ইসলামের বিধান মতে মাহে রমজানে আপনার ব্যক্তিগত সম্পত্তির কত অংশ যাকাত দিতে হবে জেনে নিন!

মাহে রমজানে আপনার ব্যক্তিগত সম্পত্তির কত অংশ যাকাত দিতে হবে!

ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হচ্ছে যাকাত। রমজান মাসেই সাধারণত মানুষ যাকাত প্রদান করে। হযরত মুহাম্মদ (সা:) যখন ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় গিয়ে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা চালু করেন। তখন রাষ্ট্রে যাকাত ব্যবস্থা চালু হয়।

যাকাতের পরিমাণ কিভাবে নির্ধারণ করবেন? স্বর্ণের নিসাব হলো বিশ মিছকাল তথা ৭.৫ ভরি বা তোলা সমান (৮৭.৫১৪ গ্রাম প্রায়)। আর রূপার নিসাব হলো দুইশত দিরহাম তথা ৫২.৫ ভরি বা তোলা (৬১২.৬০২ গ্রাম প্রায়)। অন্যান্য ব্যবসার ক্ষেত্রে নিসাব হলো স্বর্ণ বা রূপার উক্ত পরিমানের মূল্যের সঙ্গে মিলানো, দুইশত দিরহাম রূপার যে বিক্রয় মূল্য সে পরিমাণ যদি কারো ব্যবসায়ী সম্পদ থাকে তাহলে সেই ব্যবসার মালের ওপর যাকাত ফরজ হবে। (আল বাদায়ে ২/১০০, দুররুল মুখতার ৩/২২৪, ফাতওয়া শামী ৩/২২৪)

স্বর্ণ রূপা বিক্রয় মূল্য হিসাবে যাকাত দিতে হবে: কারো নিকট যদি স্বর্ণ বা রূপার অলংকার থাকে তাহলে তা বর্তমান বাজারে বিক্রয় করতে গেলে যে মূল্য পাওয়া যাবে সেই মূল্যের চল্লিশ ভাগের এক ভাগ যাকাত দেয়া আবশ্যক। (ফাতওয়া মাহমুদীয়া: ১৩/৯৬, দারুল উলুম: ৬/১০৮বাদায়ে ২/১১০, তাতারখানিয়া ৩/১৬৫, হিন্দিয়া ১/১৮০)

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যাকাত ফান্ডের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ বলেন, হাতে গচ্ছিত নগদ অর্থ, শেয়ার সার্টিফিকেট, প্রাইজবন্ড ও সার্টিফিকেটসমূহ, স্বর্ণ-রৌপ্য, মূল্যবান ধাতু ও সোনা-রুপার অলংকার, বাণিজ্যিক সম্পদ ও শিল্পজাত ব্যবসায় প্রতিশ্রুত লভ্যাংশ, উৎপাদিত কৃষিজাত ফসল, পশু সম্পদের মধ্যে ৪০টির বেশি ছাগল বা ভেড়া, ৩০টির বেশি গরু-মহিষ ও অন্যান্য গবাদি পশু, খনিজ দ্রব্য, প্রভিডেন্ট ফাণ্ড এই সব কিছুর ওপর যাকাত দিতে হবে। কিন্তু সেটা হিসাব অনুসারে দিতে হবে।

তিনি বলেন, নিসাবের মালিক হবার এক বছর পূর্তির পর যাকাত ফরয হয়। তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিধানে যাকাত দিতে হবে না এমন জিনিসের তালিকায় রয়েছে জমি, কল-কারখানা, ওয়্যার হাউজ, গুদাম, দোকান, বাড়ি, পোশাক, এক বছরের কম বয়সী গবাদি পশু, চলাচলের যন্ত্র ও গাড়ি, সরকারি মালিকানাধীন নগদ অর্থ, স্বর্ণ-রৌপ্য। এই সম্পদের যাকাত দিতে হয় না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুরাইয়া আক্তার বলেন, কোনও ব্যক্তির মোট সম্পত্তি যার অর্থ নির্ধারণ করা যায়, সেটি যদি এক বছরের বেশি সময় ধরে তার অধিকারে থাকে, তাহলে সেই সম্পদ ও সম্পত্তির ওপর যাকাত দিতে হবে। এই সম্পদের আড়াই শতাংশ হচ্ছে তার যাকাত।

তিনি বলেন, যাকাত প্রাপ্তিরা হচ্ছেন, ভিক্ষুক, মিসকিন ঋণগ্রস্ত, যাকাত আদায়কারী কর্মচারী, নওমুসলিম, আল্লাহর পথে এবং মুসাফির।

সৌজন্যেঃ‘’কাদলা সোলায়মানীয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা’’

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম,আল্লাহু আকবার-আল্লাহু আকবার-নারে রিসালাত ইয়া মোহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ(সাঃ)

আহলান সাহলান মাহে রমজানুল মুবারক!
প্রিয় সুধী,
আসসালামুআলাইকুম, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম নায়েবে নবী তৈরির মারকাজ-ছাত্রদের আমল আখলাকে, আকিদায় শিক্ষা দীক্ষায় আরও বিজ্ঞ আরও আল্লাহওয়ালা হিসেবে গড়ে তুলতে একটি উন্নত জাতী ও সমাজ গঠনে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ১৯৮৫ সালে ছারছীনায় প্রথম দ্বীনিয়া মাদ্রাসা চালু হয়। দ্বীনিয়া মাদ্রাসার লক্ষ ও উদ্দেশ্য হলো আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মতাদর্শে উজ্জীবিত সুন্নতে নববীর মোজাচ্ছাম নমুনায় পার্থিব স্বার্থ বিমুখ একদল হক্কানি আলেম তথা নায়েবে নবী তৈরি করা, যারা হবেন লাদিনিয়াত, বেদয়াত, কুসংস্কার, বদ-আকীদা মোকাবিলায় আপোষহীন।
বাংলাদেশ এবং উপমহাদেশের প্রখ্যাত আল্লামা হযরত মাওলানা শাহ্ ছুফী নেছারুদ্দীন আহমদ (রহঃ) ছারছীনা দরবারের শরীফের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ও মুরীদানের উদ্যোগেই চাঁদপুর জেলা কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কাদলা গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত ‘’কাদলা সোলায়মানীয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা’’
ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ পহেলা রমজান থেকে উক্ত মাদ্রাসায় ভর্তি চলছে
দ্বীনি শিক্ষা বিভাগঃ নূরানী নাজেরা , হেফজ ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত কারিগরি বিভাগ (আসন সংখ্যা সীমিত)
ভর্তির নিয়মাবলীঃ অভিভাবক ও ভর্তি ইচ্ছুকদের ২ কপি ছবি, জন্ম-সনদসহ মাদ্রাসা অফিস থেকে নির্ধারিত ফিস দিয়ে ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে।
বৈশিষ্ট সমুহঃ
স্বল্প সময়ে অক্ষরজ্ঞান থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ আল-কোরআন বিশুদ্ধভাবে শিক্ষাদান।
দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিক্ষক মন্ডলী দ্বারা পাঠদান।
বিশেষ ও অমনোজোগী শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে পাঠদান।
দ্বীনিয়া ও মাদ্রাসার নিজস্ব মানসম্মত সিলেবাসের মাধ্যমে পাঠদান।
আরবী বাংলা ও ইংরেজির উপর দক্ষতা অর্জন।
বিজ্ঞ আলেম ও মুফতীগনের পরামর্শে পরিচালিত।
আধুনিক কম্পিউটার ও কারীগরী শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ।
আদর্শ জীবন গঠনে ইস্লামিক মোটিভেশনাল প্রোগ্রাম।
সার্বক্ষণিক বিদুৎ ব্যবস্থা।
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম।
সি সি ক্যামরা ধারা সার্বক্ষনিক ক্লাস মনিটরিং এর ব্যাবস্থা।
ইয়াতিম ও গরীব ছাত্রদের পড়া, থাকা ও খাওয়ার খরচ সম্পূর্ণ ফ্রি!
বার্ষিক মাহফিল ও পুরস্কার বিতরণীর ব্যাবস্থা করা।
ভর্তির প্রয়োজনেঃ WhatsApp IMO ০১৯৬৯৪০৩০০৮, ০১৮৮৭৪৫৮০৭০, ০০৪৪০৭৯৩২৮৪৪৯২৯
ই-মেইলঃ kadladeniamadrasha@gmail.com
মাদ্রাসার দানের জন্য আমাদের বিকাশঃ০১৯৬৯৪০৩০০৮ , ০১৭৮৭৪২২৯৩০
কচুয়া শাখা দি সিটি ব্যাংকঃ একাউন্ট নাম্বার ২১০১১৮৮৪৭৪০০১
বিঃদ্রঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গাজী সোলায়মান-নাজমা ফাউন্ডেশান ফাউন্ডেশানের একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান রেঃজিঃ ০০০৩৪৫