বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মেয়র নির্বাচনে যোগ্য প্রাথী প্রদান করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এবং আগামী ১লা ফেব্রূয়ারী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে সারাদিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য লন্ডন থেকে আত্মীয় স্বজনদের প্রতি উদাত্ত আহব্বান!

লন্ডন থেকেঃ বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মেয়র নির্বাচনে যোগ্য প্রাথী প্রদান করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে এবং আগামী ১লা ফেব্রূয়ারী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে সারাদিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য লন্ডন থেকে আত্মীয় স্বজনদের প্রতি উদাত্ত আহব্বান

২৮/০১/২০২০ তারিখে যুক্তরাজ্য ও লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশী ব্যারিস্টার, সলিসিটর, এডভোকেট ও আইনজীবীদের আয়োজনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র নির্বাচন উপ্ লক্ষ্যে যুবলীগ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ফজলুল হক মনির সুযোগ্য সন্তান, বংগবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিসদ কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব,আইনজীবী নেতা, সদ্য ঢাকা ১০ আসনের সাবেক এম পি ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এবং ঢাকা উত্তর সিটির প্রাথী বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান জনাব আতিকুল ইসলাম এর নির্বাচনি ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে নৌকা মার্কার সমর্থনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থীত ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনির রাজনৈতিক সহযোদ্ধা যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটির সাবেক ছাত্র নেতা ১/১১ পরিক্ষিত সৈনিক যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জনাব সৈয়দ সাজেদুর রহমান ফারুক ।

https://youtu.be/OERxW7e4_5স

পূর্ব লন্ডনের স্বনামধন্য ল’ফার্ম E1SOLICITORS এর প্রিন্সিপাল ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী মৎসজীবী লীগ উপদেস্টা ব্যারিস্টার ইমরান চৌধুরী জনির সভাপত্বিতে এবং সাবেক সরকারি আইনজীবী ১/১১ এর আন্দলন সংগ্রামে পরীক্ষিত,লন্ডনে বংগবন্ধু আইনজীবী সংঘটনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব, কচুয়ারডাক সম্পাদক লন্ডন প্রবাসী এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটোর সুদক্ষ পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার মমিনুল হক, ব্যারিস্টার সলিসিটর কামরুল হাসান, এডভোকেট জিয়াউল হক গাজী, এডভোকেট শাহ আহমেদ শামীম, সলিসিটর জিন্নাত আলী, এডভোকেট মিজানূর রহমান সহ যুক্তরাজ্য আওয়ালীগ দপ্তর সম্পাদক শাহ শামীম আহমেদ, শিল্প ও বানিজ্য সম্পাদক আ স ম মিসবাহ, বন ও পরিবেশ লন্ডন মহানগর সম্পাদক নাসির উদ্দীন, যুক্তরাজ্য জাসদ সহ-সভাপতি মজিবুল হক মনি, গৌরব একাত্তরের সভাপতি আবুদুর রাজ্জাক মোল্লা। যুক্তরাজ্য যুবলীগ সহ-সভাপতি নাজমুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য যুবলীগ যুগ্ন- সম্পাদক ও মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব জুবায়ের আহম্মেদ, যুক্তরাজ্য সেচ্ছাসেবকলীগ সহ-সভাপতি ঢাকা লালবাগের সন্তান ফয়েজ খান তৌহিদ, যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন জয়, মৎসজীবী লীগ সদস্য সচিব জালাল করিম, জাসদ নেতা মিজানুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ, আওয়ামী লীগ নেতা ফজলুল খান, রিপন আহমেদ প্রমুখ ও যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতৃবৃন্দ। আগত অতিথিগন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যোগ্য প্রাথী প্রদান করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামী ১লা ফেব্রূয়ারী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে সারাদিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য লন্ডন থেকে আত্মীয় স্বজনদের প্রতি উদাত্ত আহব্বান জানান।

ব্যারিস্টার এনামুল হক বাংলাদেশ থেকে টেলিফোনে মতবিনিময় সভায় থাকেতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং যুক্তরাজ্য আইনজীবীদের পক্ষে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি ঢাকায় কাজ করবেন বলে জানান,এডভোকেট উতফল বিশ্যাস অসুস্থ থাকায় না আসতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন।

ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম পারিবারিক কারনে না আসতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করান, সলিসিটর আনোয়ার খান তার একমাত্র ভাগিনা আইনজীবী বন্ধু ব্যারিস্টার মেহেদী সৌদি আরবে কাজের স্থলে পরলোক গমন করলে লন্ডনে আইনজীবীদের মাঝে এক শোকের ছায়া নেমে আসে, আগত আইনজীবীগন তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অতঃপর অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার ইমরান চৌধুরী জনি ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপসের ঢাকা বাসীর জন্য লিখা খোলা চিঠিটি পড়ে শোনান! আমাদের ঢাকা আমাদের ঐতিহ্য!
ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস
মেয়র প্রার্থী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
খোলা চিঠি

আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই আল্লাহ্ রাব্বুল আল-আমীনের শুকরিয়া আদায় করি। যে ঢাকাতে হারিয়েছি আমার পিতা-মাতাকে, কাটিয়েছি শৈশব এবং কৈশোরের দিনগুলো, পড়াশুনা, খেলাধুলা, আর আড্ডায় মেতেছি বন্ধুদের নিয়ে-বেড়ে উঠেছি, আবদ্ধ হয়েছি বিবাহ বন্ধনে-আজ বৃহৎ পরিসরে সেই ঢাকাবাসীর সেবার লক্ষ্যে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছি।
আমার রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি ঢাকা ১০ (ধানমন্ডি-হাজারীবাগ-কলাবাগান-নিউমার্কেট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। এখানকার জনগণ অনেক ভালোবাসা-আদর-স্নেহে আমাকে আলিঙ্গণ করে গত তিন মেয়াদের ১১ বছরে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছিল। রাজধানী ঢাকায় নাগরিকদের মৌলিক সুবিধা ও উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমার মনে হয়েছে এই ঐতিহ্যবাহী ঢাকাবাসীর জন্যে বৃহৎ পরিসরে কাজ করা ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়া জরুরী। সেই তাগিদেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
আমাদের প্রাণের ঢাকা-কে নিয়ে আমার কিছু পরিকল্পনা:
১। ঐতিহ্যের ঢাকা: চারশত বছরের পুরনো আমাদের এই ঢাকার রয়েছে নিজস্ব ইতিহাসের উজ্জ্বল ছবি ও ঐতিহ্যের গভীর শেকড়, প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব। এখানে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদও অনন্য। সাংস্কৃতিক ধারায় রয়েছে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আয্হা, পহেলা বৈশাখ, ঘুড়ি উৎসব, চৈত্র সংক্রান্তি-সহ অজস্র উৎসব। আমি র্নিবাচিত হলে সকলকে নিয়ে সমন্বিত প্রয়াসে মহাপরিকল্পনা ও সুব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যকে পুনরদ্ধার ও সংরক্ষণ করে ঢাকা-কে তার স্বকীয় গৌরবে সাজিয়ে তুলে ধরবো বিশ্ব দরবারে।
২। সুন্দর ঢাকা: বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা দুই নদীর অববাহিকায় পত্তন হওয়া এমন শহর পৃথিবীতে বিরল। সুন্দর ঢাকা গড়ে তুলতে সবুজায়ন, পরিবেশ বান্ধব স্থাপনা বৃদ্ধি ও বায়ু দূষণ রোধ করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ নিশ্চিত করা, নারী-শিশু ও প্রবীণদের জন্যে হাঁটার উন্মুক্ত স্থান, র্দীঘমেয়াদি পরিকল্পনায় বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যার পাড় ঘিরে বনায়ন, বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনসহ ব্যাপক সৌন্দর্য বর্ধনের মাধ্যমে সুন্দর ঢাকা গড়তে চাই।
৩। সচল ঢাকা: যানজটের কারনে রাস্তায় চলাচল হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো ও ফিরে আসতে নিরন্তর সংগ্রাম করতে হয়, বিশেষ করে কর্মজীবী নারীদের বিড়ম্বনা অপরিসীম। আমরা গণপরিবহনের সুব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কিছু রাস্তায় দ্রুত গতির যানবাহন, কিছু রাস্তায় ধীর গতির যানবাহন, আবার কিছু রাস্তায় শুধু মানুষ হাঁটার ব্যবস্থা করবো। নদীর পাড়ে থাকবে সুপ্রশস্ত রাস্তা, যেখানে পায়ে হেঁটে চলা যাবে, চালানো যাবে সাইকেল, রিক্সা ও ঘোড়ার গাড়ি। দ্রুতগামী যানবাহনের জন্য থাকবে আলাদা পথ, থাকবে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা। এভাবে গড়ে তুলবো আমাদের সচল ঢাকা।
৪। সুশাসিত ঢাকা: ঢাকায় একসময় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ছিল। আমরা মাদক নির্মূলসহ, এলাকাভিত্তিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা কার্যকর করবো। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন হবে সম্পূর্ণ দুর্নীতি মুক্ত সংস্থা। বছরের ৩৬৫ দিন, সপ্তাহের ৭ দিন, ২৪ ঘন্টা নাগরিক সেবা প্রদানের জন্য খোলা থাকবে। মশকের প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস, মশক নিধন ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে দৈনন্দিন ভিত্তিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইন, বিধি ও নীতিমালার কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ঢাকা’র উন্নয়ন ও সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সিটি কর্পোরেশনের নিকট সমন্বিতভাবে দায়বদ্ধ করা হবে।
৫। উন্নত ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত রূপকল্প ২০৪১ সালে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ এর উন্নত রাজধানী ঢাকা গড়তে দীর্ঘ ত্রিশ বছর মেয়াদী মহা-পরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রত্যেকটি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মান নিরূপণ করে অন্তত দশ বছর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা হবে।
আমাদের এই ঢাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির আলিঙ্গনে, নানা গোত্র-বর্ণের সাংস্কৃতিক গৌরবময়তায় ও ঐতিহ্য মন্ডিত ঢাকা। এই ঢাকাতে জন্মেছি, বড় হয়েছি, সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্বপ্ন দেখি এই ঢাকা-কে ঘিরে। ঢাকা বলতে আমার বেড়ে উঠা এই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকাকেই বুঝি। ব্যথাতুর হীম বুকে তাকিয়ে দেখি, এখানেই পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কালো রাতে স্বপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সাথে হারিয়েছি আমার বাবা-মাকে। কিন্তু বিগত দিনে এখানেই পেয়েছি স্নেহ-ভালবাসা-বন্ধন। এই ভালবাসাকে পুঁজি করেই, স্বপ্নের উন্নত ঢাকা’র পথ চলায় আপনার আস্থা ও সমর্থনই আমার পাথেয়। আপনাদের সমর্থনে নির্বাচিত হলে নাগরিক সব মৌলিক সেবা ৯০ দিনের মধ্যেই নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ।
এই ঢাকা আমাদের সবার প্রাণের ঢাকা। আমি আশা করি, আগামী ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উন্নত ঢাকা গড়ে তুলতে সুযোগ দিবেন।
শুভেচ্ছা নিরন্তর, অনবরত, অবিরল ধারায় . . .
(শেখ ফজলে নূর তাপস)
ব্যারিস্টার-এট-ল
মেয়র প্রার্থী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন

90 total views, 1 views today