১/১১র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির দুঃসময়ের আইনজীবী কচুয়ারডাক সম্পাদক বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার সদস্য সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পুত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা সেলিম মাহমুদের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা উপজেলা ও দেশব্যাপী তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ! 

১/১১র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির দুঃসময়ের আইনজীবী কচুয়ারডাক সম্পাদক বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার সদস্য সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পুত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা সেলিম মাহমুদের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা উপজেলা ও দেশব্যাপী তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ !

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম@পাপুল মাহমুদ ও তার স্ত্রী খন্দকার নুসরাত ফাতেমা ডোনা, তার বড় ভাই এ এন এম জাহাঙ্ঘীর হোসেন রবিন, সালাউদ্দিন মাহমুদ সর্ব পিতা রাজাকার রোস্তম আলী গংদের পক্ষে গত ১২/১০/২০২১ ইং তারিখে ঢাকা সাইবার ট্রাইবুন্যালে মামলা নং ৩৯৫/২০২১ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কচুয়ারডাক  সম্পাদক লন্ডন প্রবাসী এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন টিটো সহ আরো পাঁচ জন কে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। সেলিম মাহমুদ নিজে উপস্থিত থেকে বাদী না হয়ে তার পক্ষে এক ইলেক্ট্রিক মেকানিক ভাড়া করে এই মামলা দায়ের করেন, সেলিম তার মামলায় লিখেন ২-৬ নং আসামী এডমিন হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ডঃ সেলিম মাহমুদ সম্পর্কে উক্ত অনলাইনে পোর্টালে বিগত ২৪/০৪/২০২১ ইংতারিখ থেকে আক্রমনাত্মক নিউজ প্রতিয়মান হয়। এবং কোন রকম নিউজের প্রতিবাদ কিংবা আইনগত নোটিশ প্রদান ছাড়াই মানহানির অভিযোগ আনেন তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো-

১। আওয়ামী লীগের ধানমন্ডীর অফিসে একাধিক সুন্দরীকে নিয়ে কে এই সেলিম মাহমুদ ?

জবাবে— যাহা ভুঁইফোড় পত্রিকা ভোরের পাতায় ছাপানো হয় ২০১৯ সালে এবং সময় নিউজ, তাদের পক্ষ না করে মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বেবেচিত।

২। মানব পাচারকারী সেলিম মাহমুদ@পাপুলের পালিত সন্ত্রাসী ও গুন্দাবাহীনীর অপকর্ম দেশ-বিদেশে জানতে ও জানাতে ……।

জবাবে— সেলিম মাহমুদ সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে দলের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া দলীয় প্যাডে দলের উপকমিটি সদস্য হিসেবে লক্ষীপুর জেলা আওয়ামীলীগ কে প্রভাবিত করে অর্থের বিনিময়ে শহীদুল ইসলাম পাপুল কে নির্দেশ প্রদান করেন যাহা জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বিডি নিউজ২৪এ ছাপানো হয়, এবং দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাফরউল্লাহ টাকার লেনদেনের বিষয়টি দলীয় ফোরামে আনেন।উক্ত মিডিয়াদের পক্ষ না করে মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে বেবেচিত।

৩। বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ ও হেফাজতের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন উপজেলার দেশ বিরোধী রাজাকারপুত্র সেলিম@পাপুল এই শিরনামে হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের অভিযোগকারীর ছবি ও জনৈক রাজাকারের ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ ।

জবাবে—  …সেলিমের বাবা রোস্তম আলী  ছিলেন একজন স্বীকৃত রাজাকার দেশ বিভাগের পরেও দেশে বাড়ি ঘর তুলতে পারেন নি, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় চাকুরী করে পাকিস্থানের সরকারের অর্থে লালিত পালিত হয়ে কুমিল্লায় পাক হানাদারদের দোসর হয়ে খুন হত্যা ধর্ষণ চালানোর অভিযোগ রয়েছে।

৪। কচুয়ারডাক অনলাইনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও উনার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন রকম মানহানি, মিথ্যা আক্রমণাত্মক তথ্য-উপাত্ত প্রেরন ও প্রকাশ করে।

জবাবে— ………কচুয়ারডাক উপজেলার প্রথম এবং শীর্ষ অনলাইন হিসেবে সরকারের নিয়মনীতি মেনেই সংবাদ প্রকাশ করছে। সংবাদকর্মী, সংবাদ সংগ্রহে সামাজিক মাধ্যম কিংবা মেসেঞ্জার, ইমেইল থেকে প্রাপ্ত সংবাদ প্রমান সাপেক্ষে প্রচার করে থাকে। ব্যাক্তি চরিত্রের সাথে মিলে গেলে সম্পাদক দায় নেবে না।

৫। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদকের ছবি এবং বিতর্কিত এম পি পাপুল ও তার স্ত্রীর ছবি ব্যাবহার করে রিপোর্ট প্রকাশ ‘’ মড়ার উপর খাড়ার গাঁ’’ বাংলাদেশের সাবেক এম পি পাপুলের কারাদন্ড বেড়ে ৭ বছর হলেও বহাল তবিয়তে ও পুরস্কৃত হলেন অন্যতম হোতা এবং সহায়তাকারী রাজাকার পুত্র সেলিম মাহমুদ ………।।

জবাবে— ………কচুয়ারডাক উপজেলার প্রথম এবং শীর্ষ অনলাইন হিসেবে সরকারের নিয়মনীতি মেনেই সংবাদ প্রকাশ করছে। সংবাদকর্মী, সংবাদ সংগ্রহে সামাজিক মাধ্যম কিংবা মেসেঞ্জার, ইমেইল থেকে প্রাপ্ত সংবাদ প্রমান সাপেক্ষে প্রচার করে থাকে। ব্যাক্তি চরিত্রের সাথে মিলে গেলে সম্পাদক দায় নেবে না।

৬। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদের সহধর্মিণী খন্দকার নুসরাত ফাতেমাকে অনলাইন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করেন এবং তার বাসার ঠিকানা ব্যাবহার করেন।

জবাবে— …দীর্ঘদিন থেকে খন্দকার নুসরাত ফাতেমা অনলাইনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, তাদের স্বামী স্ত্রীর ধন্ধে কচুয়ারডাক থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সাবেক বার্তা সম্পাদক সুজন অনলাইন খুলে বসেন এবং নুসরাতের স্বামী সেলিম মাহমুদ নতুন অনলাইন খুলে বসলে কচুয়ারডাকের সাথে তাদের দূরত্ব বাড়তে থাকে, এবং সেলিম মাহমুদ এবং সুজন পোদ্দার বিভিন্ন সময়ে কচুয়ারডাক সম্পাদক ও তার বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বিরুদ্ধে প্রাপাগান্ডা ছড়াতে থাকেন ।

সেলিমের দাবী উক্ত সংবাদের  বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম মাহমুদ ও কচুয়ার আপামর জনসাধারন ও বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হ্রদয়ে রক্তক্ষরন হচ্ছে। অভিযোগকারী সহ সমগ্র দেশের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়েছেন । সেলিম মাহমুদ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রথম আইন বিষয়ক সম্পাদক একাধারে শিক্ষাবিদ , গবেষক , অধ্যাপক (আইন বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি কচুয়া উপজেলা তথা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন শীর্ষ স্থানীয় নেতা হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা ধারা তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে মনোনিত হন।

উক্ত মামলায় তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক মাধ্যমে এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন বলেন, বাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ প্রবাসীদের কে বার বার দেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করছে, তারিই ধারাবাহিকতায় দেশে বেকার সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন খামার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাস্রায় ঈদ্গাহ ব্যাপক উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ করছি, করোনায় আমাদের মিডিয়া পাঠক ফোরামের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও চাউল বিতরন করা হয়। দলের জন্য দেশে বিদেশে কাজ করছি প্রতিনিয়ত এবং উপজেলা ও চাঁদপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের বিনিয়োগের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি প্রায় এক যুগ ধরে, এসব করে আমাকে বাধা গ্রস্ত করা হচ্ছে এবং সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করছেন একটি বিশেষ মহল ।

মামলার খবর আমি সামাজিক মাধ্যমে জেনেছি, দেশের বাহিরে থাকায় মামলায় পদক্ষেপ নিতে পারছিনা, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েই  মামলায় আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে ন্যায় বিচার চাইবো- তিনি আরও বলেন ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির ছবি দিয়ে ব্যানার ফেস্টুন করায় সেলিমের পালিত উপজেলার বিতর্কিত মনোনয়ন বানিজ্যের সেকেন্ড ইন  কমান্ড ভাইস-চেয়ারম্যান মাহাবুব আলম প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেন , এবং আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা কে ক্টুক্তি করেন।  তাদের কথিত কেন্দ্রীয় নেতার ছবি না থাকায় পৌরসভা থেকে সকল ব্যানার পোস্টার ফেস্টুন তুলে ফেলে দিয়ে  দোকানদার ও  প্রিন্ট ডিজাইন সপে গিয়ে পিস্তল ঠেকিয়ে  হুমকি দিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে আগুনে পুড়ে ফেলেন  হাল আমলের চরম বিতর্কিত সেলিমের ফাস্ট ইন কমান্ড আসন্ন ইউনিয়ন পরিসদ মনোনয়ন বানিজ্যের মুল হোতা মেয়র নাজমুল আলম স্বপন

আমি উপজেলার জনগনের কাছে জানতে চাই – কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সেলিম মাহমুদ এবং তার বিপথগামীদের আমাকে নিয়ে এত ভয় কেন ? একজন কেন্দ্রীয় নেতা হয়ে স্থানীয় এম পি ও দলের সহায়তা না চেয়ে আমাকে ১/১১র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ড  মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির দুঃসময়ের আইনজীবী হিসেবে মুল প্রতিপক্ষ করে উপজেলার সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ নেতা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা  এবং আওয়ামীলীগ  নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতে শ-শরীরে  উপস্থিত হয়ে  নিজে বাদী না হয়ে ভাড়াটিয়া দিয়ে সেলিম মাহমুদের মামলা করার কারন কি ?

বি এন পি নেতা প্রয়াত রফিকুল ইসলাম রনি ঢাকায় একবার মামলা করেছিলেন জননেতা ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির বিরুদ্ধে  আর দীর্ঘ ২৫ বছর পর সেলিম বি এনপি জামাতের বিরুদ্ধে না গিয়ে উপজেলার তুচ্ছ গঠনাকে কেন্দ্র করে আবারও ঢাকায় মামলা করেন, আজ উপজেলায় আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ কেন ?

তিনি আরও দাবী করেন কচুয়া উপজেলার প্রথম ও শীর্ষ অনলাইনের বিরুদ্ধে সকল মামলা হুলিয়া প্রত্যাহার করতে হবে – কচুয়া উপজেলায় ৩০ বছর ধরে ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এমপির পরিবার উন্নয়ন করছেন,তার পরিবার পক্ষ থেকে কেউ বলেনি জনগন তার পরিবারের ক্ষতি করছেন, বা তারাও বলেন নি কচুয়ার উমুক ব্যাক্তি তাদের ক্ষতি করছেন !

কিন্তু ৩ তিন মাস হলোনা কচুয়ায় এসেই কথিত কেন্দ্রীয় নেতা ও তার পরিবারের অনেক ক্ষতি করে ফেলেছেন জনগন, এসব বলে মিথ্যা মামলা ঠুকিয়ে দিলেন উপজেলার ছাত্রলীগ যুবলীগ সেচ্ছাসেবকলীগ আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে, তার এবং তার পরিবারের ধারা কচুয়ার উন্নয়ন আদৌ সম্ভব কিনা , না কথিত কেন্দ্রীয় নেতা নিজের উন্নয়নের জন্য এসব মামলা হামলা দিয়ে হয়রানি করছেন, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে মনে হচ্ছে, তার উকিল বাবার ফোন আগের মত উঠে না, প্রশাসন কথা শুনছেন না, কচুয়া উপজেলা ও জেলা প্রশাসন সেই কেন্দ্রীয় নেতাকে এখন আমলেই নিচ্ছে না বলেই কি গঠনা সব কচুয়ার হলেও মামলা হয় শুধু ঢাকায়, কি এসব অভিযোগ ? কচুয়া ও জেলা প্রশাসন এবং চাঁদপুরের আইন আদালত তার এসব বিচার করতে পারবে না, এসব মিথ্যা মামলা করে তার লাভ কি?

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে সরকারের এখন সু:সময় চলছে পর পর ৩টার্ম ক্ষমতায়, কেন্দ্রীয় নেতা পদ টিকিয়ে রাখতে আদালতে, তার অধপতন আজ উপজেলা এবং দেশবাসী দেখলো তার এই পদে থাকার আর কোন অধিকার নেই, তাকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে মামলায় কন্টেস্ট করার জন্য স্বাগত জানাবে বিবাদীরা, তার পদ নিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে মনে হচ্ছে, তার  এখন পদত্যাগ করা উচিৎ নয় কি ? আদালতে সে পরাজিত হলে এই দায় আওয়ামীলীগ সরকার এবং দল নেবে কি ?

১/১১র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং ড.মহীউদ্দিন খান আলমগীর এম পির দুঃসময়ের আইনজীবী কচুয়ারডাক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার সদস্য সচিব ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পুত্র চাঁদপুর-১ কচুয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে একক প্রার্থীর বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা রাজকার পুত্র সেলিম মাহমুদের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা উপজেলা ও দেশব্যাপী তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ পায়, সম্প্রতি কচুয়ার এম পি মহীউদ্দিন খান আলমগীর

এম পি উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিশিরের মুক্তি কামনা করেন এবং যারা এসব মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। মুলত কচুয়ারডাক দীর্ঘদিন যাবত উপজেলা চেয়ারম্যানের আন্দোলন মানববন্ধন, সংগ্রামের নিউজ ভিডিও প্রকাশ করে আসছিল, এসব সত্য সংবাদ প্রচার ও প্রকাশে বার বার মামলার হুমকি ও বাধা দিয়েছিলেন সেলিম এবং তার পক্ষে বিপথগামীরা, তারিই ধারাবাহিকতায় উচ্চ আদালত থেকে নির্দোষ প্রমান পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বহাল রায় পাওয়ায় মুলত ক্ষীপ্ত  হয়ে ভূয়া আইডি দিয়ে উক্ত মিথ্যা মামলা দায়ের করেন তা অত্যান্ত দুঃখজনক।

বিস্তারিত আসছে প্রতিবেদন।