ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর মুনাফেক, আপনি মারা গেলে আপনার জায়নামাজে লোক পাবেন কি না- ইকবাল আজিজ শাহীন কথিত সম্পাদক কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগ!

বিশেষ প্রতিবেদনঃড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর মুনাফেক, আপনি মারা গেলে আপনার জায়নামাজে লোক পাবেন কি না- ইকবাল আজিজ শাহীনের উক্ত মন্তব্য তার ফেসবুক স্টাটাসে দেয়ার সাথে সাথে ব্যাপক নিন্দা ও প্রতিবাদ করেন সামাজিক মাধ্যমে।
আমাদের প্রান প্রিয় নেতা ডঃ মহীউদ্দীন খান আলমগীর স্যারের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও আপত্তি কর মন্তব্য করায় তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সে সাথে বলছি আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে কচুয়ার নয়নের মনি আমাদের অভিভাবক ডঃ মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি স্যারের কাছে ক্ষমা না চাইলে আমি স্যারের একজন সৈনিক হিসেবে ডিজিটাল আইনে মামলা করবো। শিবির শাহিন এর বিরুদ্ধে- জে এম ইব্রাহীম প্রধান।
আমাদের প্রাণ প্রিয় অভিভাবক, চাঁদপুরের কচুয়ার এম পি জনাব ডক্টর মহিউদ্দিন খান আলমগীর স্যার কে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায়,আমি কচুয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি ও কচুয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র হিসেবে, এই লেখার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি- কামাল হোসেন অন্তর সাবেক ছাত্রনেতা, কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র কচুয়া!
সেলিম মাহমুদের নতুন অনুসারী কচুয়ার বহুল আলোচিত সমালোচিত ইকবাল আজীজ শাহীন @শিবির শাহীন এ কি বললেন এ ধরনের কথা বলার সাহসই বা পান কোথা থেকে হুবুহু তুলে ধরা হলো
“আমার পাওনা পেয়ে গেছি মাননীয় সংসদ সদস্য চাঁদপুর ০১ কচুয়া, চির কৃতজ্ঞ থাকবো চিরকাল”
মাননীয় সংসদ সদস্য চাঁদপুর ০১ কচুয়া গতকাল রাত ০৯ টা থেকে ০৯ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড কথপোকথনের আলোকে আপনি যা শুনিয়েছেন সত্যিই আপনার তুলনা শুধু আপনি নিজে ! আপনি জোর জবরদস্তি করে যেভাবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড.সেলিম মাহমুদ স্যারের লোক বানাচ্ছেন আমার মনে হয় না আপনি মারা গেলে আপনার জায়নামাজে লোক পাবেন কি না ! (যদি ও বলা যায় না কে আগে, কে পরে মারা যাই) তবে আপনি যে এখন আর ক্ষতি ছাড়া কিছু করতে পারবেন না এটাই বুঝিয়ে দিলেন ! আপনি ২০১৫ সালে যে কথা দিয়েছেন তা না রেখে মুনাফেক হিসেবে পরিগনিত হবেন তা-ই বুঝিয়ে দিলেন !
আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে যখন সাবেক এনবিআরের চেয়ারম্যান জনাব গোলাম হোসেন সাহেব কচুয়ায় আওয়ামীলীগের রাজনীতি শুরু করেছে, আপনি সে দিন ও অনেক কমলমতি নেতাকর্মীদের কে নিয়ে খেলেছেন আর ঐ সকল নেতাকর্মী সমর্থকদের কে পায়ে দোলে আপনি কপির আড্ডায় বসে যাওয়ার আগে একবার ও ভাবেননি !!! ভেবেছেন শুধু নিজের কথা ! শুধু তাই নয় ২০০১ বিএনপি জোটের তান্ডবে যে মন্ত্রীর কারণে বহু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী সমর্থকদের কে মামলা হামলার স্বীকার হয়ে জেল জুলুম সয়ে বছরের পর বছর যাযাবর হয়ে দিনাতিপাত করেছে
সেই বিএনপির মন্ত্রী জনাব আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাইয়ের আড্ডায় বসতে বা পুলিশ প্রটোকলে নিজ দায়িত্বে কচুয়ায় নিয়ে যাওয়ার আগে একবার ও ভাবেননি, যে বা যাঁরা বিএনপি এই নেতার বিরুদ্ধে মামলার বাদী হলো তাদের কি হবে !! তবুও বলবো আপনি অনেক ভালো থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন, সুস্থ থাকবেন ! কারণ আপনার সুস্থার উপর, আপনার উন্নয়ন কর্ম কান্ডের উপর কচুয়ার মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে, আপনার উন্নয়ন কর্মের সাথে নিজেকে গত দুই যুগের ও বেশি সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পেরেছি, বলে আজ নিজে ধন্য ! আপনার মতো নেতা হয়তো এক জীবনে আর পাবো না। তারপর ও আপনার দীর্ঘ জীবন কামনা করছি নেতা । ভালো থাকবেন। আল্লাহ আপনার সু-মতি দিক কৃষ্ণময় আর জোছনা বোঝার, শিক্ষার তো শেষ নেই, যেমন শেষ নেই জানার —–
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
ইকবাল আজিজ শাহীন
সাধারণ সম্পাদক
কচুয়া পৌর আওয়ামীলীগ
কচুয়া চাঁদপুর।