কচুয়া উপজেলায় আবারও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃক সরকারী কর্মচারী লাঞ্চিত,বহাল তবিয়তে কাউন্সিলর আঃআল মামুন গ্রেফতারের দাবী!

কচুয়া পৌরসভার খুনি পরিবার খ্যাত ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আঃআল মামুনের বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ, ১০বছর  আগে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা এসিল্যান্ড  মারধরের মামলার আসামী এবং উক্ত মামলাও বর্তমানে বিচারাধীন ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ।  কোয়া চাঁদপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর  হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী (মামলা উচ্চাদালতে বিচারাধীন) সহ একাধিক মামলার আসামী হয়ে আবারও গত ২২/১১/২০২০ইং রোজ শনিবার আনুমানিক  রাত ১১টায় মদ্যপরত অবস্থায় মাতাল হয়ে তার দলবল সহ কচুয়া উপজেলা পরিষদের সামনের  রাস্তায়  প্রশাসন ভুমি কর্মকর্তা এসিল্যান্ড ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয়ের সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত  দুইজন  ড্রাইভারকে (সাগর এসিল্যান্ড ড্রাইভার-হাফিজ উপজেলা চেয়ারম্যানের ড্রাইভার) চরমভাবে  প্রহার মারধর ও রক্তাক্ত জখম করেন, বিষয়টি রাতের মধ্যেই জানাজানি হলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষতিগ্রস্তরা এবং উপস্থিত সাক্ষীগণ অভিযোগ করেন  উপজেলা প্রশাসনের ড্রাইভারকে মারধর করারর পরও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভূমি কর্মকর্তা সন্ত্রাসী ও খুনি পরিবারের কাছে আজ জিম্মি হয়ে পড়েছেন তা আজ উপজেলাবাসীর জন্য উদ্ভেগের কারন বটে।

কচুয়া উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্সিলর অভিযোগ করে এই প্রতিবেদক কে বলেন ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আঃআল মামুনের বিরুদ্ধে সরকারী কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন না করায় জনগণ উপজেলা প্রশাসন থেকে দিনে দিনে এখন আস্থা হারিয়ে ফেলেছে বলে কচুয়া পৌরসভার উক্ত কাউন্সিলর দাবী করছেন।

৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর  প্রাথী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই প্রতিবেদক কে বলেন ঘটণা সত্য এবং বিয়ার (মদ) নিয়ে উক্ত ঘঠনা ঘটে, দুইজন ড্রাইবারের মধ্যে জনাব হাফিজ কে বেশি মেরেছে তা অত্যান্ত দুঃখজনক, এবং তিনি উক্ত ঘঠনার জন্য দায়ীদের গ্রেফতারের দাবী জানান।

‘শেখ হাসিনার রাষ্ট্রে মাস্তানি চলে না’ লিখে কচুয়ার সেলিম মাহমুদ গত অক্টোবর মাসে আলোচনার ঝড় তুললেও একমাস পর ঠিক একই গঠনা ঘঠলো তার নিজ উপজেলায়……হাজী সেলিমের পুত্রের ঘটনাটি সকল গুণ্ডা মাস্তানদের জন্য আরেকটি পরিষ্কার বার্তা যে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। এই রাষ্ট্রে কোন গুণ্ডামি-মাস্তানির কোন সুযোগ নেই। সকল গুণ্ডামি-মাস্তানির বিরুদ্ধে  রাষ্ট্রযন্ত্র সক্রিয় রয়েছে বলে দাবী করেন আওয়ামীলীগের এই  কেন্দ্রীয় নেতা।

কে এই কাউন্সিলর আঃআলমামুন? বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদের আশীর্বাদপুস্ট উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের ভাই ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আঃমামুন। হাজী সেলিমের পুত্রের মারধরের ঘটনায় জেল, গ্রেফতার ও কাউন্সিলর পদ  থেকে বহিষ্কার হলেও সরকারী কর্মচারীদের মারাত্মক ভাবে মেরে বহাল তবীয়তেই  রয়েছেন কাউন্সিলর আঃমামুন। আইন সবার জন্য সমান একই গঠনায় আজ কচুয়া প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ মহলের নির্দেশে উক্ত গঠনা ধামাচাপা দেয়ার চেস্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা, একাধিক সুত্র মনে করছেন বিষয়টি যেহেতু কচুয়া পৌরসভার এখতিয়ারে রয়েছে তাই অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে পৌরসভার  প্রশাসন/মেয়র/সচিব অভিভাবক হিসেবে উক্ত কাউন্সিলরকে কারন দর্শাতে পারেন।

কচুয়া উপজেলা জনগণের দাবী অপরাধী সে যেই হউক কেউ আইনের উরধে নয়, তারা  অবিলম্বে গঠনা তদন্ত করে কচুয়ার স্থানীয় সাংসদ, জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় কমিশনার, ডিবি ডিসি ও স্থানীয় প্রশাসন এবং থানা কর্মকর্তাকে  অপরাধী  গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোড় দাবী জানান এবং সেই সাথে উক্ত ক্ষতিগ্রস্ত ড্রাইভারদের জীবননাশের হুমকি থাকায় তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থানা প্রশাসনের প্রতি আহব্বান জানান।

গতকাল এই প্রতিবেদক গঠনায় অভিজুক্ত কাউন্সিলর আ:মামুন কে বার বার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি!

ই মেইলঃ kachuardak@gmail.com