কচুয়ায় কাদলা ইউনিয়ন মানুষের কল্যানে কাজ করতে চান সফিকুল ইসলাম স্বপন

কচুয়া প্রতিনিধি ॥  আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচন নিয়ে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে জনগনের উৎসবে আর উৎকন্ঠ ততই বাড়ছে। কচুয়া উপজেলার ৮নং কাদলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি’র একান্ত লোক ও বিশিষ্ট সফল ব্যবসায়ী মো. সফিকুল ইসলাম স্বপন পাঠান। তিনি বর্তমান মহমারি করোনা ভাইরাসে মানুষের কর্মরোজগার বন্ধ হওয়ায় কারনে কাদলা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অসহায়,দিনমজুর, কর্মহীন প্রায় ৭শত পরিবার মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও বিভিন্ন ঈদ উৎসব আসলে ঈদ সামগ্রী বিতরন করে আসছেন। এছাড়াও এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,সামাজিক সংগঠ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক বিভিন্ন পদমর্যাদার অধিকারী তিনি রয়েছেন। তিনি ইউপি চেয়ারম্যোন পদে নির্বাচিত হলে কচুয়ার উন্নয়নের রূপকার ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি’র হাত ধরে একটি দূনীর্তি হিংসাত্বক মনোভাব পরিহার করে এ ইউনিয়নকে একটি আর্কশনীয় পর্যটন কেন্দ্র রুপান্তিরিত করে দূনীতি মুক্ত, পরিচ্ছন্ন, আধুনিক, নাগরিক দূর্ভোগ ,মুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এলক্ষ্যে তিনি এবার ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিভিন্ন স্থরের মানুষের সাথে কথা বলে মানুষের চাওয়া,পাওয়া এবং জনদূর্ভোগের কথা শুনছেন। তিনি কাদলা ইউনিয়ন সমস্য ও তার সমাধান, নির্বাচনী পরিকল্পনা, চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে তাঁর উন্নয়ন-পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী সফিকুল ইসলাম স্বপন পাঠান প্রার্থীর বিষয়ে বলেন, প্রথমত আমি এই ইউনিয়নের সন্তান।আমার পারিবারিক ও সামাসিজক ভাবেই সবার কাছে পরিচিত। পরিচিত জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আর্দশের সংগ্রামী সৈনিক আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান। তাই সবাই চাইছে আমি এবার ইউনিয়ন নির্বাচন করি। সবার চাওয়া ও দাবীর প্রতি সম্মান দিয়েই আমার এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এবং আমার এলাকার সার্বিক অবকাঠামোর পরির্বতনের জন্যই প্রার্থী হতে চাই।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনী প্রচারে দিক নিয়ে বলেন, আমি প্রার্থী হয়েছি সবার চেয়েছে বলে।প্রার্থী ঘোষনা দেওয়ার পর থেকেই ইউনিয়ন সর্বস্থরের জনসাধারন খুবেই আন্দদিত। কারন তাদের চাওয়া আমি রেখেছি ও প্রার্থী হয়েছি। এখন যদি তাদের চাওয়া অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন পাই তাহলে তাদের আনন্দের শেষ থাকবে না আমার বিজয় নিশ্চিত করবে সবাই। যার ফলে আমার নেতাকর্মী ও সমর্থক ছাড়াও আমি একজন তরুন প্রার্থী হিসেবে ইউনিয়ন যেখানই যাচ্ছি জনগনের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি। আমাকে সবাই সাদরে গ্রহন করছে।

তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হলে ইউনিয়ন বাসীর জন্য সেবা বিষয় বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে ব্যবসায়ী করে আসছি, আমার বাবা এই এলাকার একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ছিলেন, আমার কোনো পিছুটান নেই, অর্থেও প্রতি কোনো লোভ নেই, আছে সম্মান আর জনগনের সেবা করে ভালোবাসার পাবার লোভ। ইউনিয়নের তৃনমূলের জনসাধারনের চাহিদা আজও পূরন করতে এসেছি। আমি এমন একটি কাদলা ইউনিয়ন পরিষদ গড়তে চাই যেখানে জনগনের অধিকারের প্রতিফলন ঘটবে। জনগের যে অধিকার আছে সেই অধিকার ও ইউনিয়ন পরিষদের সেবা তাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়ে অবহেলিত মানুষের সেবাই নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। এবং ইউনিয়নের পরিষদকে একটি জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহন করছি ইউনিয়ন আমি দলীয় বা প্রভাবশালীদের নয়, অসহায় মানুষের পাশে সেবা করতে চাই।
সফিকুল ইসলাম স্বপন পাঠান জয়ের ব্যাপারে বলেন, আমি বিজয়ের জন্য শত ভাগ আশাবাদী। কারন সবার সমর্থন, চাওয়া ও পাওয়া, আশাবাদী দাবীর প্রেক্ষিতেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। দেশের ভোটারের অনেকটা অংশই তরুর ভোটার তারাই সবাই আমাকে ব্যাপক ভাবে উৎসাহ দিচ্ছে। সাথে সর্বস্থরের জনসাধারন সমর্থন পাচ্ছি। জনগন আমার পাশে আছে এখন দলীয় সমর্থন থাকলেই বিজয় সুনিশ্চিত।