একজন ড.সেলিম মাহমুদ কে নিয়ে এতো জ্বালা কেন ? লেখক- ইকবাল আজিজ শাহীন

—————-
ড.সেলিম মাহমুদ বাংলাদেশ ছাএলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন, কর্ম জীবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবিচল থেকে কাজ করে চলেছেন, তার ধারা বাহিকতায় জননেত্রী শেখ হাসিনা এবার জাতীয় কাউন্সিলে ড.সেলিম মাহমুদ কে তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত করেছেন। তাতে আমরা তাঁর এই পদের জন্য না রেখেছি কোন ভূমিকা, না দিতে হয়েছে ভোট !!! তাহলে কেন আজ কারো কারো গাএ দাহ হবে ? ড.সেলিম মাহমুদ ত ছাএলীগ থেকে উঠে আসা নেতা। আকস্মিক নাজিল হয় না। এই ত সেদিনকার কথা গো হো যখন আওয়ামীলীগের এমপি বনে যাওয়ার খায়েশে মাঠ দখলের পায়তারা করছিলো আমরা এক পক্ষ গো হো কে মাঠ থেকে বিতারিত করার জন্য। মারামারি ত কম করলাম না। আজ ও ছাএলীগের ছেলেরা মামলার ঘানি টানে। আজ কি গো হো আর জননেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার এক সাথে বসে কপি খান না ? তাহলে এতো দিন ধরে আমরা যারা বিরোধিতা করলাম আমাদের অবস্থানটা কি ???

যে মিলনের কারণে বহু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সমর্থকরা মামলা হামলার শিকার হলো, ঘর বাড়ি ছাড়লো, বছরের পর বছর বাড়ি ঘরে যেতে পারলো না আমারা তাদের কথা না ভেবে। মিলন সাহেব কে কচুয়ায় নিয়ে গেলাম যে মিলন গত ২২ বছর কচুয়ায় যাওয়ার সাহস করলো না নিজের অপরাধের কথা ভেবে। বরং ভবিষ্যতে যাতে মিলন সাহেব প্রতিশোধ নিতে পারে এই জন্য সাংবাদিক সম্মেলন, জিডি করে কি রাখে নাই ? এড.হেলালের নাম উল্লেখ করে কি সাংবাদিক সম্মেলনে মিলন সাহেবর বৌ কুকুরের বাচ্চা বলে গালি দেয় নাই ? যে মিলনের কারণে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা কষ্ট পেলো সে মিলন কে নিয়ে যখন আমরা কচুয়ায় গেলাম একবারের জন্যও কি ভুক্তভোগীদের মনো কষ্ট বুঝার চেষ্টা করেছি ? করি নাই !!! মনে ও রাখি নাই সেদিনের কথা। আওয়ামীলীগ নেতা মান্নান কে হত্যার জন্য যারা মদোদ দিলো আজ তাঁরা জামাই আদর পায়। আর মামলার হাজিরা দেয় আওয়ামীলীগ, ছাএলীগ, যুবলীগের নেতা কর্মীরা। তাঁদের খবর কয়জন নিয়েছি ? তাঁরা কে কেমন আছেন, কোথায় আছেন তা কি জানি ? মোটেই না!! আজ ত আওয়ামীলীগ, ছাএলীগ, যুবলীগের জন্য জায়গা পাওয়া যায় না !! এতো আওয়ামীলীগ বেড়েছে। চারপাশে আওয়ামীলীগ আর আওয়ামীলীগ। তিল ধারনের ঠাঁই নেই, আওয়ামীলীগের জন্য !!

আজ আবার শুরু হলো ড.সেলিম মাহমুদ কে নিয়ে ড.সেলিম মাহমুদ ত আওয়ামীলীগের নেতা। কিন্তু কচুয়ায় ত আওয়ামীলীগের নেতা হওয়ার দরকার পরে না, এমপি স্যারের পাশের চেয়ারে বসে থাকে, আওয়ামীলীগ, ছাএলীগ, যুবলীগ নামদারী বহু নেতারা ! যাদের জন্য আওয়ামীলীগের সুনাম নষ্ট হয়। সে দিকে কারো নজর আছে বলে ত মনে হয় না !!! বহু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এই সব দৃশ্য দেখে নিরবে চোখের পানি পেলে চলে আসে, কিছু বলে না !! তাঁদের কথা কয়জনে জানি ? এই মিডিয়ার যুগে চোখ রাখলে সবাই দেখি। আর ড.সেলিম মাহমুদ নেতা হওয়ার পর তাঁর সাথে কথা বলি না কে ? কেউ যদি দেখা বা কথা না বলে থাকি, তাঁদের চেয়ে ও যন্ত্রনা তাঁদের বেশি যারা প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করি। হায়রে আওয়ামীলীগ !! হায়রে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। আমার এই লেখার পর অনেকের মনে হতে পারে আমি বুঝি ড.সেলিম মাহমুদের দালালী করি, কিন্তু না!! আমি আজ ও ড.সেলিম মাহমুদের সাথে সৌজন্যে সাক্ষাতে যাই না। তবে যাওয়া উচিৎ আমি আওয়ামীলীগ করি আর ড.সেলিম মাহমুদ আওয়ামীলীগের নেতা। আজ আমরা কচুয়াবাসী আনন্দদিত হতে পারি আমাদের অভিভাবক জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার এর পাশাপাশি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের কচুয়ার আরেক ছেলে কে জাতীয় কমিটিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্হানে রেখেছেন। অতি উত্সাহী যারা মরবে, তাঁরা। সাধু সাবধান! দেখে শুনে পথ চলো।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

লেখক,,
ইকবাল আজিজ শাহীন
সাধারন সম্পাদক
কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগ
কচুয়া -চাঁদপুর।

124 total views, 1 views today