ডঃমহীউদ্দীন খান আলমগীর এম পির দুঃসময়, সুঃসময়ে অবহেলিত এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো!

বিশেষ প্রতিবেদনঃ ১/১১তে দুঃসময়ে এত আপন এবং অতিনিকটে থেকেও ১০ বছর পর দেশে গিয়ে এম পি সাহেবের আমি ততটা আপন ছিলাম না, আছরন দেখে মনে হল ডঃমহীউদ্দীন খান আলমগীর কোন কারণে আমাকে হয়ত ভুল বুঝেছেন,এখন দেখি কচুয়ার পুরাতন ও নব্য আওয়ামী প্রেমিকরা কচুয়ার সাংসদকেই ভুল বুঝা শুরু করেছেন কিংবা ভুল বুঝতেছেন,সবাই এখন সাংসদের চেয়ে ভালো আইন কানুন বুঝেন,সাংঘটনিক নিয়ম নীতিও বুঝেন ও চর্চা করেন, এসব সাংঘটনিক নিয়ম নীতি নিয়ে আজকাল আইন আদলতে মামলাও হয়, বাহ কি চমৎকার! অবশ্য সাংসদ জেলে থাকাকালীন কচুয়া থেকে ছাত্রলীগ,যুবলীগ আওয়ামীলিগের একটি প্রতিবাদ কিংবা মিছিল কচুয়া থেকে বের হয়নি ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীরের মুক্তি চাই বলে একটা ব্যানার কেউ বের করেনি, যা হয়েছে ঢাকাতেই আমার কিঞ্চিত অবদান সাংসদ যদি কখনো শীকার করেন তাহলে থাকতে পারে,এসব নিয়ে পরে লিখবো! আর এখন কচুয়াতে জামাত-বি এন পি সহ সবাই আওয়মীলীগ করেন এবং নিজেদের কে বড় আওয়মীলীগ প্রমান করার জন্য অনেকে আজকাল আদালতেরও শরনাপন্নও হন। আমি কিন্তু এসবের কোন কারণ খুঁজে এখনো পাই নি, ভালোভাবেইতো সচ্ছ ও গোপন ব্যালট এর মাধ্যামে পশ্চিমানীতিতে কাউন্সিলগুলো সম্পন্ন হলো, আমরা শুধুই দর্শক!

কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব শাহজান শিশিরের বাসভবনে একবেলা খাওয়ার সৌভাগ্য আমার এবার হলো, আমার খুব ইচ্ছা ছিল দেশে গিয়ে এই ভালো মানুষটিকে চেয়াম্যানের চেয়ারে অন্তত দেখি,কারন গত আমলে তিনি নির্বাচিত হলেও দেশে গিয়ে চেয়ারে দেখার সোভাগ্য আমার হয়নি। যদিও মানুষ কারনে অকারনে আমাদের সম্পাদিত সময়ের আলোচিত সাহসী অনলাইন ও প্রস্তাবিত প্রিন্ট কচুয়ারডাক কে নিয়ে পাঠকগন শুদু শুদুই খালি আলোচনা সমালোচনাই করে। কচুয়ারডাক সকল সমালোচনা ও ভিন্ন মতকে প্রাদান্য দিয়ে থাকে। কচুয়ারডাক কাউকে এম পি, উপজেলা চেয়ারম্যান ইত্যাদি বানানোর কোন ভূমিকা রাখে না,সমাজে ঘটে যাওয়া সকল সত্য সংবাদটুকুই জন্ম থেকেই সাহসী ভুমিকা নিয়ে তুলে ধরার চেস্টা করছে। যদিও এবার দেশে যাওয়ার পর কচুয়া আওয়মীলীগের এক নামকরা প্রথম সারীর নেতা বলেই ফেললেন যে কচুয়ারডাকের সাহসী ভূমিকায় উপজেলা নির্বাচনে নৌকা অন্তত ৩০ হাজার ভোট বেশি পেয়েছে শুনেই অবাক হলাম!

বন্ধু মেয়র নাজমুল আলম স্বপনের আপ্যায়নে স্নাক্স ও তাজা আমের ফলের জুস খাওয়ারও সৌভাগ্য আমার হল, সুরমা বাসে না গিয়ে এতদামি পাজারো গাড়ীতে করে মেয়র সাহেব আমাকে ঢাকা নিয়ে আসবেন বন্ধু বলে কথা,তা ছিল আমার আকাশ কুসুম কল্পণা সবকিছুর জন্য বন্ধু মেয়র নাজমূল আলমের কাছে খূব ঋণী হয়ে গেলাম! যদি বার বার বন্ধু নাজমূল আলম কচুয়ার মেয়র নির্বাচিত হন অন্য করো সুবিধা না হলেও অন্তত আমার হবে তা কিন্তু নিঃসন্ধেহে বলা যায়! মরহূম মীর ইকবাল সাহেব বেচে থাকলে হয়তো আমার চেয়ে বেশি খুশি হতেন!

কচুয়ার এন বি আর খ্যাত মিয়াভাই মোহাম্মদ শাহাদাৎ দেশে যাওয়ার আগে অনেক অনুনয় বিনয় করে মিয়া বাড়িতে গিয়ে ডাল ভাত খাওয়ার দাওয়াত দিলেও দেশে যাওয়ার পর মিয়া ভাইয়ের আর হদিস মিলে নি, একাদশ নির্বাচনে মিয়া ভাইরা মনোনয়ন পেয়েও ধরে রাখতে পারেন নি তাই আমারও আর মিয়া বাড়ির লংগর খানায় গিয়ে ডাল
ভাত খাওয়া আমার ভাগ্যে জোটেনি, ঠিকানা চাওয়ার পরও ঠিকানাও মিলেনি, মিয়া বাড়ির লোকজন বলে কথা, অনেক উঁচু তলায় থাকেন!

অতঃপর ভেবেছিলাম কচুয়ার সাংসদ জননেতা ডঃমহীউদ্দীন খান আলমগীর এম পির বাসায় গিয়ে হরেক রকমের খাবার এবং মোরঘ পোলাউ খাব কারন উনার সুঃময়ে একটি খাবার অন্তত আমাদের ১/১১এর সারথিদের উনার কাছে প্রাপ্য ছিল, পোড়া কপাল আমার, দশ বছর পর দেশে গিয়েও আমার ভাগ্যে বনানী ২৫ রোড ১৬ নাম্বার বাড়িতে এক কাপ চাও জুটলো না! যদিও ১/১১ এর নিয়মিত আরেক আইনজীবী জনাব এডভোকেট শাহআলম ইকবাল সাহেব আশ্যাস দিয়েছেন যে পরবর্তীতে দেশে গেলে কচুয়ার এম পি কে নিয়ে উনার বাসায় অন্তত খাওয়া-দাওয়ার একটি আয়োজন
তিনি করবেন,আমাকে মনে রাখার জন্য অন্তত ধন্যবাদ,রিজিক বলে কথা !

বিধিভাম কচুয়ার এম পি সাহেব এত সহজে সবিই ভুলে গেলেন, ভুলে যাওয়াই স্বাভাবিক কারন আমিতোলা আর তদবির কিংবা বানিজ্য নিয়ে তার কাছে যাই নি, সাবেক সাংসদ মিলনের বিরুদ্ধে এক খানা মিথ্যা মামলাও করতে পারি নি, তা হলে হয়তাবা!
শুনেছি আজকাল তিনি বাসার চাকর-বাকরদের কাছে কারনে অকারণে অনেকটাই জিম্মি থাকেন। দেশে বাসার দারোয়ানরাও আজকাল নাকি জেনারেলের ক্ষমতা নিয়ে আওয়মীলীগের বিভিন্ন নেতাদের বাসা বাড়িতে কামলা খাটেন!

কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মুল্যবান সময় ব্যায় ও আপ্যায়ন করার জন্য। পরিশেসে কচুয়ার রাজনৈতিক হালচাল নিয়ে কি আর লিখবো সবাই এখন সত্য ও সুন্দর লিখেন, আমরা প্রবাস থেকে শুধুই দর্শকের মতো দেখি, কেউ সহযোগিতা চাইলে দুই-চার কথা লেখা ও বলার সাহস রাখি !

আমার ধারা কিংবা জানামতে কচুয়ার সাংসদের কোন ক্ষতি সাধন না হলেও বর্তমানে কচূয়ায় আওয়ামী রাজনীতিতে এবং উনার রাজনৈতিক জীবনে যে পরীক্ষা ও ক্ষতির সম্মুক্ষীন তিনি হতে যাচ্ছেন তা কিন্তু আজ স্পষ্ট, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগ এমন একটি বার্তাই দিয়ে গেলেন যা সাংসদের জন্য রাজনৈতিক ভাবে অপুরনীয় ক্ষতি ছাড়া আমার মতো অন্যকেউ এই মুহুর্তে অন্যকিছু ভাবছেন না!

আগে শুনতাম বাঘে লেজ নাড়ে, এখন দেখি কচুয়ার আওয়ামীলিগের রাজনীতিতে লেজ বাঘকে ঝাকুনি দিয়েই নাড়া দিয়েছে!

চাঁদপুর এই মামলার শেষ কোথায় তা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম, গঠনতন্ত্রের বাহিরে গিয়ে আদালতের কোন ফয়সালা করার সুজুগ নেই, যদি না বাদীগন ত্রীতিয় পক্ষের ধারা প্রভাবিত না হয়ে মামলা প্রত্যাহার করে না নেন, উক্ত ঠুনকো মামলার ফলে কচুয়া ও চাঁদপুর আওয়ামীলীগের কাউন্সিল সহসায় যে হচ্ছে না, তা কিন্তু সত্য !

বাংলাদেশে গিয়ে সাংসদের বাসায় আমার আর মোরঘ পোলাও খাওয়া হবে না, কারন পিতার আদেশ, নীতির সাথে আপোষ করতে নেই, আবারও এডভোকেট শাহআলম ইকবাল সাহেব কে ধন্যবাদ অন্তত খাওয়ার আয়োজনের প্রস্তাব দেয়ার জন্য! কারো ব্যাক্তিগত চরিত্রের সাথে মিলে গেলে দুঃখ প্রকাশ করছি।

লেখক সম্পাদক কচুয়ারডাক, আইনজীবী ১/১১ ডঃমহীউদ্দীন খান আলমগীর এম পি email:kachuardak@gmail.com

76 total views, 2 views today