চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম আবদুল মোতালেব পতিতাবৃত্তি কার্যক্রমে গ্রেফতার হওয়ায় দল থেকে বহিস্কারে কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম মাহমুদের হস্তক্ষেপ চায় উপজেলার জনগণ!

কচুয়ারডাক ঢাকা ডেস্কঃ চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম আবদুল মোতালেব পতিতাবৃত্তি কার্যক্রমে গ্রেফতার হওয়ায় দল থেকে বহিস্কারে কেন্দ্রীয় নেতা সেলিম মাহমুদের হস্তক্ষেপ চায় উপজেলার জনগণ!

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কচুয়ার একেএম আবদুল মোতালেব ঢাকায় পতিতাবৃত্তি কার্যক্রমে গ্রেফতার হয়েও দল থেকে বহিস্কার না হওয়ায় উপজেলার জনসাধারনে অসন্তস প্রকাশ,অবিলম্বে দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান উপজেলার জনগণ!

ঢাকার বড় মগবাজারের এক ভাসমান পতিতার বাসভবন থেকে পতিতাসহ গ্রেফতার হয়েছেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক একেএম আবদুল মোতালেব (৬৯)।

হাতিরঝিল থানা পুলিশ গত ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মাদক উদ্ধার, অবৈধ অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার অভিযান পরিচালনাকালে মগবাজার ওয়ারলেস রেইল গেইটে অবস্থানকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই সুব্রত দেবনাথ বড় মগবাজার বাসা ১৬৫/এ এর ৫ম তলার ফ্লাট নং বি/৪ থেকে পতিতা ব্যবসায়ী রোকসানা (৫০), তার ছেলে আশিক চৌধুরী (২৫), মেয়ে সানজিদা চৌধুরী (১৯) এবং যৌনকর্মী মিথিলা ওরফে মুক্ত (১৭), আকলিমা আক্তার ওরফে আনহাসহ ইঞ্জিনিয়ার একেএম আব্দুল মোতালেবকে গ্রেফতার করে। অভিযান পরিচালনাকালে দুই যৌনকর্মী সুকৌশলে পালিয়ে যায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে কনডম, ইয়াবা ও বিদেশী মদ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরদিন ২৩ জানুয়ারি অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা এসআই সুব্রত বাদী হয়ে ৮জনকে আসামী করে হাতিরঝিল থানায় পতিতাবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধ ও মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইন ২০১২ এর ১২(১)/১৩ ধারায় একটি মামলা করেন। মামলা নং ৩৯।

মামলা সূত্রে জানা যায়, হাতিরঝিল থানার বড় মগবাজার এলাকার বাসা নং ১৯৫/এ, ৫ তলা বি/৪ নং ফ্লাটে মোসাঃ রোকসানার (৫০) তত্ত্বাবধানে দেহ ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের মৃত হাজী ইদ্রিস মুন্সীর ছেলে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধ ইঞ্জিনিয়ার একে এম আব্দুল মোতালেব। তিনি বিভিন্ন সময় ওই ফ্ল্যাটে ধর্ণাঢ্য ব্যক্তিদের নিয়ে আসা-যাওয়া করতেন। এ ব্যাপারে প্রতিবেশীরা প্রতিবাদ করেও কোন ফল পায়নি।

তিনি এক সময় গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় অবৈধ টাকার পাহাড় বানিয়েছেন তিনি। নামে-বেনামে তার রয়েছে শত শত কোটি টাকার সম্পদ। ঢাকাতে একাধীক বাড়িসহ অঢেল বিত্ত বৈভবের মালিক তিনি।

এদিকে ঢাকায় পতিতাসহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল মোতালেব পতিতাসহ ধরা পরার বিষয়টি চাঁদপুর ও কচুয়াতে জানাজানি হলে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের জোরালো দাবি উঠছে।
(সুজন পোদ্দার)