কচুয়া উপজেলার শান্তিপ্রিয় জনগণ এবং প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের হয়রানি বন্ধে ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির হস্তক্ষেপ চান উপজেলার জনগণ!

কচুয়ারডাক বিশেষ প্রতিবেদনঃ কচুয়া উপজেলায় জনগনকে নিপীড়নের ধায়ে আওয়ামীলীগ নেতা সেলিম মাহমুদ ও উপজেলা অফিসার দীপায়ন দাস শুভ এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও  আইনগত ব্যাবস্থা নিতে কচুয়ার অভিভাবক জননেতা ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন, অন্যথায় মানববন্ধন সহ অহিংস আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি প্রদান করেন উপজেলার শান্তিপ্রিয় জনগন, সামাজিক মাধ্যমে তারা দাবী করেন উপজেলা অফিসারের মামলা ও সেলিম মাহমুদের বক্তব্য অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করে জনগনকে নিপীড়ন না করে, জনগনের সেবক হয়ে উপজেলার জনগনের কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন নেটিজেন ফেসবুক ব্যাবহারকারীরাl

কাজী এনামুল হক শামীম (কন্ট্রাকটার) কে হন্যে হয়ে খুঁজছে আশ্রাফপুর ইউনিয়নের জনগণ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকের তথ্য বিভ্রাট নিয়ে উপজেলায় চলছে তোলফাড়!

ছাত্রলীগ নেতা দাবী করছেন- কচুয়ার সাধারন মানুষের আস্থা কি তবেই হারাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, তবে কেন একের পর এক কল রেকর্ড ফাঁস, তবে কি উনার সাথে এতদিন চলা সঙ্গের সাথীরা কি আস্থা রাখতে পারছে না? একজন জনপ্রিয় জনগনের ভোটে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কে তার দায়িত্ব হতে দূরে রাখার প্রয়াসে কাজ করছেন তারই একনিষ্ঠ ভক্ত কাজী শামীম (কন্ট্রাকটার)। কিন্ত আওয়ামীলীগ এর এত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় থেকে একজন উপজেলা চেয়ারম্যান কে হীন করে রেকর্ডের কথা আপনি নিরবে সম্মতি দিলেন, তাতেই কচুয়া উপজেলা জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।কচুয়া উপজেলার মানুষের সাথে এই রকম লুকোচুরি খেলা আর দেখতে চায় না, তারা তাইতো কন্ট্রাকটারকে হন্য হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে, তারা জবাব চায় তার কাছে আর কি প্রমান আছে একজন ছাত্রনেতার নামে মিথ্যা কলঙ্ক দেওয়ার!

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ডিজিটাল মামলা কিংবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বেই তিনি রাষ্ট্রজন্ত্র ব্যাবহার করে জনাব গাজী হাসান রানার সামাজিক মর্যাদা দারুনভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন। তিনি যেহেতু প্রবাসে অবস্থান করছেন তাই তিনি ভুলক্রমে কোথায় লিখেছেন তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেন।

তার রেস কাটতে না কাট্তে উক্ত গাজী হাসান রানাকে সামজিক মাধ্যামে উচ্চবাচ্য করে ভীতিপ্রদর্শন করে ধমকের পর ধমক প্রদান করেন যা উপজেলায় টক অব দা টাউনে পরিণত হয়। তিনি(সেলিম)চাইলে মামলা করতে পারতেন তা না করে তিনি আক্রমণাত্মক ভীতি প্রদর্শন করেন যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ভংগ করেছেন এবং তিনি তা বাংলাদেশে থেকেই উক্ত অপরাধ সংঘঠিত করেছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ধারা ২৫ঃ আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য উপাত্ত প্রেরন প্রকাশ ইত্যাদির দন্ড উপধারা(১) যদি কোন ব্যাক্তি ওয়েবসাইটে বা ডিজিটাল মাধ্যমে (ক) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে, এমন কোনো তথ্য উপাত্ত প্রেরন করেন, যাহা আক্রমনাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক অথবা মিথ্যা বলিয়া জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও, কোনো ব্যাক্তিকে বিরক্ত,অপমান অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করিবার অভিপ্রায়ে কোনো তথ্য উপাত্ত প্রেরন, প্রকাশ বা প্রচার করেন…তাহলে তিন(৩) বৎসর কারাদন্ড এবং অনধিক তিন(৩) লক্ষ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দণ্ডে দন্ডিত্ত হবেন।

(1) মামলা প্রত্যাহারে কচুয়া উপজেলা আলোচিত সৌদি প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা গাজী হাসান রানার ভিডিও ভাইরাল! – YouTube

কচুয়ার জনগণকে নিপীড়ন করার অপরাধে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও  আইনগত ব্যাবস্থা নিতে কচুয়ার অভিভাবক জননেতা ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন উপজেলার জনগণ, কারন তিনি কচুয়ার একমাত্র অভিভাবক এবং আইন প্রনেতা, আইনের উরধে কেউ নন, এবং বাংলাদেশের সাংবিধানিক ভাবে রাষ্ট্রের সকল জনগণ সমানভাবে আইনের সুজুগ লাভ করবেন। অন্যথায় মানববন্ধন সহ অহিংস আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি প্রদান করেন উপজেলার শান্তিপ্রিয় জনগন,

বি:দ্র: উপজেলা অফিসারের ডিজিটাল নিরাপত্তা মামলার পর একই ব্যাক্তিকে একই কায়াদায় আওয়ামীলীগ নেতার হুমকি দামকিতে উপেজেলা এখন টক অব দা টাউন, তাছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানকে এবং তার পরিবার নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় হন্য হ্যে এনামুল হক শামীক কে খুঁজছে এলাকাবসী !

উপজেলার জনগণ বিভ্রত, একের পর এক কল রেকর্ড আসছে, সাথেই থাকুন, কচুয়ারডাক সত্য প্রকাশে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ!