পৌর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী ইকবাল আজিজ শাহীনের হৃদয় বিদারক স্ট্যাটাস

—————–
একজন উপজেলা চেয়ারম্যান এর বউ মাস্তানের মতো মাস্তানি করে চোখের সামনে না গঠলে বিশ্বাস হতো না!!

শাহাবাগ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি কচুয়ার সন্তান জি এম আতিক ভাইয়ের ছেলের বৌ ভাতে অন্য আর দশ জনের মতো আমি ও আমন্ত্রণ পেলাম। একবার ভেবে ছিলাম যাবো না কিন্তু বাদ সাজলো কচুয়ার আরেক নেতা শাহজাহান ভাই সন্ধ্যায় অনুষ্ঠান। বেলা দুইটার দিকে শাহজাহান ভাইয়ের ফোন। শাহীন দাওয়াত পেয়েছোতো, আতিক ভাইয়ের ছেলের বৌ ভাতের, বললাম ভাই পেয়েছি আতিক ভাই ফোন করে দাওয়াত দিয়েছে। বললো অবশ্যই আসবা। রাস্তায় ছিলাম কথা আর বেশি হলো না। শুধু শাহজাহান ভাই কে বললাম, ভাই চেষ্টা করবো। রাত ৯ টায় রওনা দিলাম যাওয়ার পথে শিশির ভাই কে ফোন দিলাম ভাই আপনি দাওয়াতে আসবেন’তো শিশির ভাই বললো পথে আছি। আরো দু’চার জনের সাথে কথা হলো যাওয়ার পথে। গিয়ে দেখলাম সব নেতার আসছে যথারীতি মেনন ভাই এমপি, কামরুল ভাই এমপি, রুহুল ভাই এমপি, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মেয়র তাপস ভাই। জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা কচুয়ার আরেক সন্তান ড. সেলিম মাহমুদ সহ ঢাকা মহানগরের বহু নেতা কর্মী কচুয়ার প্রায় সবাই আনন্দময় এক পরিবেশ।

খাওয়া দাওয়া শেষ করে ৯০ দশকের ছাএনেতা রহিমনাগর শেখ মুজিবুর রহমান কলেজের সাবেক জি এস বন্ধু সুমন কে নিয়ে নিচে গেলাম, সাথে মাসুদ ব্যাংকার, এডভোকেট জাহাঙ্গীর, চাঙিনীর ইউসুফ, কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা জুনাসরের প্রিয় রফিক ভাই সহ আমরা বিভিন্ন কথা বলছি হঠাৎ দেখলাম কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শিশির ভাই, এগিয়ে গেলাম, সাথে শিশির ভাইয়ের বউ কে লক্ষ্য করলাম। দেখলাম মাসুদ কে লক্ষ্য করে শিশির ভাই এর বউ খুঁজ খবর নিচ্ছে কথা বলছে আমরা দাঁড়িয়ে। মাসুদের সাথে কথা শেষ করে, কিছু বুঝে উঠার আগে অগ্নি মুখয়াব ধারণ করে, চোখ রাঙিয়ে আমাকে বলছে এই শিবির তুই আমাকে নিয়ে ফেস বুকে আর কিছু লিখবি না ! তুই যদি এক বাপের ছেলে হস !! তোকে আমি চেয়ে নেবো বেয়াদপ ! আমরা সবাই অভাক, শিশির পেছন থেকে বউ কে দমকের সুরে ডাক দিলো, সে থামলো না, উল্টা শিশির ভাই কে ধমকাচ্ছে গনগন করে গাড়ীতে উঠলো। আমার জীবনে বহু নারীকে দেখিছে বহু মাস্তানের গল্প শুনেছি এমনটা চোখে পড়ে না। আহারে বেচারা চেয়ারম্যান যে, কি কষ্টে আছে বুঝতে বাকী নেই। আমি যতটা না কষ্ঠ পেয়েছি তার চেয়ে বেশি কষ্ট লেগেছে একজন চেয়ারম্যানের অসহায় চেহারা দেখে। মেয়ে মানুষের সাথে রাস্তায় কথা কাটাকাটি মারামারি করা পরিবার থেকে শিক্ষা পাইনি। তাই এই লেডি মাস্তানের সাথে কথা বলি না। বলতে ও চাই না। বস্তিতে বসবাস করা নারীদের মতো কোন ঝগড়াটে নারীর সাথে। দুঃখ হয় এটা ভেবে কিসের এতো অহংকার এই ঝগড়াটে নারীর!! গেল গত উপজেলা নির্বাচনে শিশির ভাইয়ের চোখের পানি যারা দেখেছে তাঁরা ও কেঁদেছে নৌকা প্রতিক পাওয়ার পর ও ১০৯ কেন্দ্রের মধ্যে নৌকা ১৯ কেন্দ্রে পাশ এই নিয়ে চেয়ারম্যান !!

এর আগে পরে ও শুনেছি এই লেডি মাস্তান বহু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। এই বার নিজের চোখে দেখলাম,আর ভাবলাম হায়রে কচুয়ার মানুষ, জননেতা ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যার গত ৯৬ থেকে মন্ত্রী, এমপি। কোন দিন কচুয়ার একটা মানুষ বলতে পারবে না। উনার পরিবারের কোন সদস্য কচুয়ার কোন মানুষের সাথে এতটুকু খারাপ আচরণ করেছে। থাকতো মিসেস সিতারা আলমগীর কচুয়ার কোন মানুষ কে একটা দমক দিয়েছে। আর দেড় টাকার মানুষ কত ক্ষমতা নিয়ে চলে। যাদের কারণে চেয়ারের মালিক তাঁদের কে চোখ রাঙিয়ে কথা বলে !!! গত উপজেলা নির্বাচনে দুই দিন দুই রাত ঘুমাতে পারি না। শিশির ভাইয়ের বোনের জামাই জাহিদ ভাই এখনো বেঁচে আছে। জাহিদ ভাইয়ের বন্ধুরা, ভোলার ফয়েজ ভাই। ঢাকা থেকে তিতুমীর ভাই, খবরা খবর নিয়েছেন। আজকের এই দিন টা মনে হয় দেখার অপেক্ষায় ছিলোম জাহিদ ভাই, ফয়েজ ভাই, তিতুমীর ভাই। আমি আমার শতভাগ পেয়েছি আপনাদের কথা মনে রাখবো। আমি মাঠের কর্মী মাঠেই দেখা হবে আমার। সব শেষে শুধু এ টুকু বলবো কোন প্রতিপক্ষ নেতার ঘরে যেনো এমন বউ না পড়ে, ছি লেডি মাস্তান ছি !!! শাহীনরা এই সব ভয় পায় না।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

ইকবাল আজিজ শাহীন
সাধারণ সম্পাদক
কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগ
কচুয়া -চাঁদপুর।

বিঃদ্রঃ উক্ত লিখা ইকবাল আজিজ শাহীন এবং তার ব্যাক্তিগত কচুয়ারডাক সম্পাদকীয় দায়ী নয়!

98 total views, 2 views today