কচুয়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত দুই শিশুর চিকিৎসায় সহযোগিতা করলেন ইঞ্জিনিয়ার মো: জসীম উদ্দিন

কচুয়ার ডাকঃ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের আলী আহম্মেদ মেম্বার বাড়ির মো. সুজন মিয়ার দুই শিশু সাবিকুর নাহার(৬মাস) ও নুরনবী(১.৫ বছর) ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।

এ নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক জাতীয় , স্থানীয় পত্রিকা, অনলাইন টিভি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) ফলাও করে সংবাদ প্রকাশ করা হয় । এতে সংবাদটি ভাইরাল হলে বিভিন্ন স্থান থেকে জনদরদী মানুষগন এই দুই শিশুর চিকিৎসা বাবদ আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এই জনদরদী মানুষ গুলোর মধ্যে অন্যতম হলেন- জাপান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, মানবতার ডাক সামাজিক সংগঠনের উপদেষ্ঠা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন ।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কচুয়ার সন্তান। আমাকে আপনাদের আপনজন মনে করে নির্দিধায় আদেশ-নির্দেশ-উপদেশ দেবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কিছুই চাই না। আমি আপনাদের সেবা করতে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। এ লক্ষ্যে মানুষের সেবা করার জন্য এ জীবন উৎসর্গ করা উচিৎ বলে আমি মনে করি। এতে আমি আপনাদের একান্ত সহযোগিতা কামনা করি।

ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জসীম উদ্দিন দেওয়া আর্থিক অনুদান বুধবার (১৬ জুলাই) দুই শিশুর বাবা মো. সুজন মিয়ার হাতে তুলে দেন- অনলাইন নিউজ পোর্টাল আন্দোলন ৭১ এর চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি, সোনালী চাঁদপুর নিউজের কচুয়া প্রতিনিধি এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরের সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ রাছেল, সাথে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকাশ, সমাজসেবক মোঃ মোশারেফ হোসেন, মোঃ শরীফ হোসেন, প্রমুখ।

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত দুই শিশুর বাবা মোঃ সুজন মিয়া জানান, আমার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। জন্মের কিছুদিন পরপরই তারা দুই জনে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু উন্নত চিকিৎসার করার জন্য প্রায় ২০- ২৫ লাখ টাকা লাগবে। আমি একজন হতদরিদ্র মানুষ। সংসার চালাতে খুব হিমসিম খাচ্ছি। এত টাকা জোগাড় করা আমার পক্ষে অসম্ভব কাজ। আমি সকলের একান্ত সহযোগিতা কামনা করি।

চিকিৎসকরা জানান, নুরনবী ও সাবিকুর নাহার সেরে উঠার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হলে প্রতি মাসে প্রায় ৩০-৪০ হাজার টাকা খরচ লাগবে । তবে নিয়মিত চিকিৎসা চালাতে পারলে তাঁদের ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব। যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের চিকিৎসা প্রয়োজন।

দুই বছর ধরে এভাবে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তার পরিবার।তাই সকলেই সাধ্যমতো তাদেরকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। সাহায্য পাঠানোর জন্য বিকাশ নম্বর- ০১৯৯৮২৮০৬১০ (পার্সোনাল)।

87 total views, 1 views today