কচুয়ার সেলিম মাহমুদ দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে পারেন সাংসদ শহিদুল ইসলাম পাপুলের টাকা গেছে আ.লীগ নেতাদের পকেটেও!

কচুয়ারডাক বিশেষ প্রতিবেদকঃ দুদুক মামলা থেকে বাঁচতে সেলিম মাহমুদের জোড় তদবির সাংসদ শহিদের টাকা গেছে আ.লীগ নেতাদের পকেটেও!
লক্ষ্মীপুরের ৩৯ জনকে টাকা দেওয়ার একটি হিসাব দুদকে দাখিল করেছেন শহিদের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম-
লক্ষীপূর আলোচিত সাংসদ মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের (পাপুল) কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন রায়পুরের আওয়ামী লীগ নেতা ইসমাইল খোকনও। ১৭ মাসে ৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯০ টাকা দেওয়া হয় তাঁকে। ইসমাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও রায়পুর পৌরসভার মেয়র। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র আবু তাহেরের আপন ভায়রা।
দলীয় নেতা–কর্মীরা বলছেন, দলের সাধারণ সম্পাদক, মেয়র পদবি ও প্রভাবশালী নেতার আত্মীয় হওয়ায় নানা বিষয় ‘ম্যানেজ’ করতে এই টাকা দেওয়া হয়। তিনি সব টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ইসমাইল দাবি করেন, দলীয় কাজে ব্যয়ের জন্য তাঁকে টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন আসল রহস্য উদ্‌ঘাটনে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শহিদ ইসলাম, তাঁর স্ত্রী এমপি সেলিনা ইসলাম, শ্যালিকা জেসমিন প্রধান ও মেয়ে ওয়াফা ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ রাখা এবং অর্থ পাচারের অভিযোগে গত বুধবার দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা করেন।
লক্ষ্মীপুরের ৩৯ জনকে টাকা দেওয়ার একটি হিসাব সেলিনা ইসলাম দুদকে দাখিল করেন তিনি বলেন দুদক আমাকে ডেকেছে, আমাকে দেওয়া টাকা দলীয় কাজে কোথায় খরচ করেছি, সে হিসাব দিয়েছি। আমার ব্যাংক হিসাবে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘এমপি হওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেছেন শহিদ ইসলাম। এমপি হওয়ার পর আমার সঙ্গে তাঁদের আর বনিবনা হয়নি। এ কারণে তাঁরা এখন আমার বিরোধিতা করছেন
ইসমাইল খোকন, রায়পুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
মানব পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে শহিদ গত জুনে গ্রেপ্তার হয়ে কুয়েতের কারাগারে আছেন। সে দেশের আদালতে তাঁর বিচার চলছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অঢেল টাকা ঢেলে এবং আওয়ামী লীগের সমর্থনে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র (রায়পুর-লক্ষ্মীপুর সদরের আংশিক) সাংসদ হন তিনি। পরে তাঁর স্ত্রী সেলিনা ইসলামও সংরক্ষিত আসনের সাংসদ হন।
২০১৭ সালের ১২ মার্চ থেকে ২০১৮ সালে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বেশ কয়েক ধাপে ইসমাইল খোকনকে টাকা দেন সাংসদ শহিদ। তাঁর স্ত্রী সেলিনা ইসলাম টাকার এ হিসাব দুদকে দাখিল করেছেন। তাতে দেখা যায়, খোকনের বেসরকারি ব্যাংকের রায়পুরের শাখায় দুটি হিসাব রয়েছে। এশিয়া এন্টারপ্রাইজ নামের ওই দুটি হিসাবে বিভিন্ন ধাপে প্রায় ৪ কোটি টাকা দিয়েছেন শহিদ। এর মধ্যে একটি হিসাবেই দিয়েছেন অধিকাংশ টাকা। এক ধাপে সর্বোচ্চ দিয়েছেন ৫০ লাখ টাকা, ২০১৮ সালের ৩ জুন। এর আগে ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট দেন ৪০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ব্যাংকের হিসাবের বাইরে নগদে দেন বাকি টাকা। এ ছাড়া ২০১৮ সালের ২৯ মে খোকনের চিকিৎসা বাবদ দেন ৫ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের ১৬ আগস্ট হজ করার জন্য দেন ৫ লাখ টাকা।
তবে রায়পুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খোকন প্রথম আলোকে বলেন, ‘লক্ষ্মীপুরের ৩৯ জনকে টাকা দেওয়ার একটি হিসাব সেলিনা ইসলাম দুদকে দাখিল করেন। দুদক আমাকে ডেকেছে, আমাকে দেওয়া টাকা দলীয় কাজে কোথায় খরচ করেছি, সে হিসাব দিয়েছি। আমার ব্যাংক হিসাবে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘এমপি হওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেছেন শহিদ ইসলাম। এমপি হওয়ার পর আমার সঙ্গে তাঁদের আর বনিবনা হয়নি। এ কারণে তাঁরা এখন আমার বিরোধিতা করছেন।’
বিভিন্ন খরচের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও রায়পুর পৌরসভার মেয়র ইসমাইল খোকনের মাধ্যমে প্রায় ৯ কোটি টাকা দিয়েছি। বিষয়গুলো নিয়ে দুদক তদন্ত করছে।
সাংসদ সেলিনা ইসলাম, শহিদ ইসলামের স্ত্রী
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কুয়েতে মানব পাচারে অভিযুক্ত এ সাংসদকে ২০১৬ সালের কোরবানি ঈদের আগে গ্রামের মানুষ চিনতেন না। গ্রামের বাড়ির সামনে মায়ের নামে একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান করতে গিয়ে এলাকাবাসীর নজরে আসেন তিনি। এরপরে শুধু টাকার জোরেই এলাকায় আলোচনায় আসেন তিনি। সস্ত্রীক সাংসদও হয়েছেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতি না করলেও সহিদ টাকা দিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খোকনসহ কয়েকজন নেতার ওপর ভর করেন।
শহিদের স্ত্রী সাংসদ সেলিনা ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের আয়ের টাকা কীভাবে খরচ করেছি বা কাকে দিয়েছি, সে বিবরণ দুদকে দাখিল করেছি। দলসহ বিভিন্ন খরচের জন্য মেয়র ইসমাইল খোকনের মাধ্যমে প্রায় ৯ কোটি টাকা দিয়েছি। বিষয়গুলো নিয়ে দুদক তদন্ত করছে।’
সাংসদ শহিদের কাছ থেকে এভাবে টাকা নেওয়ার সমালোচনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, কুয়েতে আটক হওয়ার আগে শহিদ ইসলাম প্রকাশ্যে সভায় বলেছেন, তিনি মেয়র ইসমাইল খোকনকে ৩০ কোটি টাকা দিয়েছেন। গত তিন বছরে তাঁকে এ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু খোকন দলীয় কাজে এ টাকা ব্যয় না করে অধিকাংশ টাকা আত্মসাৎ করেন। এতে নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে!
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে অন্ধকারে রেখে দলের তৎকালীন সময়ে দায়িত্বশীল না হয়েও পাপুলকে এমপি বানিয়ে শাহজাহান শিশিরের চেয়েও জেনে শুনে একজন মাফিয়াকে সাংসদ বানিয়ে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ ও মস্তবড় অন্যায় করেছেন সেলিম মাহমুদ এই দাবী আজ কচুয়ার আনাছে কানাছে চায়ের দোকানে সর্বস্তরের জনগণের!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য – তারা বলেন  শুধু পাপুল দম্পতি নয় সংশ্লিস্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনা উচিৎ অন্যথায় একটি অপরাধের বিচার না হলে হাজারো অপরাধের জন্ম নেয়, সবার মুখে বড় বড় কথা মানায় না,অপরাধি সবার সাজা পেতেই হবে, বংগবন্ধুর বাংলায় কোন অপরাধি আওয়ামীলীগ রাজনীতি করতে পারেন না, কচুয়াতে নয়ই, কচুয়ার মানুষ এখন খুব সচেতন ।
লক্ষিপূরের শহিদুল ইসলাম পাপুল কে সাংসদ হিসেবে পেতে একাদশ নির্বাচনে সেলিম মাহমুদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে জাতীয় গনমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, ধূর্তবাজ সেলিম মাহমুদ কথায় কথায় তার নিজের ও পরিবারের অন্যায় ঢাকতে প্রধানমন্ত্রীর দোহাই ও বন্ধনা করে চলছেন তা অত্যান্ত দু:খজনক বলে দাবী করছেন স্থানীয় এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নেতারা,দু্দক সেলিম মাহমুদকে যে কোন সময় ডাকতে পারেন বলেও জানান।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য
উল্লেখ্য পাপুল সেলিনা দম্পতি সাংসদ সদস্য নির্বাচিত ও উত্থানে সেলিম মাহমুদের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও সুপারিশ রয়েছে,দেশের বিভিন্ন জাতীয় গনমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার করা হলেও এই পর্যন্ত মুখ খুলেন নি আই আলোচিত শিক্ষক নেতা, অদৃশ্য কারনেই দুদক মামলায় তাকে আসামী করা হয়নি বিধায় বিস্ময় প্রকাশ করেন কচুয়ার স্থানীয় জনগন ও বিভিন্ন আওয়ামী সহযোগী সংঘঠনের সদস্যগন,তারা উদ্ভেগ প্রকাশ করে বলেন কুয়েতে পাপুল কে যারা সহায়তা করেছেন কুয়েতের স্থানীয় সাংসদসহ অনেকের বিরুদ্ধেই মামালা হয়ে এখন তা বিচারাধীন রয়েছে, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার প্রায় পঞ্চাশ বছরের ইতিহাসে এবারই কোন সাংসদ ভিনদেশে বিচারের সম্মুক্ষিন হলেন,তা দেশ ও জাতি হিসেবে আমাদের জন্য কলঙ্ক ও দুঃখজনক বটে,চূড়ান্ত রায়ে বাংলাদেশ দুনিয়াব্যাপি চ্যালেঞ্জ ও নেতিবাচক সমালোচনার মুখ পড়তে পারেন বলে ধারনা করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন।  কচুয়ার জনপ্রিয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা ও উচ্চ আদালতে গিয়ে জামিন ঠেকানোর জন্যও কচুয়ার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীগন এই সেলিম মাহমুদকেই দায়ী করেন, তারা এই প্রতিবেদক কে আরো বলেন সেলিম মাহমুদ আইনের ছাত্র ও শিক্ষক হিসেবে তার মেধা আইনের অপপ্রয়োগই সবচেয়ে বেশি করছেন এখন, তার রাজনীতীতে আসার চেয়ে শিক্ষকতাই শ্রেয় ছিল বলে তারা দাবী করেন, রাজনীতিতে এসেই অতি লোভ ও বিতর্কি তার জন্য টিকে থাকাই এখন কঠিন চ্যলেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সম্প্রতি তার কাছ থেকে রক্ষা পায় নি তার এক সময়ের সহকর্মী, বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সটির ভিসিও, তাকেও একটি অনলাইনের লেখা কে কেন্দ্র করে পেশাদার চোর (চৌর্যাবৃত্তি) বলে আখ্যায়িত করলে তা দেশে বেদেশে চরম ঝড় তোলে, প্রেফেসর কলিমউল্লাহ লাইভে অভিজোগ প্রত্যাখান করে এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে জানান, এবং উক্ত জুনিয়ার লেকচারারের(সেলিম মাহমুদের) কড়া সমালোচনা করেন।