মায়ের আত্মত্যাগ ও ভালবাসার রূপ অভিন্ন ॥॥॥ — মোঃ মহসিন হোসাইন —

 

‘মা’, এই শব্দটির চাইতে মধুরতম শব্দ বোধকরি আরেকটি নেই। যে ভাষায় তাঁকে সম্বোধন করা হোক না কেন সর্বকালে সর্বক্ষেত্রে সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকে দেশ ও কালের সীমানা অতিক্রম করেও মায়ের আত্মত্যাগের ,ভালোবাসার রূপ অনেকটা অভিন্ন। কবি কাজী কাদের নেওয়াজ তার কবিতায় মায়ের প্রতি ভালোবাসার ও মা শব্দটির মাধুর্যের বিষয়টি চমৎকার উদ্ধৃত করেছেন নিম্নোক্তভাবে:
‘মা কথাটি ছোট্ট অতি
কিন্তু জেনো ভাই
ইহার চেয়ে নাম যে মধুর
ত্রি ভুবনে নাই।’
‘মা’ শব্দটি উচ্চারিত হওয়ার সাথে আমাদের হৃদয়ের মানস পটে ভেসে উঠে অসীম, চিরন্তন আত্মত্যাগ, ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি, এক মমতাময় প্রতিমূর্তি। অনেক শক্তির আধার একজন মা শুধুমাত্র তাঁর পরিবারের গঠনের জন্যই নন, একই সাথে সন্তান গর্ভধারণের সময় থেকে সারা জীবনভর তাঁর সন্তানের মঙ্গলের কামনায় অনেক কষ্ট, যাতনা মুখ বুজে সহ্য করেন, অসীম কষ্ট ত্যাগ স্বীকার করেন। মায়ের অপরিসীম ঋণ শোধ হবার নয়, চির দুঃখিনী সুবিধা বঞ্চিত নির্যাতিত অথবা নিপীড়িত যিনি মা সেই মায়েরও আপ্রাণ চেষ্টা থাকে কীভাবে তার শিশুর মুখে হাসি ফোটাবেন, দিনশেষে একমুঠো অন্ন তুলে দেবেন। মা-এর যে অনবদ্য নিরলস, অকৃপণ অবদান ভালোবাসা বিভিন্নভাবে আলোচিত হয়েছে সকল পবিত্র ধর্মগ্রন্থে, কবির কবিতা, গানে ও সুরে বিশ্বের সব সৃজনশীল শাখায়, সকল মানবিক ও সামাজিক আন্দোলনে। ইসলাম ধর্মে সবর্কালের শ্রেষ্ঠ মানব হজরত মোহাম্মদ (সা:) মায়ের সর্বোচ্চ স্থানটির কথা এভাবে উল্লেখ করেছেন ‘ মায়ের পায়ের নিচেই রয়েছে তোমাদের জান্নাত’।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে যে সন্তান অকালে মাতৃহারা হন বা বিশেষ কোন পরিস্থিতিতে মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত হন অধিকাংশ ক্ষেত্রে জীবনভর তাকে পোহাতে হয় নানা দুর্ভোগ, বেদনার ভার। উপমহাদেশে বৃটিশ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের সময় বৃটিশ পণ্য বর্জন ও সরকারের রোষানল থেকে মুক্তি করার লক্ষ্যে বাংলার কবি রজনীকান্ত শৃঙ্খলিত দেশকে মায়ের সাথে তুলনা করে রচনা করেছিলেন তার অমর অনুপ্রেরণা ধর্মী সঙ্গীত:
‘মায়ের দেয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেড়ে ভাই
দীন দুঃখিনী মা যে তোদের তার বেশি আর সাধ্য নাই
ওই মোটা সুতার সঙ্গে মায়ের অপার স্নেহ দেখতে পাই
আমরা এমনি পাষাণ তাই ফেলে ওই পরের দোরে ভিক্ষে চাই।’
বিদ্রোহী কবি নজরুলের ইসলাম মায়ের অতুলনীয় স্নেহময় রূপটি তার কবিতায় এভাবে প্রকাশ করেছেন,
‘যেখানেতে দেখি যাহা
মা-এর মতন আহা
একটি কথায় এত সুধা মেশা নাই,
মায়ের মতন এত–
আদর সোহাগ সে তো–
আর কোনখানে কেহ পাইবে ভাই!’
তরুণ কবি আমানত মন্ডল মায়ের প্রতি তার একটি কোমল ভালোবাসার স্পর্শের শক্তির প্রতি তার হৃদয়ের আকুতি তুলে ধরেছেন:
‘শতাধিক যন্ত্রণাময় রাত
বিলাসিতা হারানো কিছু ইচ্ছে
স্বপ্ন ভাঙার আগুনে দগ্ধ
ফুরাতে না চাওয়া দীর্ঘশ্বাস
সব কিছু এড়িয়ে
মা যখন ছুঁয়ে দেয় এ কপাল
সেই স্পর্শের মমতায় আমি আবারো জীবন্ত।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খুব অনবদ্য ভঙ্গিমায় মায়ের স্নেহের সান্নিধ্য একটি ছোট শিশুর চাঞ্চল্য, দুষ্টুমি স্বপ্নবোনা মনের দিকটি তুলে ধরেছেন তার ‘লুকোচুরি’ কবিতায়। কবি বলেছেন:
‘আমি যদি দুষ্টুমি করে
চাঁপার গাছে চাঁপা হয়ে ফুটি,
ভোরের বেলা, মা গো, ডালের ’পরে
কচি পাতায় করি লুটোপুটি-
তবে তুমি আমার কাছে হারো-
তখন কি, মা, চিনতে আমায় পারো?
তুমি ডাকো ‘খোকা কোথায় ওরে’,
আমি শুধু হাসি চুপটি করে।’
কবি কামিনী রায় ‘কত ভালোবাসি কবিতায়’ একটি কথোপকথনের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন মায়ের স্নেহ ভালোবাসার প্রগাঢ় তার বিষয়টি।
‘জড়ায়ে মায়ের গলা শিশু কহে আসি,-
“মা, তোমারে কত ভালোবাসি!”
“কত ভালবাসো ধন?” জননী শুধায়।
“এ-ত। বলি দুই হাত প্রসারি’ দেখায়।
“তুমি মা আমারে ভালবাসো কতখানি?”
মা বলেন “মাপ তার আমি নাহি জানি।”
“তবু কতখানি, বল।”
“যতখানি ধরে
তোমার মায়ের বুকে।”
“নহে তার পরে?”
বাংলার পল্লী বাঙালির কবি জসিম উদ্দিন এর কবিতায় গ্রামীণ প্রেক্ষাপটে পর্ণকুটিরে সন্তানের বাইরের পরিবেশের প্রতিকূলতা থেকে নিরাপত্তা বিধান ও মুক্তি, সুস্থতার প্রত্যাশায় একজন নির্ঘুম মায়ের তার সন্তানের প্রতি ভালোবাসাময় আকুল আহ্বানের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে এভাবে:
‘রাত থম থম স্তব্ধ নিঝুম, ঘোর- ঘোর-আন্ধার,
নিশ্বাস ফেলি, তাও শোনা যায়, নাই কোথা সাড়া কার।
রুগ্ন ছেলের শিয়রে বসিয়া একেলা জাগিছে মাতা,
করুণ চাহনি ঘুম্ ঘুম্ যেন ঢুলিছে চোখের পাতা।
শিয়রের কাছে নিবু নিবু দীপ ঘুরিয়া ঘুরিয়া জ্বলে,
তারি সাথে সাথে বিরহী মায়ের একেলা পরাণ দোলে।
ভন্ ভন্ ভন্ জমাট বেঁধেছে বুনো মশকের গান,
এঁদো ডোবা হতে বহিছে কঠোর পচান পাতার ঘ্রাণ?
ছোট কুঁড়ে ঘর, বেড়ার ফাঁকেতে আসিছে শীতের বায়ু,
শিয়রে বসিয়া মনে মনে মাতা গণিছে ছেলের আয়ু।’
গীতিকার প্রণব রায় তার একটি সঙ্গীতে স্মৃতিচারণমূলক ভাবনায় তার মায়ের রূপটি বিকশিত করছেন খুব সুন্দর ভাবে:
‘মধুর আমার মায়ের হাসি
চাঁদের মুখে ঝরে
মাকে মনে পড়ে আমার
মাকে মনে পড়ে ।
তার মায়ায় ভরা সজল বীথি
সেকি কভু হারায়
সে যে জড়িয়ে আছে
ছড়িয়ে আছে।
সন্ধ্যা রাতের তারায়
সেই যে আমার মা ্
বিশ্ব ভূবন মাঝে তাহার নেইকো তুলনা।’

কবি কালিদাস-এর কবিতায মাতৃভক্তি আদর্শের কথা ফুটে উঠেছে এভাবে:
শৈশব হতে জননীর সেবা করিতেন দিবাযামী।
দুপুর রাত্রে জননী জাগিয়া ডাকিলেন,’বাছাধন,
বড়াই পিয়াস পানি দাও’ বলি মুদিলেন দু’নয়ন।
দেখিল বালক ঘরের কোণের কলসিতে নেই পানি,
বহুদূর পথ ঝরনা হইতে কলসি ভরিয়া আনি।
মায়ের তৃষ্ণা মিটাইবে বলি গভীর অন্ধকারে
ছুটিয়া বাহির হইল একাকী কলসি লইয়া ঘাড়ে।
জল ঢালি পিয়ালায়
সুপ্তা মাতার নয়ন শিয়রে দাঁড়ায়ে রহিল ঠায়
ভাঙালে নিদ্রা হবে অপরাধ, কখন ভাঙিবে নিঁদ,
সেই ভরসায় পানি হাতে খাঁড়া রহিল যে বায়েজিদ।’
মায়ের ভূমিকার কথা বার বার আলোচিত হয়েছে বিশ্ববরেণ্য অনেক ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন অভিব্যক্তিতে। দিগ্বিজয়ী বীর নেপোলিয়ান বোনাপার্ট তাঁদের পরিবারের প্রতি মায়ের অপরিসীম আত্মত্যাগের বিষয়টি অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন, তাই বলেছিলেন ‘আমাকে একজন ভাল মা দাও, আমি তোমাকে একটি ভাল জাতি উপহার দেবো।’
বিশিষ্ট নেতা, রাজনীনিতিবিদ, মনীষী আব্রাহাম লিংকন মায়ের অনন্য অবদানের প্রতি সম্মান রেখে বলেছিলেন, ‘আমি যা কিছু পেয়েছি, যা কিছু হয়েছি, অথবা যা হতে আশা করি, তার জন্য আমি আমার মায়ের কাছে ঋণী।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন তার সফলতার উৎস হিসেবে মা’কে দেখিয়েছেন এবং এই প্রসঙ্গে একটি অভিমত ব্যক্ত করেছেন, ‘আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দরী নারী হলেন আমার মা, মায়ের কাছে আমি চিরঋণী। আমার জীবনের সমস্ত অর্জন তারই কাছ থেকে পাওয়া নৈতিকতা, বুদ্ধিমত্তা আর শারিরীক শিক্ষার ফল।’

এবার একটু ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে আলোকপাত করছি। যিনি সকল কষ্ট উপেক্ষা করে আমাকে এই পৃথিবীর প্রথম আলো দেখিয়েছেন, আমার চিন্তার, জীবনের গঠনের অন্যতম সঙ্গী, আমার খুব সাধারণ কাজের ক্ষেত্রবিশেষে কঠোর সমালোচক, আমার সকল কঠিন সময়ের সাথী চির মমতাময়ী আমার মা। আমার মায়ের রাশেদা বেগম, ডাক নাম বেগম। আমার মায়ের জন্ম ১৯৬৫ সালে। আমার মা খুবই গরীব ঘরের মেয়ে। অর্থের অভাবে লেখা পড়া করতে পারে নাই। কিন্তু অসহায় মানুষের বা পরিচিত জনের সহায়তায় তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নিজের পাতের খাবারটি অথবা পরিধেয় সবচাইতে দামি বস্ত্রটিও পরিহার করতে পিছপা হননি। বৈষয়িক ক্ষেত্রে তিনি প্রকৃত অর্থেই জীবনকে একজন কল্যাণকামী দার্শনিকের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করেন যা অতুলনীয়। তিনি প্রতি মুহূর্তে আমাকে বলেন জীবনের সার্থকতা ভালো কাজের মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে, ধন সম্পদের মাধ্যমে নয়। আত্মিক ঐশ্বর্য প্রকৃত বিষয়, এই বিশ্বাসে তিনি নিজের জন্য বস্তুকেন্দ্রীক কিছুই অবশিষ্ট রাখেন নি। সকল জিনিস আমাদের দু’জনের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছেন। রোগ, শোক, আনন্দে সকল সময় মা নির্ভরতার পরশে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। ছোটবেলায় বেশ কয়েকদফা বেশ অসুস্থ হয়েছি। সেই পরিস্থিতিতে মাকে দেখেছি সকল দায়িত্ব ভুলে নির্ঘুম রজনী যাপন করে, তাঁর স্নেহের বাঁধনে আমাকে আগলে রাখতেন। তার স্পর্শ আমার অনেক কষ্ট ভুলিয়ে দিতো। বর্তমানে আমার মা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।
আমার প্রয়াত বাবা পেশায় ছিলেন একজন কৃষক, তাদের ছয় ভাই ও দুই বোনের একটি বিরাট যৌথ পরিবার। সেই পরিবারের সবচাইতে বড় ভাই ছিলেন আমার বাবা। বাবা ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপ্রান, রক্ষনশীল ও নিষ্ঠাবান একজন মানুষ। প্রতিটা ভাইবোনকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সাধ্যানুসারে চেষ্টা করেছিলেন। সেক্ষেত্রে আমার মায়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক। দু’জনের মধ্যে বয়েসের বেশ ফারাক হওয়া সত্ত্বেও বাবার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মা তাকে পূর্ণ করেছিলেন অকৃত্রিম ভালোবাসা পূর্ন সহায়ক বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাবের মায়াজালে।তবে ভাগ্যের কি পরিহাস অল্পতেই বাবাকে হারিয়ে ফেললাম। আমার বাবা ২০১৩ সালে ৪ মে ইন্তেকাল করেন।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উইড্রো উইলসন ১৯১৪ সালে মা দিবসকে স্বীকৃতি দেন ও এ দিনটিকে সরকারিভাবে ছুটির ঘোষণা দেন। তো এই সিদ্ধান্তের পেছনে ইতিহাসটি নিয়ে এই পর্যায়ে একটু আলোচনা করছি। ১৮৭০ সালে আমেরিকার সিভিল ওয়ার-এর নির্মমতার প্রেক্ষাপটে অনেক সন্তান হারা ও বিভিন্নভাবে নির্যাতিত মা ও নারীদের রক্ষার উদ্দেশে রাজনৈতিক ও সমাজের সর্বক্ষেত্রে নারীর অবদান নিশ্চিত করার জন্য আমেরিকার একজন সমাজকর্মী জুলিয়া ওয়ার্ড হই মাদার্স ডে প্রক্লেমেশন নামক একটি ঘোষণা পত্র পেশ করেন। এই প্রক্লেমেশন দ্বারা রাজনৌতিক ও সমাজের সকল ক্ষেত্রে নারীর দায়িত্ব গ্রহণ ও নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয় তুলে দ্বারা হয়। এই ঘোষণা পত্রটি ‘মাদার্স ডে প্রক্লেমেশন’ হিসাবে সমাধিক পরিচিতি।
দুঃখজনকভাবে কিছুদিন পর আনা মেরি জার্ভিস-এর মা মারা যান। মায়ের মৃত্যুতে আনা মেরি খুব ভেঙে পড়েন ও তাঁর মায়ের বিশেষ স্মৃতিকে স্বরণ রাখার উদ্দেশ্যে মানবতা, দুস্থ মানুষ, নারীদের প্রতি মায়ের কাজের বিষয়গুলিকে সম্মানিত করার উদ্দেশে ১৯০৮ সালের ১০ মে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রাফিটন শহরে অবস্থিত আন্দ্রেউজ মেথডিস্ট এপিসকোপাল চার্চে প্রথম রোববারে সর্বপ্রথম মা দিবস উদযাপন করেন। তিনি আন্তর্জাতিক মাদার্স ডে এসোসিয়েশন স্থাপন করেন এবং মা দিবসকে কে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে, ছুটির দিবস হিসাবে পালন করার জন্য ব্যাপক প্রচারণা চালান। তার সেই প্রচারণার রেশ ছড়িয়েছে পরে যুক্তরাষ্ট্র অনেক স্থানে এবং এক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে ১৯১৪ সালে তার স্বীকৃতি মেলে। আনা মেরি জার্ভিস সকল সময় তার মায়ের ভূমিকাকে স্মরণ করতেন, নারীর সার্বিক উন্নয়নে তিনি বিশ্বাস করতেন। তার মতে এই দিবস উদযাপনের মাধ্যমে একজন মায়ের, নারীর ও উন্নয়নের প্রতি তার মায়ের জীবনভর আত্মত্যাগের দিকগুলি বার বার প্রকাশ করার একটি সময় উপযোগী স্বীকৃতি, কোনো তাৎক্ষণিক খেয়াল খুশির বশে গঠিত একটি দিবস নয় বরং একটি বাস্তবধর্মী নারী ও মানব আন্দোলন প্রতিষ্ঠার দিবস।
মায়ের সকল অবদান কি আর এই স্বল্প পরিসরে বলা সম্ভব? সব যুগে মায়েরা হলেন অতুলনীয়, তাদের সম্মান রক্ষার্থে সচেতন থাকতে হবে। মা দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্যেকে সামনে রেখে সমগ্র বিশ্বের জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকল মায়ের জন্য, প্রতিটি নারীর জন্য একটি নিরাপদ, ভালবাসাময়, স্বাভাবিক মানবিক অধিকার সম্বলিত, সম্মানজনক সুস্থ ধারার সমাজ গঠনে সকলকে কাজ করে যেতে হবে। সকল মায়ের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সালাম।

লেখক পরিচিতিঃ
কবি, লেখক, কলামিস্ট ও সাংবাদিক
কেন্দ্রীয় সহ- সাধারন সম্পাদকঃ বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক কল্যাণ সোসাইটি।
সাধারন সম্পাদকঃ মানবতার ডাক সামাজিক সংগঠন।

59 total views, 1 views today