কাদলা গ্রাম আদালতে বাড়ছে মানুষের আস্থা

কচুয়াঃ কচুয়ায় কাদলা গ্রাম আদালতে বিচার কাজ সক্রিয়া ভাবে চলছে।

কচুয়ার ডাকঃ
কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নে দিন দিন গ্রাাম আদালতের প্রতি আস্থা বাড়ছে ইউনিয়নে বসবাসকারী সাধারণ মানুষের। মাত্র ১০টাকা ফি দিয়ে ফৌজদারী এবং ২০টাকা ফি দিয়ে দেওয়ানী মামলা করতে পাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। গরীব দুঃখী ও অসহায় মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করছে উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত। গ্রাম আদালতের নিয়ম অনুযায়ী মাত্র ৯০দিনের মধ্যে আবেদনকারী তার মামলা নিস্পত্তি করতে পারবেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বল্প খরচে অল্প সময়ে এই সুবিধা পেয়ে খুবই খুশি কাদলা ইউনিয়নের জনগণ। ছোট খাটো ঝামেলায় থানা পুলিশ কিংবা কোট কাচারী করতে হচ্ছেনা তাদের। বাড়িতে বসে থেকেই গ্রাম আদালতের মাধ্যমে কাঙ্খিত বিচার পেয়ে বেশ উচ্ছসিত এখানকার জনগণ। এসকল মামলার বাদী এবং বিবাদী উভয়েই হয়রানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন। এমনকি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থের হাত থেকেও রক্ষা পেয়েছেন। পেয়েছেন সঠিক বিচার।
উপজেলার কাদলা গ্রামের আবুল খায়ের জানান, কিছুদিন আগে আমার গ্রামের আমার আত্মীয় স্বজদের মাঝে জমিজমা নিয়ে বিরুদ হয়, স্থানীয় ভাবে আমি সমস্যা সমাধান না পেরে । এমতাবস্থায় আমি গ্রাম আদালতের স্মরণাপন্ন হয়ে মামলা করে প্রাক বিচারের মাধ্যমে সঠিক বিচার পেতে সক্ষম হই।
গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী মো. রাকিব হোসেন জানান, ২০১৭সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত অনেক মামলা গ্রাম আদালতে হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ মামলা নিস্পত্তি করা হয়েছে।
কাদলা ইউপি চেয়ারম্যান ও গ্রাম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম লালু বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ হচ্ছে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য আইনী সহায়তা সু-নিশ্চিত করা। সে কারণেই আমি দায়িত্বে আসার পর থেকেই গ্রাম আদালত বিষয়ক সভা সেমিনারসহ উঠান বৈঠক করে জন-সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করে আসেছি। এছাড়াও এ বিষয়ে বিভিন্ন ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহন করে জন-কল্যানে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ হচ্ছে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা। আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

84 total views, 2 views today