চাঁদপুর কচুয়ায়ই হচ্ছে বহু প্রতিক্ষীত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,কচুয়ার সাংসদ ডঃমহীউদ্দীনখান আলমগীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী থাকাকালীন সময় প্রথম এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন কচুয়ায়!

কচুয়ারডাক নিউজ ডেস্কঃ চাঁদপুরবাসীর জন্যে এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির উপহার হচ্ছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এজন্যে মন্ত্রিসভায় চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৯-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৯’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এ বিশ্ববিদ্যালয় হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘চ্যান্সেলর থাকবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। সিন্ডিকেটের গঠন সম্পর্কে বলা আছে ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি, সরকার কর্তৃক মনোনীত যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, সরকার কর্তৃক মনোনীত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে একজন প্রতিনিধি এবং চ্যান্সেলর কর্তৃক মনোনীত তিনজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ থাকবেন।

অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক কাউন্সিল যেভাবে হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়েও সেভাবে হবে। চাঁদপুরের কোন্ জায়গায় এ বিশ্ববিদ্যালয়টি হবে তা জানাতে না পারলেও চাঁদপুর জেলায় এ বিশ্ববিদ্যালয় হবে বলে জানান সচিব।

উল্লেখ্য কচুয়ার সাংসদ ডঃমহীউদ্দীন খানআলমগীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে প্রথম এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন কচুয়ায় বলে জানা যায় এর জন্য তিনি তখন চেস্টাও করেছিলেন। চাঁদপুর সদরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় হলে নদী ভাংগনে বিলীন হয়ে যেতে পারে বলেও মত প্রকাশ করেন অনেকেই, কারন হিসেবে বলেন আমাদের চাঁদপুর হলো লো-ল্যান্ড একশত বছর পর শহর থাকবে কিনা অনেকেই নিশ্চিত নন বলে মত প্রকাশ করেন, পুরান বাজার থেকে জেলা আদালত ইতিমধ্যেই সড়িয়ে আনা হয়েছে! অন্যদিকে যেহেতু চাঁদপুর থেকে বরিশাল, ফরিদপুর, শরিয়তপুর নদীপথে কোন সেতু নেই তাই মেঘনা ও পদ্মা ব্রিজ হলেই চাঁদপুর সদরে একমাত্র ইউনিভার্সিটি হওয়া সম্ভব অন্যথায় ব্যায়বহুল প্রতিষ্ঠানটির জন্য ঝুঁকি থাকতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন অনেকেই।
চাঁদপুরে উত্তর কচুয়া”গুরকাজলা বিল” হতে পারে একমাত্র স্থান যেখানে ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা হলে সকল জেলা ও থানার ছাত্র/ছাত্রীরা সহজেই এসে পাঠদান করতে পারবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যাক্তিগন!


কচুয়ার সাংসদ, গোলাম হোসেন, সেলিম মাহমুদ সহ অন্যান্যরা এগিয়ে আসলে তা সম্ভব হতে পারে বলে ভাবছে কচুয়ার জনগন যা ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে সয়লাব হয়ে যায়, উক্ত বিষয়টি তাদের জন্য কচুয়া ও জেলা চাঁদপুরের ভু-রাজনীতিতে একটি চ্যালেঞ্জও বটে! সম্প্রতি কচুয়ার সেলিম মাহমুদের সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফটোসেশান দেখে কচুয়া ও চাঁদপুরে তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যপক সাড়া ফেলে দেয়,কচুয়া ও চাঁদপুরের রাজনীতিতে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটাতে পারবেন বলে ধারণা করছেন চাঁদপুর ও কচুয়ার রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন, আগামীতে আইনগত বাধা না থাকলে তিনি কচুয়ার জন্য আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক ছিনিয়ে নিয়ে নির্বাচন করলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। যদিও গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন ক্রয় করেন। অতঃপর কচুয়ার জন্য সাবেক দুই আমলা সচিবকে যুগ্নভাবে মনোনয়ন প্রদান করলে কচুয়ার রাজনীতিতে রনক্ষেত্র পরিনত হলে শেস হাসি হাসেন ডঃ মহীউদ্দীনখান আলমগীর।

গত নির্বাচনের আগে সেলিম মাহমুদ গুরকাজলাকে ইকোনমিক জোন হিসেবে গড়ে তোলার অংগীকার করে একটি প্রবন্ধ লিখা কচুয়ারডাক প্রকাশ করলে তা ভালো জনপ্রিয়তা লাভ করে, ইউনিভার্সিটি হলেই একমাত্র গুরকাজলাকে ইকোনমিক জোন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

444 total views, 1 views today