চাঁদপুরের কৃতী সন্তান জালাল আহমেদ কাতার সরকারে দেয়া স্থায়ী রেসিডেন্সি লাভ করেন!

ইউসুফ পাটওয়ারী কাতার প্রতিনিধিঃ চাঁদপুরের কৃতী সন্তান জালাল আহমেদ কাতার সরকারে দেয়া (স্থায়ী রেসিডেন্সি পারমিট) স্থায়ী আবাসনের অনুমতি পেয়েছেন। জালাল আহমেদক বাংলাদেশ সরকারের সুদৃষ্টিতে থাকাই ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সিআইপি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছেন।  

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার জালাল আহমেদ ২৩ বছর আগে ভাগ্য ফিরাতে পাড়ি জমান কাতারে প্রবল ইচ্ছা শক্তি শ্রম ও মেধায় নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছেন সফক উদ্দেক্তা ও ব্যবসায়ী হিসেবে। গড়ে তুলেছেন কাতারে ৪ টি মার্বেল ফ্যাক্টটি এবং বাংলাদেশের মঙ্গলায় গড়ে তুলেছেন বিশাল বড় মার্বেল ফেক্টরি এতে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্ম সংস্থান তৈরি করেছেন জালাল আহমেদ। 

জালাল আহমেদ ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার হাজী আব্দুর রশিদ মিয়াজির বড় ছেলে তারা ৭ ভাই ২ বোন। এর মধ্যে এক বোন মাজেদা বেগম বর্তমান ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে জালাল আহমেদ স্ত্রীসহ কাতারেই থাকেন। প্রবাসী ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি ইতিমধ্যেই কাতার সরকারের সুনজরে থাকায় তাকে কাতার সরকার এই স্থায়ী রেসিডেন্সি পারমিট স্থায়ী আবাসনের অনুমতি দিয়েছেন। 
জালাল আহমেদ সর্বদা সাদামাটা জীবন যাপন করেন। গত ২৩ বছর ধরে তিনি কাতারে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছেন। কাতারে তার প্রতিষ্ঠানের নাম গোল্ডেন মার্বেল। তিনি ব্যবসা করার সাথে সাথে এলাকার লোকজনের জন্য নিবেদিত প্রাণ। নিজস্ব অর্থে তিনি এতিম খানা ও মাদ্রাসা তৈরি করেছেন। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র লোকজনের পাশে দাড়াচ্ছেন নিয়মিত। বছরে বিভিন্ন সময়ে দেশে এসে দরিদ্র মানুষের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছেন।

68 total views, 1 views today