বাংলাদেশে আলজাজিরা গোষ্ঠির স্বপ্ন ভেস্তে গেলো!

 কচুয়ারডাকঃ বাংলাদেশে আলজাজিরা গোষ্ঠির স্বপ্ন ভেস্তে গেলো!

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই একটি অপশক্তি দিন দিন তাদের শক্তি সঞ্চয়ে প্রতিজ্ঞাবন্ধ হয়ে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধী এই জোট বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৪৯ বছরের মধ্যে তাদের অবস্থান এমন ভাবে পাকাপোক্ত করেছে যে, তারা দেশের প্রতিটি সরকারী বেসরকারী অফিস আদালতের  দারোয়ান, অফিসের গাড়ি চালক থেকে শুরু করে বড় বড় পদের অধিকারী অফিসার, রাজনৈতিক নেতৃবর্গ সহ বড় বড় ব্যবসায়ীদের একটি অংশকে কব্জা করে ফেলেছে। এদের পেছনে অঢেল টাকা তারা ঢালছে। কারণ, এদের হাতে না আনতে পারলে তাদের কার্য্যসিদ্ধি হবেনা। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের বৃহৎ শক্তিশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো একেবারে পাকাপোক্ত হয়ে গেছে। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সথে কূটনৈতিক সম্পর্ক এমন গভীর ভাবে দিন দিন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, তা দেখে এসব অপশক্তিগুলোর আর সহ্য হচ্ছে না। তারা দেখছে, বাংলাদেশ তার নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে এত ব্যয়বহুল একটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করে ফেলেছে যা ছিলো তাদের অকল্পনীয়। এই পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ পুরোদমে শেষ হয়ে গেলে পদ্মা পারের মানুষগুলোর রাজধানী ঢাকা শহরের সাথে অতি সহজেই যাতায়াতের ফলে তাদের এলাকা উন্নত হয়ে যাবে, ব্যবসা বাণিজ্যের আরও অগ্রগতি হবে, অদূর ভবিষ্যতে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে দেখে তা তারা সহ্য করতে পারছেনা। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো পদ্মার ওপারের মানুষ গরীব আছে, ওদেরকে এভাবেই থাকতে দাও। অন্তত: নির্বাচনের সময় আসলে সেখানে গিয়ে তারা বলতে পারবে, আমাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে আমরা ক্ষমতায় গিয়ে পদ্মার উপর সেতু নির্মাণ করে দিয়ে  আপনাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে দেবো. তাদের সে আশায়ও হয়ে গেলো  গুড়ে বালি। শুধু পদ্মা সেতুই নয়, চট্টগ্রামে কর্ণফুলি ট্যানেল এর কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে, এক জেলা থেকে অন্য জেলার সাথে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কাজও হাতে নেয়া হয়েছে আবার কোন কোনটার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ১৮ই ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নওকি বলেছেন, ঢাকার মেট্রোরেল, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ও ঢাকা বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো শেষ হলে বাংলাদেশের চেহারা বদলে যাবে। ঐদিন জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইষ্ট এশিয়া স্টাডি সেন্টার আয়োজিত “জাপান লেকচার সিরিজে” বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।  এই প্রকল্পগুলো জাপানই করে দিচ্ছে।

এছাড়াও গত ১৭ই ফেব্রুয়ারী বুধবার যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন তাঁর বাসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলেও ২০২৭ সাল পর্য্যন্ত যুক্তরাজ্যে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাবে। দুই ধাপে তিন বছর করে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাজ্যের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা বা জিএসপি পাবে। রবর্ট ডিকসন আরও বলেছেন বিশেষ করে উন্নতমানের সেবা খাতসহ যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশের ব্যবসার সুযোগ বাড়ছে। রপ্তানীভিত্তিক বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে বিকশিত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতার অংশ হিসেবে শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলেও দুই ধাপে তিন বছর করে যুক্তরাজ্যের বাজারে জিএসপি সুবিধা পাবে। প্রথম ধাপে ২০২৪ সাল আর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সাল পর্য্যন্ত জিএসপি সুবিধা পাবে। সুতরাং সহজেই বোঝা যায় যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক কত ঘনিষ্ঠ ওঠেছে। নৌকার পালে হাওয়া লাগলে নৌকা যেমন দ্রুতগতিতে চলতে থাকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশও যেন ঠিক একই ভাবে এগিয়ে চলেছে। প্রধানমন্ত্রীর নৌকার মাঝিরাও যদি তাঁর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়ন ঠেকায় কে?

এদিকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তির চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ। গত ২৭শে ফেব্রয়ারী জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলাপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নের পর এই ঘোষণা দেয়। বাংলাদেশের দুর্বার অর্থনীতিক অগ্রযাত্রা, দারিদ্র বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক সুষম উন্নয়ন এবং সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে প্রশংসা করেছেন স্বয়ং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুটেরেস। জাতিসংঘের এই ঘোষণা আসার পর দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ খুশীতে আপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতে ¡বাংলাদেশ যে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শুরু করেছে তাঁর ভূয়সী প্রসংশা করছে এবং সরকারের প্রতি তাদের একাত্মতা ঘোষণা করেছে।

তবে এ কথা সবারই জানা আছে, ভালো কাজের পেছনে শত্রু থাকবেই। এই শত্রুরাই আজ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে দেশের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত করতে। তারা চায় বাংলাদেশ একটা ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত হয়ে থাকুক এর বেশি নয়। তারা দেখছে এই সরকারের ভীত বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে এমন শক্ত হয়েছে যে, তা ভেঙ্গে ফেলার কোন উপায় নেই। তাই বাংলাদেশের এই অপশক্তিগুলো সরকারের এই শক্তিশালী ভিতকে কি ভাবে ধ্বংস করা যায় সেই অপচেষ্টায়ই তারা লিপ্ত।

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ৩ ফেব্রুয়ারী “কালের কন্ঠ” পত্রিকায় প্রকাশিত লেখার একটি অংশ এখানে তুলে ধরলাম। তিনি তাঁর  কলামের শুরুতেই লিখেছেন, “গত দুই দিনে কাতার ভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আলজাজিরায় বাংলাদেশের ওপর করা প্রতিবেদনগুলো দেখে মাথায় অনেক ঘুরপাক খাচ্ছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এখানে কত টাকার খেলা চলছে? বিজ্ঞজনদের সুচিন্তিত ধরণা, এই প্রতিবেদনগুলো প্রচারের জন্য এবং প্রতিবেদন প্রস্তুতির জন্য যে সময় তারা ব্যয় করেছে, তাতে টাকার অঙ্ক কয়েক মিলিয়ন ডলারের নীচে হতে পারেনা। বাজারে যে কথাটি প্রচার হয়ে গেছে সেটি হলো, বিএনপি- জামায়াত এই টাকার ব্যবস্থা করেছে এবং তদের উদ্দেশ্য হলো, বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক সরকারকে অসাংবিধানিক ভাবে, বেআইনীভাবে ক্ষমতাচ্যুত করা। এ ব্যাপারে বিশ্বস্ত বন্ধু পেতে ষড়যন্ত্রকারীদের কোনই অসুবিধা হয়নি। কেননা, ড. কামাল হোসেনের মেয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেনের স্বামী ডেভিড বার্গম্যান তো সদাই হাজির হুজুর। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, এই ডেভিড বার্গম্যানই আলজাজিরার প্রতিবেদনগুলোর নীলনকশা তৈরী করেছেন এবং প্রতিবেদনগুলো যে কয়েকজনের চিন্তার ফসল, ডেভিড বার্গম্যান তাদেরই একজন। এসব কুচক্রী যে দীর্ঘ সময় ধরে এ প্রতিবেদনগুলো তৈরীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

এই আলজাজিরাগোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে সম্প্রতি কাতার ভিত্তিক একটি টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছিলো। কয়েক বছর আগে  আলজাজিরা নামক সেই চ্যালেনটি বিভিন্ন ধরণের মিথ্যা রিপোর্ট আর ডকুমেন্টারী প্রকাশ করার অভিযোগে আরব আমিরাতের কয়েটি দেশে তার সম্প্র্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এই চ্যানেলটিকেই দেশে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী অপশক্তিগুলো বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে ভাড়া করে, জোড়াতালি দিয়ে ভিডিও বানিয়ে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি প্রচারণা শুরু করে। তাদের মূল উদ্দেশ্যে ছিলো, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারকে অর্থাৎ আওয়ামী লীগ সরকারকে মিথ্যা রাজনীতির মারপ্যাচ খেলে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব নয়, সুতরাং আর্মির মধ্যে একটা ভাঙ্গন ধরিয়ে যদি আর্মির মধ্যে একটা ক্যু ঘটানো যায়, তাহলেই তারা সাকসেসফুল হয়ে যাবে। বাংলাদেশে যখন এটি প্রচার হয় তখন এই আলজাজিরা গোষ্ঠীর মধ্যে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিলো। তারা বলেছিলো আওয়ামী লীগ এবার ঠেলা সামলাও। তারা ভেবেছিলো, তাদের এই প্রচারণা দেখে একদিকে যেমন জনগণও সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপে ওঠবে, অন্যদিকে সেনা বাহিনীও বিদ্রোহ ঘোষণা করবে। তাহলেই তো সরকারের পতন হয়ে গেলো।  কিন্তু দেখা গেলো তাদের আশায় “গুড়ে বালি’।

তারা কিন্তু খুব একটা চতুরতার আশ্রয় নিয়েছিলো, সে সময়ে সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমদ (গত ২৯শে জানুয়ারী) যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল জেমস চার্লস ম্যাককনভিলের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। আর এই সুযোগটাকেই দেশে এবং বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত এই আলজাজিরাগোষ্ঠী কাজে লাগাতে চেয়েছিলো। কিন্তু তারা সফল হয়নি। এই সফর শেষে দেশে ফিরে আসার পর গত ১৬ই ফেব্রুয়ারী সকালে আর্মি এভিয়েশনের বেসিক কোর্সের এ্যাওয়ার্ড সিরিমনি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে জেনারেল আজিজ আহমদ সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, আলজাজিরার মিথ্যা ও বানোয়াট প্রতিবেন জনগণ তথা দেশের মানুষ প্রত্যাখান করেছে।  “সেনাবাহিনী নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সাথে খেলতে আসবেন না। সেনাবাহিনী দেশের গর্ব। এটিকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে নানান গুজব রটানো হচ্ছে। বাহিনী এখন অনেক সুসংহত। বাহিনী ঘৃণাভরে এসব প্রত্যাখান করেছে। পুরো চেইন অব কমান্ড সবাই-ই সতর্ক। সেনাবাহিনী সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এসব প্রচারণায় কিছুই হবেনা।” জেনারেল আজিজের এই হুঁশিয়ারী যেন অপশক্তিগুলোর প্রতি এক মস্তবড় চপেটাঘাত!

আওয়ামী লীগ সরকারকে দেশের বর্তমান অগ্রগতির অবস্থা দেখে খুশীতে ডগমগ হয়ে গেলে চলবেনা, সামনে এখনও অনেক কাজ বাকী রয়েছে। দেশকে অগ্রগতির মূল লক্ষ্যে পৌছাতে হলে দরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল এমপি, মন্ত্রী সহ প্রশাসনের সবাইকে মেনে চলা। প্রধানমন্ত্রীর হাতকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশ বিরোধী চক্রান্তকারীদের প্রতি তীকè নজর রাখা।

সবশেষে আমার এক সাংবাদিক সহকর্মী “বাংলাদেশ প্রতিদিনের” লন্ডনস্থ সংবাদদাতা আবু সালেহ মোহাম্মদ মাসুম এর ৩ ফেব্রুয়ারীর একটি লেখা দিয়ে আলজাজিরার কার্য্যকলাপের সারমর্ম বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবো। তিনি লিখেছেন, “সরকার আলজাজিরার রিপোর্টের পর বক্তব্য দিয়েছেন যা গণমাধ্যমের জন্য ভালো ইঙ্গিত।

আলজাজিরার ইনভেষ্টিগেশন রিপোর্টের পর যা হওয়ার তাই হয়েছে। মূলত: বাংলাদেশের ইস্যুতে মোটা দাগে ৩ ধরণের পক্ষ আছেন।

প্রথম পক্ষ: যারা আওয়ামীলীগ করেন বা সরকারের পক্ষের লোক।

দ্বিতীয়ত পক্ষ হচ্ছেন, যারা সরকার বিরোধী শিবিরের বা আওয়ামী লীগ করেননা।

তৃতীয় পক্ষ হচ্ছেন, যারা কোন কিছু নিয়েই কেয়ার করেন না, যা ইচ্ছা হোক তারা তাদের মতো করে থাকেন।

আলজাজিরার এতো শ্রম আর অর্থের রিপোর্ট দেখে তিন পক্ষের কারোরই কোন বিশেষ লাভ হয়নি। যারা আওয়ামী লীগ করেন তারা আরো প্রবল বিশ্বাসে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবেই এটিকে ধরে নিয়ে শেখ হাসিনার পাশে আছেন।

যারা আওয়ামী লীগ করেননা মানে দ্বিতীয় পক্ষ তারাও তাদের বিশ্বাসের জায়গাতেই পোক্ত আছেন, দেশ রসাতলে গেছে ভাব আরো পোক্ত হয়েছে।

তৃতীয় পক্ষও যথারীতি আগের জায়গায়ই আছে- নো কেয়ার, যার যা ইচ্ছা করুক ভাব।

৩০ ঘন্টায় এখন পর্য্যন্ত দেখেছেন ২১ লাখ মানুষ! যাদের এই তিন শ্রেণীতে ভাগ করলে ফলাফল কিছুই আসেনা।

দিন শেষে বলি, শ্রমে ঘামে ভেজা মানুষ. যারা আসলে সরকার নির্বাচন করে, তারা এই ইনভেষ্টিগেশন রিপোর্টের বহুত্রুশ দূরে..। ”

দেওয়ান ফয়সল , বিশেষ প্রতিনিধি. ওয়েলস যুক্তরাজ্য , সাংবাদিক, কলামিষ্ট