫ পায় ১জন।

109 total views, 4 views today