কচুয়া দরবেশগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদ ঈদপূনর্মিলনীকে কেন্দ্র করে জামাত-বি এন পি উত্থানের অভিযোগ,দাওয়াত পেয়েও জনরোষের ভঁয়ে যান নি সাবেক সভাপতি তামীম তপদার!

কচুয়া দরবেশগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ঈদ ঈদপূনর্মিলনীকে কেন্দ্র করে জামাত-বি এন পি উত্থানের অভিযোগ,দাওয়াত পেয়েও জনরোষের ভঁয়ে যান নি সাবেক সভাপতি তামীম তপদার!

কাদলা গ্রামের তামীম তপদার বি এন পি-জামাত জোট আমলে বিদ্যালয়ের সভাপতি থাকাকালীন সময়ে, টেনে-হেছড়ে কোন বেতন পেনশন সুবিধা না দিয়েই সিদ্দিক সাহেব কে বাধ্যতামূলকভাবে স্কুল থেকে বাহির করে দিয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রদান করেন। বর্তমান প্রধান শিক্ষক বি এন পির বিভিন্ন মামলায় এখনো হাজিরা দিয়ে যান, এবং রয়েছে অনেক অভিযোগ।

বিদ্যালয়ের বাথরুম মেরামতে নেই কোন বাজেট। বিদ্যালয়ের নাম ব্যাবহার করে বিদ্যালয়ের সুনাম কে পুঁজি করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন সংঘঠন, স্থানীয় দল ও মতের প্রাধান্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে রয়েছে বিভিন্ন গ্রুপ, বর্তমান প্রধান শিক্ষক কে মোটা অঙ্কের টাকায় চুক্তি করে নিয়োগ দিয়ে দেয়ার অভিযোগ রইয়েছে তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে, ১৯৯২ ব্যাচ পি এস ডি রিসারচার শরীফ তার লেখায় সাবেক প্রধান শিক্ষকের বাধ্যতামূলক অপসারণ অদৃশ্য বলে তিনি লিখেন, তার কারনে তিনি বলেন তৎকালীন স্কুল সভাপতি স্যারের ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও তা অজানাই থেকে যায়।বিদ্যালয়টি যেহেতু কাদলা ও ডুমুরিয়া সীমান্তে অবস্থিত বিশিষ্ট জনরা বলেন বর্তমান প্রধান শিক্ষকের চেয়ে আগের প্রধান শিক্ষক খুব ভালো ছিলেন, তার চাকুরী বয়স থাকা সত্ত্বেও তাকে তার সাবেক ছাত্রের রাজনৈতিক আচরণেই তাকে বিদায় নিতে  হলো। সাবেক প্রধান শিক্ষকের এখনো অজস্র ছাত্র/ছাত্রী  ভক্ত রয়েছে, তাহলে উক্ত প্রধান শিক্ষক কি অন্যায় করেছিলেন তখন, আবার সেই প্রধান শিক্ষক কেই জুতা মেরে অন্নদান করা হল বলে জানান !

ঈদ অনুষ্ঠানে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক ক্যাডার হান্নান নামে কথিত নিজেকে স্বঘোষিত সমন্বয়ক দাবী করে দেশ-বিদেশ থেকে শিক্ষকদের  অসহায়ত্বকে পুঁজি করে চাদা তুলতে গেলে অনেকেই অপারগতা প্রকাশ করে কচুয়ারডাক প্রতিবেদক কে জানান, তারা  বলেন উদ্যোগটি মহৎ কিন্তু করোনায় মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে এই মুহূর্তে কেন কোন উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়, অনেক প্রবাসী চাদা না দিতে পেরে তাদের প্রবাস জীবনের আর্তনাদ  লিখে পাঠান।

স্বঘোষিত সমন্বয়ক ও দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন ফোরাম ও সংঘঠনের সদস্যরা এবং স্থানীয় ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, এবং বিদ্যালয়ের কমিটির লোকজন, কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেন নি বিদ্যালয় কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক আয়োজকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় লোকজনের সমাগম হয়নি , স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যানের উপস্থিতি ছিল না, বিধি অনুযায়ী করনায় এসব অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাহী অফিসারের অনুমতি নিতে হয়।

শিক্ষকদের সামনে চেয়ারে বসিয়ে মঞ্চ সাবেক ছাত্রদের দখলে চলে যায়, সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান কে বিদ্যালয়ের ছাত্র না বলে অপবাধ দেয়া হয় এবং আওয়ামীলীগ নেতা হয়েও তার জায়গা হয়নি মঞ্চে, আয়োজকরা বিতর্কিত জামাত-বি এন পি দের বক্তব্যের সুযোগ প্রদান করেন, অন্যান্য দলের ব্যাক্তিদের বিশেষ করে আওয়ামীলীগ ,ছাত্রলীগ, যুবলীগদের কথা না বলার সুযোগ ও আমন্ত্রণ না করার অভিযোগ উঠে,  বি এন পির আসামিদের আমন্ত্রন জানিয়ে প্রোগ্রাম করাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বাধা হওয়া সত্তেও শিক্ষকদের প্রতি সন্মান দেখিয়ে উক্ত আলোচনা করতে দেয়া হয়, অত:পর বিভিন্ন অভিযোগের সুত্রপাত ঘটে!

আয়োজকদের অনেকে বলেন ভবিষ্যতে যে কোন প্রোগ্রাম  করতে হলে বিতর্কিতদের না টেনে, সকল কে একটি প্লাটফর্মে এনে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন, অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা চাদা তুলে ২৫ হাজার ও ৫০ হাজার টাকা করে বিভিন্ন প্রাক্তন ছাত্র ও শিক্ষদের মাঝে প্রদান করা হয়।

প্রাক্তন ছাত্রদের অনেকেই আগামী যে কোন অনুষ্ঠানে স্থানীয় চেয়ারম্যান, স্থানীয় সাংসদ ডঃমহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পি কে আমন্ত্রণ করার কথা বললে অনেকেই তা প্রত্যখান করে প্রাক্তন ছাত্রদের অতিথি করে আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলা হলে তাতে সন্দেহের তীর আরো বেড়ে যায়।

কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি অভিযোগ জানিয়ে কবিতা স্ম্রতিচারন করে বলেন

কবিতা-আলোকিত পরিবার
লেখক-মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ
প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক,দরবেশগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
কচুয়া,চাঁদপুর
চাঁদপুরের কচুয়া থানাধীন গুলবাহারের আলোকিত পরিবার
প্রয়াত খ্যাতিমান আশেক আলী খান যার জনক কর্ণধার
বিদ্যাচর্চার অমোঘ আবহে সজ্জিত
উচ্চ শিক্ষার বর্ণ ছঠায় উদ্ভাসিত
জ্ঞান চর্চার দৃষ্টান্ত স্থাপনে অদ্বিতীয়
গৌরবার্জনের কৃতিত্বে সদা স্বরণীয়
গুলবাহার তথা সমগ্র কচুয়ার স্বর্নোজ্জ্বল গৌরবের দ্বার
যশ খ্যাতির শলাকার্জনে ধন্য বরণীয় স্বরণীয় পরিবার।
বৃটিশ আমলের কৃতি শিক্ষা কর্মকর্তা ছিলেন আশেক আলী খান
শিক্ষানুরাগী বলে হয়েছেন ধন্য আর অশেষ মর্যাদাবান
তাঁর উত্তরসুরীরা জ্ঞানার্জনে অপার
সাধনা বলে উন্মুক্ত করেছেন উচ্চ শিক্ষার দ্বার
সারি সারি ডক্টরেটধারী আবির্ভূত সেথায়
এমন নজর গোচরিভূত হয় কি কোথায়?
জ্ঞান গরিমার সর্ব্বোচ্চ শিখরে আরোহিত তাঁরা
সমাজে অনুসারিত হউক এই চমকপ্রদ শিক্ষার ধারা।
দেশ দেশান্তরে কৃতিত্বের ধারক বাহক হয়েছেন তাঁরা
এ অগ্রভিযানের সোপান রক্ষনে অবিচল তাঁরা
তাঁদের অগ্রযাত্রা রহুক অব্যাহত
সফলতার ক্রমোন্নতি চলুক অবিরত
গৌরব মুকুট শোভিত হউক সদা
সফলতার তুঙ্গে অবস্থান হউক সদা
আলোকিত পরিবারের ঐতিহ্য গৌরব রহুক প্রবাহমান
যশ খ্যাতির অমীয় ধারা হউক চির ভাষ্মর বিরাজমান।

-যিনি এই কবিতাটি নিখেছেন তিনি আমার ছোট দুলাভাই। ছাই চাপা আগুন যেমন অনেক সময় উসকে উঠে কবিতাটি তারই বহিঃ প্রকাশ আমার দৃষ্টিতে অসম্ভব সুন্দর হয়েছে প্রতিটি লাইনই অর্থবোধক। তিনি তার জীবেনে মানুষ গড়ার কারিগর হিসাবেই পরচিত।প্রসংগতকিছু কথাবলা দরকার, বিগত চার দলীয় সরকারের সময় এই শিক্ষাগুরুকে অনৈতিক ভাবেঐসময়কার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি অনৈতিক ভাবে অবসরে পাঠান।আমি যতটুকু জানি উনি অবসর ভাতা বা কোন কিছুি পাননি। এক মাত্র মেয়ের জামািই এবং আমি ওনার শ্যালক আওয়ামী লীগ করি এটাই ছিল ওনার অপরাধ। আজ তিনি মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছেন এই শিক্ষাগুরু।সরকারী চাকুরী ইস্তফা দিয়ে এলাকার গন্যমন্যগনের আহ্বানে তিনি দরবেশ গন্জ হাই স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন বহু ছাত্র ছাত্রী তারা অনেকে সন্মানিত নামিদামী ব্যাক্তি।।আজ বয়সের ভারে পর্যুদস্ত।